ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর গাজা খালি করতে ইসরাইলের আহ্বান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

হামাসের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ব্যাপক বোমাবর্ষণের মধ্যে জাতিসংঘের ভয়াবহ ‘বিধ্বংসী’ পরিণতির সতর্কতা সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজার ১১ লাখ মানুষকে অবিলম্বে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘ বলেছে, উত্তর গাজার সমগ্র জনসংখ্যাকে ছিটমহলের দক্ষিণে স্থানান্তর করা ‘অসম্ভব’ এবং এই আদেশ প্রত্যাহার করার জন্য জরুরি আবেদন জানিয়েছে।

জাতিসংঘ আরো বলেছে, ১৯৪৮ সালে দেশটি সৃষ্টির পর হামাসের সবচেয়ে মারাত্মক হামলায় ইসরায়েলের ১,২০০ বেশি লোকের হত্যা এবং প্রায় ১৫০ জনকে জিম্মি করার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের কিছু আগে ইসরায়েল এই আদেশের বিষয়ে জানায়।

হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে গত ছয় দিন ধরে গাজায় ইসরায়েলের অবিরাম বিমান ও আর্টিলারি হামলা ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। জনাকীর্ণ ছিটমহলে ৪ লাখের বেশি লোককে বাস্তুচ্যুত করেছে।

গাজা শহরের বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশের বিষয়টি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুক্রবার নিশ্চিত করেছে।

গাজায় কর্মরত জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলেছেন, এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের ‘ওয়াদি গাজার উত্তরে গাজার সমগ্র জনসংখ্যাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ গাজায় স্থানান্তর করতে হবে’ বলে জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এএফপিকে বলেছেন, এই জনসংখ্যা প্রায় ১১ লাখ, আদেশটিতে জাতিসংঘের সমস্ত কর্মী এবং স্কুল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ক্লিনিকসহ জাতিসংঘের সুবিধাগুলোতে আশ্রয় প্রাপ্তদের জন্যও প্রযোজ্য।

ইসরায়েলের নিশ্চিতকরণের আগে ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘ দৃঢ়ভাবে এই ধরনের যে কোনো আদেশের প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছে। এই আদেশ ইতোমধ্যেই বিপর্যস্ত গাজার পরিণতি একটি বিপর্যয়কর ট্রাজেডিক পরিস্থিতিতে রূপান্তরিত করতে পারে।

জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান জাতিসংঘের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, গাজার বাসিন্দাদের সতর্কবার্তার ব্যাপারে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া ‘লজ্জাজনক’।

ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান ফ্যাব্রিজিও কার্বোনি গাজার হাসপাতালগুলোকে ‘মর্গে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।

সবচেয়ে বড়, আল-শিফা হাসপাতালে বৃহস্পতিবার একটি বিশৃঙ্খল দৃশ্য ছিল, অ্যাম্বুলেন্সের একটি নিরবচ্ছিন্ন স্রোত, আত্মীয়রা খাবারের জন্য জিজ্ঞাসা করে এবং মৃতদের আত্মীয়দের আর্তনাদ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এএফপির একটি দল হিমাগারের মেঝেতে সাদা কাফনে মোড়ানো কয়েক ডজন লাশ দেখেছে।

হামাস ইসরাইল আক্রমণের পর তার প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট আব্বাস ‘ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ব্যাপক আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি আবেদন জানিয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

২৪ ঘণ্টার মধ্যে উত্তর গাজা খালি করতে ইসরাইলের আহ্বান

আপডেট সময় ০৭:৫৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক

হামাসের হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ব্যাপক বোমাবর্ষণের মধ্যে জাতিসংঘের ভয়াবহ ‘বিধ্বংসী’ পরিণতির সতর্কতা সত্ত্বেও ইসরায়েল গাজার ১১ লাখ মানুষকে অবিলম্বে সরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

জাতিসংঘ বলেছে, উত্তর গাজার সমগ্র জনসংখ্যাকে ছিটমহলের দক্ষিণে স্থানান্তর করা ‘অসম্ভব’ এবং এই আদেশ প্রত্যাহার করার জন্য জরুরি আবেদন জানিয়েছে।

জাতিসংঘ আরো বলেছে, ১৯৪৮ সালে দেশটি সৃষ্টির পর হামাসের সবচেয়ে মারাত্মক হামলায় ইসরায়েলের ১,২০০ বেশি লোকের হত্যা এবং প্রায় ১৫০ জনকে জিম্মি করার ছয় দিন পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের কিছু আগে ইসরায়েল এই আদেশের বিষয়ে জানায়।

হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে গত ছয় দিন ধরে গাজায় ইসরায়েলের অবিরাম বিমান ও আর্টিলারি হামলা ১,৪০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। জনাকীর্ণ ছিটমহলে ৪ লাখের বেশি লোককে বাস্তুচ্যুত করেছে।

গাজা শহরের বাসিন্দাদের দক্ষিণে সরে যাওয়ার নির্দেশের বিষয়টি ইসরায়েলি সেনাবাহিনী শুক্রবার নিশ্চিত করেছে।

গাজায় কর্মরত জাতিসংঘের কর্মকর্তারা বলেছেন, এর আগে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী তাদের ‘ওয়াদি গাজার উত্তরে গাজার সমগ্র জনসংখ্যাকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ গাজায় স্থানান্তর করতে হবে’ বলে জানিয়েছে।

জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক এএফপিকে বলেছেন, এই জনসংখ্যা প্রায় ১১ লাখ, আদেশটিতে জাতিসংঘের সমস্ত কর্মী এবং স্কুল, স্বাস্থ্য কেন্দ্র এবং ক্লিনিকসহ জাতিসংঘের সুবিধাগুলোতে আশ্রয় প্রাপ্তদের জন্যও প্রযোজ্য।

ইসরায়েলের নিশ্চিতকরণের আগে ডুজারিক বলেন, জাতিসংঘ দৃঢ়ভাবে এই ধরনের যে কোনো আদেশের প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছে। এই আদেশ ইতোমধ্যেই বিপর্যস্ত গাজার পরিণতি একটি বিপর্যয়কর ট্রাজেডিক পরিস্থিতিতে রূপান্তরিত করতে পারে।

জাতিসংঘে ইসরায়েলের রাষ্ট্রদূত গিলাদ এরদান জাতিসংঘের প্রতি ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেছেন, গাজার বাসিন্দাদের সতর্কবার্তার ব্যাপারে জাতিসংঘের প্রতিক্রিয়া ‘লজ্জাজনক’।

ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অফ দ্য রেড ক্রস মধ্যপ্রাচ্যের প্রধান ফ্যাব্রিজিও কার্বোনি গাজার হাসপাতালগুলোকে ‘মর্গে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি’ সম্পর্কে সতর্ক করেছেন।

সবচেয়ে বড়, আল-শিফা হাসপাতালে বৃহস্পতিবার একটি বিশৃঙ্খল দৃশ্য ছিল, অ্যাম্বুলেন্সের একটি নিরবচ্ছিন্ন স্রোত, আত্মীয়রা খাবারের জন্য জিজ্ঞাসা করে এবং মৃতদের আত্মীয়দের আর্তনাদ ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করেছে।
এএফপির একটি দল হিমাগারের মেঝেতে সাদা কাফনে মোড়ানো কয়েক ডজন লাশ দেখেছে।

হামাস ইসরাইল আক্রমণের পর তার প্রথম প্রকাশ্য মন্তব্যে, ফিলিস্তিনি প্রেসিডেন্ট আব্বাস ‘ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ব্যাপক আগ্রাসন অবিলম্বে বন্ধ করার’ আহ্বান জানিয়েছেন।

জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরে সবচেয়ে জরুরি প্রয়োজন মেটানোর জন্য প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলারের জরুরি আবেদন জানিয়েছে।