ঢাকা ১০:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

ফুটেজে দেখা গেছে, রাস্তায় কমলা ও নীল ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। হৈ চৈ ও চেঁচামেঁচির শব্দ শোনা যাচ্ছিল এবং লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন জিনিস ছুঁড়ছে। এ সময়ে কিছু লোককে পুলিশ পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় ধরে নিয়ে যায়।

বুধবার চেন নামে গুয়াংজুর বাসিন্দা জানান, তিনি প্রায় একশ’ পুলিশকে হাইজু জেলার হোয়াইজো গ্রামে সমবেত হতে দেখেছেন। পুলিশ মঙ্গলবার রাতে এখান থেকে অন্তত তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায়।

হাইজু জেলায় ১৮ লাখেরও বেশি লোকের বাস। এখানে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অক্টোবর থেকে লকডাউন চলছে। নভেম্বরের প্রথমদিকেও এখানে লকডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়।

উল্লেখ্য, চীনের রাজধানী বেইজিংসহ বড়ো বড়ো বিভিন্ন শহরে চলমান বিক্ষোভের অংশ হিসেবেই এখানেও প্রতিবাদ চলছে।

দেশটির শূন্য কোভিড নীতির প্রতিবাদে ব্যতিক্রমী এ বিক্ষোভে অংশ নেয় লোকজন।

করোনা সংক্রমণ কমাতে চীনা কর্তৃপক্ষের নেয়া কঠোর নীতি জনগনের মনে হতাশা তৈরি করেছে। তারা লকডাউন, কোয়ারেন্টিন ও গণহারে করোনা পরীক্ষা নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি চীনের বৃহত্তম নগরী সাংহাইয়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভকারীরা চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের পদত্যাগ দাবি করে।

চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বিক্ষোভের খবর শোনা গেছে।

যদিও চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কিংবা শ্লোগান দেয়ার ঘটনা বলতে গেলে বিরল। দেশটির আইন অনুযায়ী সরকার ও প্রেসিডেন্টকে নিয়ে সমালোচনাকারীদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

চীনের গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ

আপডেট সময় ০৯:৪১:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ নভেম্বর ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ চীনের দক্ষিণাঞ্চলীয় গুয়াংজুতে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। মঙ্গলবার রাত থেকে বুধবার পর্যন্ত থেমে থেমে এ সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও ভিডিও ফুটেজ সূত্রে এ কথা জানা গেছে।

ফুটেজে দেখা গেছে, রাস্তায় কমলা ও নীল ব্যারিকেড দেয়া হয়েছে। হৈ চৈ ও চেঁচামেঁচির শব্দ শোনা যাচ্ছিল এবং লোকজন পুলিশকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন জিনিস ছুঁড়ছে। এ সময়ে কিছু লোককে পুলিশ পেছনে হাত বাঁধা অবস্থায় ধরে নিয়ে যায়।

বুধবার চেন নামে গুয়াংজুর বাসিন্দা জানান, তিনি প্রায় একশ’ পুলিশকে হাইজু জেলার হোয়াইজো গ্রামে সমবেত হতে দেখেছেন। পুলিশ মঙ্গলবার রাতে এখান থেকে অন্তত তিনজনকে আটক করে নিয়ে যায়।

হাইজু জেলায় ১৮ লাখেরও বেশি লোকের বাস। এখানে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অক্টোবর থেকে লকডাউন চলছে। নভেম্বরের প্রথমদিকেও এখানে লকডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ বিক্ষোভ হয়।

উল্লেখ্য, চীনের রাজধানী বেইজিংসহ বড়ো বড়ো বিভিন্ন শহরে চলমান বিক্ষোভের অংশ হিসেবেই এখানেও প্রতিবাদ চলছে।

দেশটির শূন্য কোভিড নীতির প্রতিবাদে ব্যতিক্রমী এ বিক্ষোভে অংশ নেয় লোকজন।

করোনা সংক্রমণ কমাতে চীনা কর্তৃপক্ষের নেয়া কঠোর নীতি জনগনের মনে হতাশা তৈরি করেছে। তারা লকডাউন, কোয়ারেন্টিন ও গণহারে করোনা পরীক্ষা নিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়েছে।

সম্প্রতি চীনের বৃহত্তম নগরী সাংহাইয়ে বিক্ষোভকারীদের সাথে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। বিক্ষোভকারীরা চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিন পিংয়ের পদত্যাগ দাবি করে।

চীনের পিকিং বিশ্ববিদ্যালয়সহ আরো অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও বিক্ষোভের খবর শোনা গেছে।

যদিও চীনে প্রেসিডেন্ট শি জিন পিং এবং ক্ষমতাসীন কমিউনিস্ট পার্টির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ কিংবা শ্লোগান দেয়ার ঘটনা বলতে গেলে বিরল। দেশটির আইন অনুযায়ী সরকার ও প্রেসিডেন্টকে নিয়ে সমালোচনাকারীদের কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।