ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বকশীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা!

নির্যাতনের শিকার জাহানারা বেগম

নির্যাতনের শিকার জাহানারা বেগম

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও দেবরের বিরুদ্ধে। ১২ মে বিকালে বগারচর ইউনিয়নের সারমারা শ্মশান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, বগারচর ইউনিয়নের বালুগাও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে জাহানারা বেগম (২৮) এর সাথে ১০ বছর আগে একই ইউনিয়নের সারমারা শ্মশান ঘাট এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য জাহানারা বেগমের কাছে চাপ প্রয়োগ করেন আলমগীর হোসেন ও তার পরিবার ।

যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় জাহানারা বেগমকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল স্বামী আলমগীর হোসেন। এর মধ্যে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন জাহানারা বেগম। কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

১২ মে বিকালে জাহানারা বেগমের কাছে তার স্বামী আলমগীর হোসেন পূর্বের মত যৌতুক হিসেবে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। তার বাবার যৌতুক দেওয়ার মত সামর্থ নাই এবং তা দিতে অস্বীকার করলে আলমগীর হোসেন তার স্ত্রী জাহানারা বেগমকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন এবং তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন

এ সময় আলমগীর হোসেনের ভাই আলম মিয়াও তাকে মারধর করেন। মারপিটের ফলে বাম চোখের নিচে জখম হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত বের হলে স্থানীয় সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর আল ফারুকের বাড়িতে দৌড়ে উঠেন। ওই প্রধান শিক্ষক এ সময় তাকে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে হাসপাতালে পাঠান।

যৌতুকের জন্য নির্যাতন করায় স্বামী আলমগীর হোসেন, দেবর আলম মিয়া ও পায়েল বেগমকে আসামি করে নির্যাতিতা জাহানারা বেগম ১৪ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম সম্রাট জানান, এ ঘটনায় ওই নারী তার স্বামীসহ অন্যান্যের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। একজন উপপরিদর্শককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বকশীগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন ও হত্যার চেষ্টা!

আপডেট সময় ০৭:৩১:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০
নির্যাতনের শিকার জাহানারা বেগম

বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে স্বামী ও দেবরের বিরুদ্ধে। ১২ মে বিকালে বগারচর ইউনিয়নের সারমারা শ্মশান ঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন নির্যাতনের শিকার ওই নারী। নির্যাতনের শিকার ওই নারী বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

জানা গেছে, বগারচর ইউনিয়নের বালুগাও গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের মেয়ে জাহানারা বেগম (২৮) এর সাথে ১০ বছর আগে একই ইউনিয়নের সারমারা শ্মশান ঘাট এলাকার আনোয়ার হোসেনের ছেলে আলমগীর হোসেনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন সময় যৌতুকের জন্য জাহানারা বেগমের কাছে চাপ প্রয়োগ করেন আলমগীর হোসেন ও তার পরিবার ।

যৌতুকের টাকা দিতে না পারায় জাহানারা বেগমকে বিভিন্ন সময় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল স্বামী আলমগীর হোসেন। এর মধ্যে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দেন জাহানারা বেগম। কন্যা সন্তান জন্ম দেওয়ার পর নির্যাতনের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

১২ মে বিকালে জাহানারা বেগমের কাছে তার স্বামী আলমগীর হোসেন পূর্বের মত যৌতুক হিসেবে ২ লাখ টাকা দাবি করেন। এ নিয়ে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। তার বাবার যৌতুক দেওয়ার মত সামর্থ নাই এবং তা দিতে অস্বীকার করলে আলমগীর হোসেন তার স্ত্রী জাহানারা বেগমকে বেধড়ক পেটাতে শুরু করেন এবং তাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেন

এ সময় আলমগীর হোসেনের ভাই আলম মিয়াও তাকে মারধর করেন। মারপিটের ফলে বাম চোখের নিচে জখম হয় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত বের হলে স্থানীয় সারমারা নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ওমর আল ফারুকের বাড়িতে দৌড়ে উঠেন। ওই প্রধান শিক্ষক এ সময় তাকে স্থানীয় কমিউনিটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা করিয়ে হাসপাতালে পাঠান।

যৌতুকের জন্য নির্যাতন করায় স্বামী আলমগীর হোসেন, দেবর আলম মিয়া ও পায়েল বেগমকে আসামি করে নির্যাতিতা জাহানারা বেগম ১৪ মে বকশীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম সম্রাট জানান, এ ঘটনায় ওই নারী তার স্বামীসহ অন্যান্যের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দিয়েছেন। একজন উপপরিদর্শককে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।