ঢাকা ০৮:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে হাসপাতাল বেছে নেয়ার অঙ্গীকার করলেন মেলান্দহের গর্ভবতী মায়েরা

মেলান্দহের ঘোষেরপাড়ায় মা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম 

মেলান্দহের ঘোষেরপাড়ায় মা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মাতৃমৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে গর্ভবতী মা এবং তাদের স্বজনরা সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে যেকোনো হাসপাতাল অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বেছে নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন। ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এ মা সমাবেশ।

উন্নয়ন সংঘের এসআরএইচআরএমএনএইচ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক ফজলুল হক।

মেলান্দহের ফুলকুচা কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন ইউনিসেফ, উন্নয়ন সংঘ ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন ইউনিসেফ ঢাকা কার্যালয়ের স্বাাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শামিনা শারমিন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস, ময়মনসিংহ কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক আলমগীর, প্রকল্প কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্যবস্থাপক লিটন সরকার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৬৪ জন গর্ভবতী মা, ৩০ জন জন কিশোরী, ৯০ জন শূন্য থেকে দুই বছর বয়সী শিশু, ৬৬ জন স্বজন অংশ নেন। মা সমাবেশে গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা নিয়মিতকরণ, প্রসব পরিকল্পনা তৈরি করা, নবজাতকের যত্ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা, পুষ্টি সচেতনতাসহ বিভিন্ন উদ্বুদ্ধমূলক আলোচনা করা হয়। এছাড়া এএনসি করা, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা, প্রেশার মাপা, ওজন মাপা, শিশুদের পুষ্টি পরিমাপ করা, কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শমূলক আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত উপকারভোগীরা মা সমাবেশ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান তাদের জীবনে কাজে লাগানোর অঙ্গীকার করেন। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, মাতৃসদন, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা জামালপুর জেনারেল হাসপাতলে গিয়ে প্রসব করাবেন বলে গর্ভবতী মা এবং তাদের আত্মীয়রা হাত তুলে অঙ্গীকার করেন।

এর আগে মেলান্দহ উপজেলার ফুলকুচা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউনিসেফ এর উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও উন্নয়ন সংঘের প্রতিনিধিরা। পরিদর্শনকারী দলের কর্মকর্তারা এই কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ইউনিসেফ এর সহায়তায় উন্নয়ন সংঘ জামালপুর জেলার ৬৮টি ইউনিয়নে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য, যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার উন্নয়নের জন্য কমিউনিটিভিত্তিক কার্যক্রম (আইএমএসআরএইচআরএমএনএইচ) বাস্তবায়ন করছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আসুন আমাদের সন্তানদের বুক ভরে শ্বাস নিতে একটি করে গাছ লাগাই : প্রধানমন্ত্রী

সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে হাসপাতাল বেছে নেয়ার অঙ্গীকার করলেন মেলান্দহের গর্ভবতী মায়েরা

আপডেট সময় ০৭:৫৩:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯
মেলান্দহের ঘোষেরপাড়ায় মা সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমান। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

মাতৃমৃত্যু শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার লক্ষ্যে জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলায় অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে গর্ভবতী মা এবং তাদের স্বজনরা সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রে যেকোনো হাসপাতাল অথবা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স বেছে নেওয়ার অঙ্গীকার করলেন। ১২ সেপ্টেম্বর উপজেলার ঘোষেরপাড়া ইউনিয়নের পাঠানপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এ মা সমাবেশ।

উন্নয়ন সংঘের এসআরএইচআরএমএনএইচ প্রকল্পের আওতায় অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক ফজলুল হক।

মেলান্দহের ফুলকুচা কমিউনিটি ক্লিনিক পরিদর্শন করেন ইউনিসেফ, উন্নয়ন সংঘ ও উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের প্রতিনিধিরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঘোষেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মা সমাবেশে অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন ইউনিসেফ ঢাকা কার্যালয়ের স্বাাস্থ্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক শামিনা শারমিন, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক জান্নাতুল ফেরদৌস, ময়মনসিংহ কার্যালয়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা চিকিৎসক আলমগীর, প্রকল্প কর্মকর্তা আমানুল্লাহ, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, জেলা ব্যবস্থাপক লিটন সরকার প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে ৬৪ জন গর্ভবতী মা, ৩০ জন জন কিশোরী, ৯০ জন শূন্য থেকে দুই বছর বয়সী শিশু, ৬৬ জন স্বজন অংশ নেন। মা সমাবেশে গর্ভকালীন ও প্রসব পরবর্তী স্বাস্থ্যসেবা নিয়মিতকরণ, প্রসব পরিকল্পনা তৈরি করা, নবজাতকের যত্ন ও সুরক্ষা নিশ্চিত করা, বাল্যবিয়ে প্রতিরোধ করা, পুষ্টি সচেতনতাসহ বিভিন্ন উদ্বুদ্ধমূলক আলোচনা করা হয়। এছাড়া এএনসি করা, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা, প্রেশার মাপা, ওজন মাপা, শিশুদের পুষ্টি পরিমাপ করা, কিশোরীদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ে পরামর্শমূলক আলোচনা করা হয়।

উপস্থিত উপকারভোগীরা মা সমাবেশ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান তাদের জীবনে কাজে লাগানোর অঙ্গীকার করেন। বিশেষ করে প্রাতিষ্ঠানিক প্রসব অর্থাৎ ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা কেন্দ্র, মাতৃসদন, উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্র অথবা জামালপুর জেনারেল হাসপাতলে গিয়ে প্রসব করাবেন বলে গর্ভবতী মা এবং তাদের আত্মীয়রা হাত তুলে অঙ্গীকার করেন।

এর আগে মেলান্দহ উপজেলার ফুলকুচা কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রম পরিদর্শন করেন ইউনিসেফ এর উচ্চ পর্যায়ের একটি দল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা ও উন্নয়ন সংঘের প্রতিনিধিরা। পরিদর্শনকারী দলের কর্মকর্তারা এই কমিউনিটি ক্লিনিকের কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন।

ইউনিসেফ এর সহায়তায় উন্নয়ন সংঘ জামালপুর জেলার ৬৮টি ইউনিয়নে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য, যৌন প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অধিকার উন্নয়নের জন্য কমিউনিটিভিত্তিক কার্যক্রম (আইএমএসআরএইচআরএমএনএইচ) বাস্তবায়ন করছে।