ঢাকা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা

শেরপুর : ঋণখেলাপী ব্যবসায়ী মো. জয়নাল আবেদীন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

‎ঋণ খেলাপীর কারণে শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রাহক ব্যবসায়ী আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকে বর্ণিত তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩  টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে যুগ্ম জেলা জজ আদালত, জামালপুর এর বিজ্ঞ জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট এবং সেশন জজ ইকবাল মাহমুদ এই রায় দেন। আদালত ইসলামী ব্যাংক শেরপুর শাখার খেলাপী গ্রাহক জয়নাল আবেদীনকে গ্রেপ্তারে গ্রেপ্তারী পরোয়ানাও জারি করেছেন।

আদালত, পুলিশ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স সাকী অটো রাইস মিল প্রাইভেট লি: এর চেয়ারম্যান আলহাজ জয়নাল আবেদীন শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ১০০ তিন কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ জোনের সর্ববৃহৎ খেলাপী গ্রাহক।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে ৭৩০/২৬ নম্বর দায়রা মামলায় জয়নাল আবেদীনের এক বছরের কারাদন্ড ও তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকার অর্থদন্ড হয়। সেই সাথে আদালত থেকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়।

জয়নাল আবেদীন এই প্রতিবেদককে বলেন, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি সঠিক নয়। এই মামলায় তো এখনও স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণই শুরু হয়নি।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেরপুর শাখা ব্যবস্থাপক ও এভিপি মোহাম্মদ গোলাম মাসুদ এই বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্যাংক পাওনা আদায়ের জন্য আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের সাথে লিখিত, মৌখিক ও সশরীরে ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ বারবার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার পরেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। বিধায় ব্যাংক তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি উক্ত এমাউন্টের চেকটি দিয়েছিলেন। শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য আইনী ও অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ এই প্রতিবেদককে বলেন, গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আদেশপত্র হাতে পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা

আপডেট সময় ০৯:৪৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

‎ঋণ খেলাপীর কারণে শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের গ্রাহক ব্যবসায়ী আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং চেকে বর্ণিত তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩  টাকার অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে যুগ্ম জেলা জজ আদালত, জামালপুর এর বিজ্ঞ জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট এবং সেশন জজ ইকবাল মাহমুদ এই রায় দেন। আদালত ইসলামী ব্যাংক শেরপুর শাখার খেলাপী গ্রাহক জয়নাল আবেদীনকে গ্রেপ্তারে গ্রেপ্তারী পরোয়ানাও জারি করেছেন।

আদালত, পুলিশ ও ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, মেসার্স সাকী অটো রাইস মিল প্রাইভেট লি: এর চেয়ারম্যান আলহাজ জয়নাল আবেদীন শেরপুর শাখা ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ১০০ তিন কোটি টাকার বিনিয়োগ গ্রহণ করেন। তিনি ময়মনসিংহ জোনের সর্ববৃহৎ খেলাপী গ্রাহক।

৬ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিকালে ৭৩০/২৬ নম্বর দায়রা মামলায় জয়নাল আবেদীনের এক বছরের কারাদন্ড ও তিন কোটি নয় লাখ ৯৯ হাজার ১২৩ টাকার অর্থদন্ড হয়। সেই সাথে আদালত থেকে গ্রেপ্তারী পরোয়ানা জারি করা হয়।

জয়নাল আবেদীন এই প্রতিবেদককে বলেন, কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডের বিষয়টি সঠিক নয়। এই মামলায় তো এখনও স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণই শুরু হয়নি।

ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশের শেরপুর শাখা ব্যবস্থাপক ও এভিপি মোহাম্মদ গোলাম মাসুদ এই বিষয়ের সত্যতা নিশ্চিত করে এই প্রতিবেদককে বলেন, ব্যাংক পাওনা আদায়ের জন্য আলহাজ মো. জয়নাল আবেদীনের সাথে লিখিত, মৌখিক ও সশরীরে ব্যাংকের কর্মকর্তাবৃন্দ বারবার প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করার পরেও ব্যাংকের টাকা পরিশোধের কার্যকরী উদ্যোগ গ্রহণ করেননি। বিধায় ব্যাংক তার বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা দায়ের করে।

তিনি আরও বলেন, ব্যাংকের টাকা পরিশোধের জন্য তিনি উক্ত এমাউন্টের চেকটি দিয়েছিলেন। শাখা ব্যবস্থাপক হিসাবে ব্যাংকের পাওনা আদায়ের জন্য আইনী ও অন্যান্য যাবতীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যাংক প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এ ব্যাপারে শেরপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোকন চন্দ্র ঘোষ এই প্রতিবেদককে বলেন, গ্রেপ্তারী পরোয়ানার আদেশপত্র হাতে পেলেই আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।