ঢাকা ০২:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড বৈলডাঙ্গা বিলের প্রকৃতিতে সৌন্দর্য ছড়াচ্ছে লাল শাপলা ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল

যমুনা সার কারখানায় ফের দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু

সরিষাবাড়ী : যমুনা সার কারখানা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সারকারখানায় অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটিতে ছয়দিন বন্ধ থাকার পর ফের ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা। শুরু থেকে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে আসছে কারখানাটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে যমুনা সার কারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাংগাইল, রাজবাড়ী ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করেন। ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি গ্যাস সংকট দেখা দিলে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এতে কর্মহীন হয়ে পড়েন শতাধিক শ্রমিক- কর্মচারী। দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ থাকার পর গ্যাস সংযোগ পেয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করলেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি রাত থেকে ফের উৎপাদন বন্ধ হয়। এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যমুনা সার কারখানার উপ প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটিতে ৫ জানুয়ারি থেকে ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ ছিল যমুনা সারকারখানায়। যন্ত্রাংশ মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কারখানায় পুরোপুরি ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এখনও আর কোন সমস্যা দেখা যায়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূকে ধর্ষণের দায়ে দুই যুবকের মৃত্যুদণ্ড

যমুনা সার কারখানায় ফের দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু

আপডেট সময় ১০:৩৭:১৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় যমুনা সারকারখানায় অ্যামোনিয়া প্ল্যান্টে যান্ত্রিক ত্রুটিতে ছয়দিন বন্ধ থাকার পর ফের ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করেছে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।

কারখানা সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯০ সালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দিতে প্রতিষ্ঠিত হয় দানাদার ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা সারকারখানা। শুরু থেকে দৈনিক এক হাজার ৭০০ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার উৎপাদন করে আসছে কারখানাটি। প্রতিষ্ঠার পর থেকে যমুনা সার কারখানা থেকে জামালপুর, শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাংগাইল, রাজবাড়ী ছাড়াও উত্তরবঙ্গের ১৯ জেলার প্রায় আড়াই হাজার ডিলার যমুনার সার উত্তোলন করেন। ২০২৪ সালের ১৫ জানুয়ারি গ্যাস সংকট দেখা দিলে অ্যামোনিয়া ও ইউরিয়া সার উৎপাদন পুরোপুরি বন্ধ করে দেয় কারখানা কর্তৃপক্ষ।

এতে কর্মহীন হয়ে পড়েন শতাধিক শ্রমিক- কর্মচারী। দীর্ঘ ২৩ মাস বন্ধ থাকার পর গ্যাস সংযোগ পেয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর ইউরিয়া সার উৎপাদন শুরু করলেও যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেওয়ায় চলতি মাসের ৫ জানুয়ারি রাত থেকে ফের উৎপাদন বন্ধ হয়। এদিকে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যা থেকে ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করে কারখানা কর্তৃপক্ষ।

যমুনা সার কারখানার উপ প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, যান্ত্রিক ত্রুটিতে ৫ জানুয়ারি থেকে ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ ছিল যমুনা সারকারখানায়। যন্ত্রাংশ মেরামত শেষে ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা থেকে কারখানায় পুরোপুরি ইউরিয়া উৎপাদন শুরু করা হয়েছে। এখনও আর কোন সমস্যা দেখা যায়নি বলে জানান এ কর্মকর্তা।