ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ মাদারগঞ্জে বাঁশির শব্দে ছুটল ঘোড়া, উল্লাসে মাতল হাজারো দর্শক জামালপুরে নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টি বিষয়ক এপির বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে : প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস ২০২৬ : বৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে মর্যাদা ও অধিকার চাই নারীর রাজনৈতিক অংশগ্রহণ বাড়াতে জামালপুরে মিডিয়া ওরিয়েন্টেশন প্রতি ইউনিয়নে গড়ে তোলা হবে প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট : প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক সহকারী গণমাধ্যম শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হবে: মির্জা ফখরুল শিশুদের স্কুলমুখী করতে মিড ডে মিল চালু করতে চাই : প্রতিমন্ত্রী মিল্লাত নকলায় আর্থিক সহায়তার চেক বিতরণ করলেন সংসদ সদস্য ফাহিম চৌধুরী

জামালপুর সরকারি বালিকা ‍উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের প্রশ্নপত্র নিয়ে বিতর্ক

জামালপুর : জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ শ্রেণির গণিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পাঠ্যবই ও সিলেবাসের বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র তৈরি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অপরদিকে পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন পৃষ্ঠা ও সিলেবাসের মধ্যে থেকেই গণিত প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শামছুল হক।

ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রী অভিযোগ করে, তাদের বার্ষিক পরীক্ষার গণিত প্রশ্ন তাদের পাঠ্যবই ও সিলেবাসের বাইরে থেকে করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস হয় না বলেও তারা অভিযোগ করে। এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শামছুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, চতুর্থ শ্রেণির গণিত প্রশ্নপত্রে দেখা যায় প্রতিটির প্রশ্নের বিপরীতে পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন পৃষ্ঠা ও সিলেবাসের মধ্যে থেকেই এই গণিত প্রশ্ন করা হয়েছে। এখানে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্তি হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকামন্ডলী পাঠ্য বইয়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী ও বিদ্যালয় থেকে প্রদত্ত সিলেবাস অনুযায়ী প্রত্যেকটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করে থাকেন। পাঠ্য বই বা সিলেবাসের বাইরে প্রশ্নপত্র করার কোন সুযোগ সরকারি বিধি মোতাবেক নেই। তবে প্রশ্নপত্র ও ক্লাস না হওয়া প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্রীরা যে অভিযোগ করেছে তা মূলত: ভিত্তিহীন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ইন্টারনেট বরাদ্দের টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

জামালপুর সরকারি বালিকা ‍উচ্চ বিদ্যালয়ের গণিতের প্রশ্নপত্র নিয়ে বিতর্ক

আপডেট সময় ১০:০০:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৫

জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২৭ নভেম্বর, বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত চতুর্থ শ্রেণির গণিত পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র নিয়ে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। পাঠ্যবই ও সিলেবাসের বাইরে থেকে প্রশ্নপত্র তৈরি করার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

অপরদিকে পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন পৃষ্ঠা ও সিলেবাসের মধ্যে থেকেই গণিত প্রশ্নপত্র তৈরি করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শামছুল হক।

ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির কয়েকজন ছাত্রী অভিযোগ করে, তাদের বার্ষিক পরীক্ষার গণিত প্রশ্ন তাদের পাঠ্যবই ও সিলেবাসের বাইরে থেকে করা হয়েছে। এছাড়া বিদ্যালয়ে নিয়মিত ক্লাস হয় না বলেও তারা অভিযোগ করে। এমন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শামছুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, চতুর্থ শ্রেণির গণিত প্রশ্নপত্রে দেখা যায় প্রতিটির প্রশ্নের বিপরীতে পাঠ্য বইয়ের বিভিন্ন পৃষ্ঠা ও সিলেবাসের মধ্যে থেকেই এই গণিত প্রশ্ন করা হয়েছে। এখানে অভিভাবকসহ সংশ্লিষ্টদের বিভ্রান্তি হওয়ার কোন সুযোগ নেই।

তিনি আরও বলেন, প্রকৃতপক্ষে জামালপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকামন্ডলী পাঠ্য বইয়ের পাঠ্যসূচি অনুযায়ী ও বিদ্যালয় থেকে প্রদত্ত সিলেবাস অনুযায়ী প্রত্যেকটি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তৈরি করে থাকেন। পাঠ্য বই বা সিলেবাসের বাইরে প্রশ্নপত্র করার কোন সুযোগ সরকারি বিধি মোতাবেক নেই। তবে প্রশ্নপত্র ও ক্লাস না হওয়া প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছাত্রীরা যে অভিযোগ করেছে তা মূলত: ভিত্তিহীন।