জামালপুর পৌরসভার বাগেরহাটা গ্রামের ফারজানা আক্তার সবুজা নামের এক নারীর হাত থেকে রক্ষা পেতে ভুক্তভোগী পরিবারের সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ১৪ আগস্ট, বৃহস্পতিবার বিকালে শহরের স্টেশন রোডে স্থানীয় অনলাইন পত্রিকা জামালপুর বার্তা কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখেন, ভুক্তভোগী চাঁন মিয়া ও তার স্ত্রী পরী বেগম।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, ফারজানা আক্তার সবুজা সাংবাদিক পরিচয়ে থানা পুলিশের সাথে সখ্যতা রেখে নিরীহ মানুষদের বিভিন্ন মামলায় হয়রানি করাই তার পেশা। সেই সাথে এলাকায় তার বিরুদ্ধে নানান অভিযোগও রয়েছে। ফারজানা আক্তার সবুজা কিছুদিন আগে একই এলাকার দরিদ্র রাজমিস্ত্রি মিলনের কাছ থেকে একটি স্ট্যাম্পে জাল সাক্ষর নিয়ে ৮/৯ লাখ টাকা দাবি করে আসছেন। টাকা না দেওয়ায় মিলনের নামে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেন ফারজানা আক্তার সবুজা। সেই মামলায় যাদের সাক্ষী দেওয়া হয়েছে তারা কেউ স্থানীয় নয়। সাংবাদিকতা না করেও নামমাত্র কার্ডধারী হয়ে তিনি থানা পুলিশের কাছে প্রভাব খাটিয়ে এসব কর্মযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, ফারজানা আক্তার সবুজার অনৈতিক দাবি না মেনে নেয়ায় মিলনকে কোন প্রকার তদন্ত ছাড়াই গত ১২ আগস্ট, মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুর সদর থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে৷ একই ষড়যন্ত্রমূলক মামলায় তার ভাই ফরিদকেও আসামি করা হয়েছে। অথচ যেদিন ঘটনার কথা উল্লেখ করে ফারজানা আক্তার সবুজা মামলা দায়ের করেন, সেদিন ফরিদ একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন। ফারজানা আক্তার সবুজার এসব অনৈতিক দাবির প্রতিবাদ করলে ভুক্তভোগীদের হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।
দ্রুত সময়ের মধ্যেই এই ফারজানা আক্তার সবুজাকে সঠিক তদন্ত সাপেক্ষে সর্বোচ্চ শাস্তি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করে মিলনের মুক্তি দাবি করেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন।
এ ব্যাপারে ফারজানা আক্তার সবুজা এ প্রতিবেদককে বলেন, সংবাদ সম্মেলনে আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও ষড়যন্ত্রমূলক। আমি ভুক্তভুগী বলেই মামলা দায়ের করেছি। আমি আইনের আশ্রয় নিয়েছি।
নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলারচিঠিডটকম 









