ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : ইকবাল হাসান মাহমুদ অনিরাপদ খাদ্যের স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক পণ্য উদ্ধার ইসলামপুরে বৃদ্ধ দম্পত্তি চায় নিরাপদ ঘর, দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা ইসলামপুরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের বকশীগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক হলেন সাঈদ ঝর্নায় জ্বালানি তেল না আসায় ভোগান্তিতে ইসলামপুরবাসী আওনা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, মদিনায় দাফন

ইউএসএআইডি বন্ধের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ওয়াশিংটনের

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২৮ মার্চ শুক্রবার মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা -ইউএসএআইডি কার্যকরভাবে বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণার ফলে বিদেশি সাহায্য ব্যয় নাটকীয়ভাবে হ্রাস করার ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২৮ মার্চ পররাষ্ট্র দপ্তর এবং মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) কংগ্রেসকে তাদের পুনর্গঠনের অভিপ্রায় সম্পর্কে অবহিত করেছে। যার মধ্যে আগামী ১ জুলাই ২০২৫ সালের মধ্যে ইউএসএআইডি’র কিছু পুনর্গঠন করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্র দপ্তর প্রশাসনের অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন ইউএসএআইডির অবশিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে।

’দুর্ভাগ্যবশত, ইউএসএআইডি অনেক আগেই তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে,’ তিনি বলেন। ’ফলস্বরূপ, লাভ খুব কম ছিল এবং খরচও খুব বেশি ছিল।’

জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য মার্কিন বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন। এরপর বিভিন্ন ইউএসএআইডি কর্মসূচিতে নাটকীয় কাটছাঁট করা হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তার জন্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়।

সাহায্য বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ১৯৬১ সালে মার্কিন কংগ্রেসের একটি আইনের মাধ্যমে তৈরি স্বাধীন সংস্থাটিতে হতবাক ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির ডেমোক্র্যাটরা এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুনর্গঠনের ফলে ’কেবল মাত্র ইউএসএআইডি’র যেকোনো বহাল থাকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে না, বরং পররাষ্ট্র দপ্তরের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’

তারা আরো বলেন, এই প্রস্তাবটি অবৈধ, বিপজ্জনক এবং অগ্রহণযোগ্য।

বন্ধ হওয়ার আগে, সংস্থাটি প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক বাজেট পরিচালনা করত। যা বিশ্বের মানবিক সহায়তার ৪০ শতাংশেরও বেশি। ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এর বেশিরভাগ কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল।

একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের মতে, শুক্রবার এক স্মারকলিপিতে ইউএসএআইডি কর্মীদের আইন অনুসারে বাধ্যতামূলক নয় এমন সমস্ত চাকরি বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে, স্বাধীন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেরেমি লুইন বলেছেন যে, পররাষ্ট্র দপ্তর আগামী মাসগুলোতে ইউএসএআইডির বেশিরভাগ স্বাধীন কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

ইউএসএআইডি বন্ধের আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ওয়াশিংটনের

আপডেট সময় ০৯:৪৬:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ মার্চ ২০২৫

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ২৮ মার্চ শুক্রবার মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা -ইউএসএআইডি কার্যকরভাবে বন্ধ করার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই ঘোষণার ফলে বিদেশি সাহায্য ব্যয় নাটকীয়ভাবে হ্রাস করার ব্যাপকভাবে সমালোচিত হচ্ছে।

ওয়াশিংটন থেকে এএফপি এ খবর জানায়।

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এক বিবৃতিতে বলেছেন, ২৮ মার্চ পররাষ্ট্র দপ্তর এবং মার্কিন আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা (ইউএসএআইডি) কংগ্রেসকে তাদের পুনর্গঠনের অভিপ্রায় সম্পর্কে অবহিত করেছে। যার মধ্যে আগামী ১ জুলাই ২০২৫ সালের মধ্যে ইউএসএআইডি’র কিছু পুনর্গঠন করা হবে বলে তিনি জানান।

তিনি বলেন, পররাষ্ট্র দপ্তর প্রশাসনের অগ্রাধিকারের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এমন ইউএসএআইডির অবশিষ্ট কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে।

’দুর্ভাগ্যবশত, ইউএসএআইডি অনেক আগেই তার মূল লক্ষ্য থেকে সরে গেছে,’ তিনি বলেন। ’ফলস্বরূপ, লাভ খুব কম ছিল এবং খরচও খুব বেশি ছিল।’

জানুয়ারিতে ক্ষমতা গ্রহণের পর রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৯০ দিনের জন্য মার্কিন বৈদেশিক সাহায্য বন্ধ করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেন। এরপর বিভিন্ন ইউএসএআইডি কর্মসূচিতে নাটকীয় কাটছাঁট করা হয়। তবে গুরুত্বপূর্ণ মানবিক সহায়তার জন্য কিছু ছাড় দেওয়া হয়।

সাহায্য বন্ধের এই সিদ্ধান্ত ১৯৬১ সালে মার্কিন কংগ্রেসের একটি আইনের মাধ্যমে তৈরি স্বাধীন সংস্থাটিতে হতবাক ও হতাশার সৃষ্টি করেছে।

সিনেটের বৈদেশিক সম্পর্ক বিষয়ক কমিটির ডেমোক্র্যাটরা এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বলেছেন, পুনর্গঠনের ফলে ’কেবল মাত্র ইউএসএআইডি’র যেকোনো বহাল থাকা কর্মসূচি বাস্তবায়ন অসম্ভব হয়ে পড়বে না, বরং পররাষ্ট্র দপ্তরের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হবে।’

তারা আরো বলেন, এই প্রস্তাবটি অবৈধ, বিপজ্জনক এবং অগ্রহণযোগ্য।

বন্ধ হওয়ার আগে, সংস্থাটি প্রায় ৪৩ বিলিয়ন ডলারের বার্ষিক বাজেট পরিচালনা করত। যা বিশ্বের মানবিক সহায়তার ৪০ শতাংশেরও বেশি। ট্রাম্প ক্ষমতা গ্রহণের পরপরই এর বেশিরভাগ কর্মীকে ছুটিতে পাঠানো হয়েছিল।

একাধিক মার্কিন সংবাদমাধ্যমের মতে, শুক্রবার এক স্মারকলিপিতে ইউএসএআইডি কর্মীদের আইন অনুসারে বাধ্যতামূলক নয় এমন সমস্ত চাকরি বাদ দেওয়ার পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।

স্মারকলিপিতে, স্বাধীন সংস্থার ভারপ্রাপ্ত প্রধান জেরেমি লুইন বলেছেন যে, পররাষ্ট্র দপ্তর আগামী মাসগুলোতে ইউএসএআইডির বেশিরভাগ স্বাধীন কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা করেছে।