ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে নাসিবের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মত জাতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতায় জামালপুরের স্বর্ণ জয় প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর ট্রাম্পের ছায়ায় ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদে রিপাবলিকান প্রার্থী স্টিভ হিলটন মক্কা ও জেদ্দায় ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা জারি সৌদি আরবের এনআইডি সংশোধনে ইসির বড় অগ্রগতি, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি আগের সময়সূচিতে ফিরল মার্কেট-শপিংমল, বন্ধ রাত ৮টায় দেশজুড়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের সংকটের মধ্যেও জামালপুরে একাই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডাক্তার হারুন কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর গোয়ালের চর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

সাংবাদিক নাদিম হত্যায় ৫ দিনের রিমাণ্ডে ইউপি চেয়ারম্যান বাবু

প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবু। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবু। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বহুল আলোচিত সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর পাঁচদিনের রিমাণ্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাবু চেয়ারম্যানের সাথে আদালতে তোলা অন্য তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিকে চারদিন ও এক আসামিকে তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন বিচারক ।

১৮ জুন বিকেল সাড়ে তিনটায় জামালপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তানভীর আহম্মেদ এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

চারদিনের রিমাণ্ডে যারা তারা হলেন- জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালেরবার্তী গ্রামের জমির শেখের ছেলে রেজাউল করিম ও একই এলাকার মফিজল হকের ছেলে মনিরুজ্জামান মনির। এছাড়া আসামি জাকিরুল ইসলামকে তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইউসুফ আলী জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোহেল রানা ১৮ জুন দেড়টার দিকে আদালতে সোপর্দ করা বাবু চেয়ারম্যানসহ চার আসামির সাতদিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদে তাদের এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ থেকেই এ রিমাণ্ড শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রত্যেকেরই ভিন্ন মেয়াদে রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে সকালে একই আদালতে ৯ আসামির মধ্যে চারজনের চারদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হয়। তারা হলেন- বকশীগঞ্জ উত্তর বাজার এলাকার মো. আনার আলীর ছেলে মো. গোলাম কিবরিয়া সুমন (৪৩), মালিরচর নয়াপাড়া এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. মিলন (২৫), নামাপাড়া এলাকার মৃত জহিরুল হকের ছেলে মো. তোফাজ্জল (৪০) ও একই এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে মো. আইনাল হক (৫৫)।

এছাড়া যে ৫ আসামির তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর হয়েছে তারা হলেন- বালুগ্রাম সাধুরপাড়া এলাকার মৃত বাচ্চু খাজার ছেলে মো. কফিল উদ্দিন (৫৫), দক্ষিণ কুতুবের চর গ্রামের সিরাজের ছেলে মো. ফজলু মিয়া (৩৫) ও মো. শহিদ (৪০), মোল্লাপাড়া মসজিদপাড়া গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে মো. মকবুল (৩৫), সর্দারপাড়া মেরুরচর গ্রামের মো. আ. করিমের ছেলে মো. ওহিদুজ্জামান (৩০)।

এদিকে গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ১৭ জুন বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী মনিরা বেগম।

উল্লেখ্য, ১৪ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে বকশীগঞ্জ পৌরসভার পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম। সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নেতৃত্বে তার ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী সাংবাদিক নাদিমের ওপর হামলা করা হয়। পরে স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ কয়েকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। রাত দেড়টার দিকে তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জুন দুপুরে মারা যান নাদিম।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে নাসিবের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

সাংবাদিক নাদিম হত্যায় ৫ দিনের রিমাণ্ডে ইউপি চেয়ারম্যান বাবু

আপডেট সময় ০৮:২৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জুন ২০২৩
প্রধান আসামি মাহমুদুল আলম বাবু। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

মাহমুদুল হাসান মুক্তা, নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম: বহুল আলোচিত সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর পাঁচদিনের রিমাণ্ড আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বাবু চেয়ারম্যানের সাথে আদালতে তোলা অন্য তিন আসামির মধ্যে দুই আসামিকে চারদিন ও এক আসামিকে তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন বিচারক ।

১৮ জুন বিকেল সাড়ে তিনটায় জামালপুরের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক তানভীর আহম্মেদ এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন।

চারদিনের রিমাণ্ডে যারা তারা হলেন- জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার কামালেরবার্তী গ্রামের জমির শেখের ছেলে রেজাউল করিম ও একই এলাকার মফিজল হকের ছেলে মনিরুজ্জামান মনির। এছাড়া আসামি জাকিরুল ইসলামকে তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

বাদীপক্ষের আইনজীবী ইউসুফ আলী জানান, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সোহেল রানা ১৮ জুন দেড়টার দিকে আদালতে সোপর্দ করা বাবু চেয়ারম্যানসহ চার আসামির সাতদিনের রিমাণ্ড আবেদন করেন। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে বিভিন্ন মেয়াদে তাদের এ রিমাণ্ড মঞ্জুর করেন আদালত। আজ থেকেই এ রিমাণ্ড শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১৩ জন আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। প্রত্যেকেরই ভিন্ন মেয়াদে রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হয়।

এর আগে সকালে একই আদালতে ৯ আসামির মধ্যে চারজনের চারদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর করা হয়। তারা হলেন- বকশীগঞ্জ উত্তর বাজার এলাকার মো. আনার আলীর ছেলে মো. গোলাম কিবরিয়া সুমন (৪৩), মালিরচর নয়াপাড়া এলাকার মৃত মোফাজ্জল হোসেনের ছেলে মো. মিলন (২৫), নামাপাড়া এলাকার মৃত জহিরুল হকের ছেলে মো. তোফাজ্জল (৪০) ও একই এলাকার মৃত আজিজুল হকের ছেলে মো. আইনাল হক (৫৫)।

এছাড়া যে ৫ আসামির তিনদিনের রিমাণ্ড মঞ্জুর হয়েছে তারা হলেন- বালুগ্রাম সাধুরপাড়া এলাকার মৃত বাচ্চু খাজার ছেলে মো. কফিল উদ্দিন (৫৫), দক্ষিণ কুতুবের চর গ্রামের সিরাজের ছেলে মো. ফজলু মিয়া (৩৫) ও মো. শহিদ (৪০), মোল্লাপাড়া মসজিদপাড়া গ্রামের মৃত হাকিমের ছেলে মো. মকবুল (৩৫), সর্দারপাড়া মেরুরচর গ্রামের মো. আ. করিমের ছেলে মো. ওহিদুজ্জামান (৩০)।

এদিকে গোলাম রাব্বানী নাদিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ২২ জনের নাম উল্লেখ করে এবং ২০/২৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে ১৭ জুন বকশীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নিহত সাংবাদিকের স্ত্রী মনিরা বেগম।

উল্লেখ্য, ১৪ জুন রাত সাড়ে ১০টার দিকে বকশীগঞ্জ পৌরসভার পাটহাটি এলাকায় হামলার শিকার হন সাংবাদিক গোলাম রাব্বানী নাদিম। সাধুরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহমুদুল আলম বাবুর নেতৃত্বে তার ছেলেসহ একদল সন্ত্রাসী সাংবাদিক নাদিমের ওপর হামলা করা হয়। পরে স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ কয়েকজন তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠায়। রাত দেড়টার দিকে তাঁকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়। সকালে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১৫ জুন দুপুরে মারা যান নাদিম।