ঢাকা ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন মাদারগঞ্জে জাতীয় কন্যাশিশু দিবস পালিত নান্দিনায় দশ ছাত্রের পড়ালেখার দায়িত্ব নিলেন শিল্পপতি রাজিব সরকার শেরপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিবন্ধীদের মধ্যে হুইলচেয়ার বিতরণ দেওয়ানগঞ্জে সংলাপ কেন্দ্রের উদ্যোগে বাল্যবিয়েবিরোধী নাটিকা মঞ্চস্থ দেওয়ানগঞ্জে ভুল ড্রপে চোখের ক্ষতি, অভিযোগ স্বাস্থ্যকর্মীর বিরুদ্ধে মাদারগঞ্জে মেশিনের চাকায় পিষ্ট হয়ে বিএনপি নেতার মৃত্যু জনগণের অর্থের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী তথ্য কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে ৬৪ জেলায় : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।

টেলিভিশন চ্যানেল মালিক সমিতি (অ্যাটকো) এর ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৮ জুন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিন। নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে না পারলে আমাদের সব অর্জন বৃথা হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, “বিগত পাঁচ দশকের অধিককালে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করার অনেক চেষ্টা চালিয়েছে।”

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে গণমাধ্যমের ব্যাপক উপস্থিতির উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

স্বাধীনতা বিরোধীচক্র যাতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে কোনভাবেই বিকৃত করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে তিনি সে লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, “গণমাধ্যম অবশ্যই সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে। সাথে সাথে দেশ ও জনগণের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রমকে তুলে ধরতে হবে।”

দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, কেউ যাতে ছদ্মাবরণে ও চতুরতার সাথে আমাদের ইতিহাসকে বিকৃতি করতে না পারে সেজন্য এই টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, “সামনে দ্বাদশ নির্বাচন। গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসীদের জন্য এটি একটি এসিড টেস্ট। তাই গণমাধ্যমকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ ও জনগণের জন্য কারা অপরিহার্য এবং কোন ধারার জনপ্রতিনিধি আবশ্যক তা ঠিক করতে এবং জনমত তৈরিতে গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং রাষ্ট্রপতির সচিবগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও অ্যাটকোর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী এবং ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান ও অ্যাটকোর সহ-সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল চৌধুরী ১১-সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

অ্যাটকো সভাপতি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- সংগঠনের সহ-সভাপতি ও ইনডিপেনডেন্ট টিভির পরিচালক আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, অ্যাটকো পরিচালক-বৈশাখী টিভির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন, বাংলাভিশনের চেয়ারম্যান আবদুল হক, আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু, সময় টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের, নাগরিক টিভির পরিচালক নাভিদুল হক, ইটিভির ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, চ্যানেল আই এর পরিচালক জহিরুদ্দিন মাহমুদ মামুন এবং এনটিভির পরিচালক মোঃ আশফাক উদ্দিন আহমেদ।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারগঞ্জে আরও ২ কূপ খননের প্রস্তুতি, ডিপিপি অনুমোদনের অপেক্ষায় বাপেক্স

মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমের প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান

আপডেট সময় ০৮:৪২:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ জুন ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিয়ে নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন।

টেলিভিশন চ্যানেল মালিক সমিতি (অ্যাটকো) এর ১১ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল ৮ জুন বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান।

রাষ্ট্রপ্রধান বলেন, “মুক্তিযুদ্ধ ও উন্নয়নকে প্রাধান্য দিন। নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা গড়ে তুলতে গণমাধ্যমকে কার্যকরী ভূমিকা রাখতে হবে।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ঘরে ঘরে পৌঁছে দিতে না পারলে আমাদের সব অর্জন বৃথা হয়ে যাবে।

তিনি বলেন, “বিগত পাঁচ দশকের অধিককালে অনেক পরিবর্তন এসেছে। এই সময়ে স্বাধীনতা বিরোধীরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার ইতিহাসকে বিকৃত করার অনেক চেষ্টা চালিয়েছে।”

দেশের তৃণমূল পর্যায়ে গণমাধ্যমের ব্যাপক উপস্থিতির উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, গণমাধ্যম যাতে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে সে লক্ষ্যে সরকার সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।

স্বাধীনতা বিরোধীচক্র যাতে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার ইতিহাসকে কোনভাবেই বিকৃত করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে তিনি সে লক্ষ্যে গণমাধ্যমকে আরো তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন।

তিনি বলেন, “গণমাধ্যম অবশ্যই সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করবে। সাথে সাথে দেশ ও জনগণের উন্নয়নে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ ও কার্যক্রমকে তুলে ধরতে হবে।”

দেশীয় সংস্কৃতির বিকাশে কাজ করার জন্য গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন বলেন, কেউ যাতে ছদ্মাবরণে ও চতুরতার সাথে আমাদের ইতিহাসকে বিকৃতি করতে না পারে সেজন্য এই টেলিভিশন চ্যানেলগুলোকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

তিনি বলেন, “সামনে দ্বাদশ নির্বাচন। গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং মুক্তিযুদ্ধে বিশ্বাসীদের জন্য এটি একটি এসিড টেস্ট। তাই গণমাধ্যমকে এ ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে।”

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশ ও জনগণের জন্য কারা অপরিহার্য এবং কোন ধারার জনপ্রতিনিধি আবশ্যক তা ঠিক করতে এবং জনমত তৈরিতে গণমাধ্যমের কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান এবং রাষ্ট্রপতির সচিবগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

মাছরাঙ্গা টেলিভিশনের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ও অ্যাটকোর সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা অঞ্জন চৌধুরী এবং ডিবিসি নিউজের চেয়ারম্যান ও অ্যাটকোর সহ-সভাপতি প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল চৌধুরী ১১-সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন।

অ্যাটকো সভাপতি সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রম রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন।

প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা হলেন- সংগঠনের সহ-সভাপতি ও ইনডিপেনডেন্ট টিভির পরিচালক আহমেদ শায়ান ফজলুর রহমান, অ্যাটকো পরিচালক-বৈশাখী টিভির উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক টিপু আলম মিলন, বাংলাভিশনের চেয়ারম্যান আবদুল হক, আরটিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক হুমায়ুন কবির বাবলু, সময় টিভির ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহমেদ জোবায়ের, নাগরিক টিভির পরিচালক নাভিদুল হক, ইটিভির ভাইস-চেয়ারম্যান আবদুস সামাদ, চ্যানেল আই এর পরিচালক জহিরুদ্দিন মাহমুদ মামুন এবং এনটিভির পরিচালক মোঃ আশফাক উদ্দিন আহমেদ।