ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুরে নাসিবের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত প্রথমবারের মত জাতীয় জুনিয়র কারাতে প্রতিযোগিতায় জামালপুরের স্বর্ণ জয় প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতায় নতুন গতির আশা টোকিওর ট্রাম্পের ছায়ায় ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর পদে রিপাবলিকান প্রার্থী স্টিভ হিলটন মক্কা ও জেদ্দায় ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা জারি সৌদি আরবের এনআইডি সংশোধনে ইসির বড় অগ্রগতি, ৬৪ লাখের বেশি আবেদন নিষ্পত্তি আগের সময়সূচিতে ফিরল মার্কেট-শপিংমল, বন্ধ রাত ৮টায় দেশজুড়ে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞের সংকটের মধ্যেও জামালপুরে একাই দায়িত্ব সামলাচ্ছেন ডাক্তার হারুন কুয়াকাটার পর্যটন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উন্নয়নের তাগিদ পর্যটনমন্ত্রীর গোয়ালের চর ইউনিয়ন পরিষদ ভবনের নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

৮ মাসে রাজস্ব আয় ১ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা | প্রবৃদ্ধি ৮.৯২ শতাংশ

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : চলতি ২০২২-২৩ করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়কর, স্থানীয় পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক মিলে মোট রাজস্ব আয় করেছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা বিগত করবর্ষের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। গত করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, খাতভিত্তিক রাজস্ব আয়ের হিসাব হলো-৮ মাসে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ৫৯ হাজার ১৯৮ কোটি ৭ লাখ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে মূসক থেকে ৭৬ হাজার ৪০১ কোটি ৪৬ লাখ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬০ হাজার ৪৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে আছে। ৮ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ১৫ কোটি টাকা।

এনবিআরের তথ্যমতে, গত ২০২১-২২ করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৫৬ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা, যা চলতি করবর্ষের একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ১৯৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে আয়কর আহরণ বেড়েছে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত করবর্ষের ৮ মাসে এ খাত থেকে রাজস্ব আয় ছিল ৫৬ হাজার ৮৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৪৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুল্ক ও আয়করের তুলনায় মূসক রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি। এক্ষেত্রে ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এসেছে। গত করবর্ষের ৮ মাসে মূসক রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৬ হাজার ৩৯৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এবার সেটা বেড়ে হয়েছে ৭৬ হাজার ৪০১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, চলতি করবর্ষে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে নাসিবের কেন্দ্রীয় নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

৮ মাসে রাজস্ব আয় ১ লাখ ৯৬ হাজার কোটি টাকা | প্রবৃদ্ধি ৮.৯২ শতাংশ

আপডেট সময় ০৪:২৪:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ মার্চ ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : চলতি ২০২২-২৩ করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়কর, স্থানীয় পর্যায়ের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক মিলে মোট রাজস্ব আয় করেছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৩৭ কোটি ৫১ লাখ টাকা, যা বিগত করবর্ষের একই সময়ের তুলনায় ৮ দশমিক ৯২ শতাংশ বেশি। গত করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ৭৯ হাজার ৯৮৪ কোটি টাকা।

এনবিআর সূত্র জানায়, খাতভিত্তিক রাজস্ব আয়ের হিসাব হলো-৮ মাসে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক খাত থেকে আয় হয়েছে ৫৯ হাজার ১৯৮ কোটি ৭ লাখ টাকা, স্থানীয় পর্যায়ে মূসক থেকে ৭৬ হাজার ৪০১ কোটি ৪৬ লাখ এবং আয়কর ও ভ্রমণ কর খাতে ৬০ হাজার ৪৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। তবে এ সময়ে লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় রাজস্ব আয় কিছুটা পিছিয়ে আছে। ৮ মাসে রাজস্ব আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ লাখ ১৯ হাজার ১৫ কোটি টাকা।

এনবিআরের তথ্যমতে, গত ২০২১-২২ করবর্ষের প্রথম ৮ মাসে আমদানি-রপ্তানি শুল্ক থেকে রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৫৬ হাজার ৭২৬ কোটি টাকা, যা চলতি করবর্ষের একই সময়ে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৯ হাজার ১৯৮ কোটি ৭ লাখ টাকা। এক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।

আলোচ্য সময়ে আয়কর আহরণ বেড়েছে ৬ দশমিক ২৯ শতাংশ। গত করবর্ষের ৮ মাসে এ খাত থেকে রাজস্ব আয় ছিল ৫৬ হাজার ৮৬১ কোটি ৫৬ লাখ টাকা, এবার তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৪৩৭ কোটি ৯৮ লাখ টাকা। শুল্ক ও আয়করের তুলনায় মূসক রাজস্ব আয়ের ক্ষেত্রে উচ্চ প্রবৃদ্ধি অনেক বেশি। এক্ষেত্রে ১৫ দশমিক ০৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি এসেছে। গত করবর্ষের ৮ মাসে মূসক রাজস্ব আয়ের পরিমাণ ছিল ৬৬ হাজার ৩৯৬ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। এবার সেটা বেড়ে হয়েছে ৭৬ হাজার ৪০১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।

উল্লেখ্য, চলতি করবর্ষে এনবিআরের রাজস্ব আয়ের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা।