ঢাকা ০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট!

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সালেমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারিদের সাথে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। ১২ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিষ্ঠানটির সব শিক্ষক-কর্মচারি ও এলাকাবাসী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার সালেমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন নিয়োগের পর থেকেই নানা অনিয়ম করে আসছেন। তিনি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) সহ-সভাপতি হওয়ায় দাপট দেখিয়ে অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারিদের সাথে প্রায়ই অসদাচরণ করেন। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ২০১৫ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রায় ৫৮ লাখ ১৪ হাজার ১২ টাকা ১ পয়সা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

বক্তারা আরও বলেন, চলতি বছরের ৯ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরদিন ১০ এপ্রিল থেকে প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনকে ২০ দিনের বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা স্বাক্ষরিত পত্রে একইসাথে তাকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে অর্থ তছরুপের ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় পুনরায় তাকে বিদ্যালয়ে যোগদান করানো হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারি স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান সামাদ, সিনিয়র শিক্ষক মতিউর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, আতাউল গনি ওসমানি, লুৎফর রহমান, সহকারী শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার পপি, ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অসুস্থ মানুষ, আমার অনুপস্থিতিতে মানববন্ধনের বিষয়টি দুঃখজনক।’ অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা বলেন, ‘মানববন্ধনের বিষয়টি আমি জানি না। তবে ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিলো, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে তাকে স্বপদে বহাল করা হয়।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী

সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৬:১১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অগাস্ট ২০২১
সরিষাবাড়ীতে প্রধান শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে শিক্ষকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সালেমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনের অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে শিক্ষক-কর্মচারিদের সাথে অসদাচরণ, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিদ্যালয়ের প্রায় অর্ধ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। ১২ আগস্ট সকাল ১১টার দিকে বিদ্যালয়ের সামনে প্রতিষ্ঠানটির সব শিক্ষক-কর্মচারি ও এলাকাবাসী এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।

মানববন্ধনে বক্তারা অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী পৌর এলাকার সালেমা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন নিয়োগের পর থেকেই নানা অনিয়ম করে আসছেন। তিনি উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির (দুপ্রক) সহ-সভাপতি হওয়ায় দাপট দেখিয়ে অন্যান্য শিক্ষক-কর্মচারিদের সাথে প্রায়ই অসদাচরণ করেন। বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অডিট কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ২০১৫ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে প্রায় ৫৮ লাখ ১৪ হাজার ১২ টাকা ১ পয়সা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া যায়।

বক্তারা আরও বলেন, চলতি বছরের ৯ এপ্রিল বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক পরদিন ১০ এপ্রিল থেকে প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীনকে ২০ দিনের বাধ্যতামূলক ছুটি দেওয়া হয়। বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা স্বাক্ষরিত পত্রে একইসাথে তাকে ৩০ এপ্রিলের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে অর্থ তছরুপের ব্যাখ্যা চেয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া। পরবর্তীতে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যস্থতায় পুনরায় তাকে বিদ্যালয়ে যোগদান করানো হয়। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত প্রধান শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ২৯ জন শিক্ষক-কর্মচারি স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আসাদুজ্জামান সামাদ, সিনিয়র শিক্ষক মতিউর রহমান, সহকারী শিক্ষক মোস্তাফিজুর রহমান, আতাউল গনি ওসমানি, লুৎফর রহমান, সহকারী শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার পপি, ট্রেড ইন্সট্রাক্টর হারুন অর রশিদ প্রমুখ।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষিকা ওয়াজেদা পারভীন তার বিরুদ্ধে সব অভিযোগ অস্বীকার করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি অসুস্থ মানুষ, আমার অনুপস্থিতিতে মানববন্ধনের বিষয়টি দুঃখজনক।’ অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন বলেও তিনি দাবি করেন।

বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান শাহজাদা বলেন, ‘মানববন্ধনের বিষয়টি আমি জানি না। তবে ইতোপূর্বে তার বিরুদ্ধে কিছু অনিয়মের অভিযোগ উঠেছিলো, স্থানীয় বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সমন্বয়ে তাকে স্বপদে বহাল করা হয়।’