ঢাকা ০২:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

বকশীগঞ্জে ৩৩৩-এ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার

৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের জরুরী সেবা নম্বর ৩৩৩-এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ৮২৫ পরিবার। করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া, অভাবগ্রস্ত পরিবার, দুঃস্থ, প্রতিবন্ধী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা চাইলে আরও ৫৭৫টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা শুরু হলে নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে যারা দিন এনে দিন খায় সেসব পরিবার চরম বিপাকে পড়েন। এসব পরিবারের আয় রোজগার না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করেন। গত এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হলে শ্রমজীবী মানুষ আরও বেকায়দায় পড়ে যান। লকডাউনের কারণে অনেকেই শ্রম বিক্রি করতে না পারায় তারা খাদ্য সংকটে পড়েন। এমতাবস্থায় নিম্নআয়ের এসব মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিনানিপাত করেন। অনেকেই পুঁজি ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি জানালে বকশীগঞ্জ উপজেলার অনেক পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে।

করোনার দ্বিতীয় দফায় কর্মহীন ও রোজগারহীন হয়ে পড়া অনেকেই ৩৩৩ হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা প্রত্যেকটি পরিবারের চাহিদা যাচাই করে প্রত্যেকের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮২৫টি পরিবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন। এদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। এছাড়াও যেসব পরিবার খাদ্য চেয়ে মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠিয়েছেন তাদেরকেও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৫৭৫ জন খুদে বার্তা পাঠিয়ে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেছেন। করোনায় খাদ্য সংকটে পড়া এক হাজার ৪০০ পরিবারকে এখন পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এদেরকে প্রক্যেককে ১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলু বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, যারা ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন তাদেরকে যাচাই করে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩৩৩ ফোন দেওয়ায় ৮২৫টি পরিবার ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে ৫৭৫টি পরিবার খাদ্য নিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

বকশীগঞ্জে ৩৩৩-এ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার

আপডেট সময় ০১:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের জরুরী সেবা নম্বর ৩৩৩-এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ৮২৫ পরিবার। করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া, অভাবগ্রস্ত পরিবার, দুঃস্থ, প্রতিবন্ধী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা চাইলে আরও ৫৭৫টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা শুরু হলে নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে যারা দিন এনে দিন খায় সেসব পরিবার চরম বিপাকে পড়েন। এসব পরিবারের আয় রোজগার না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করেন। গত এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হলে শ্রমজীবী মানুষ আরও বেকায়দায় পড়ে যান। লকডাউনের কারণে অনেকেই শ্রম বিক্রি করতে না পারায় তারা খাদ্য সংকটে পড়েন। এমতাবস্থায় নিম্নআয়ের এসব মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিনানিপাত করেন। অনেকেই পুঁজি ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি জানালে বকশীগঞ্জ উপজেলার অনেক পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে।

করোনার দ্বিতীয় দফায় কর্মহীন ও রোজগারহীন হয়ে পড়া অনেকেই ৩৩৩ হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা প্রত্যেকটি পরিবারের চাহিদা যাচাই করে প্রত্যেকের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮২৫টি পরিবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন। এদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। এছাড়াও যেসব পরিবার খাদ্য চেয়ে মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠিয়েছেন তাদেরকেও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৫৭৫ জন খুদে বার্তা পাঠিয়ে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেছেন। করোনায় খাদ্য সংকটে পড়া এক হাজার ৪০০ পরিবারকে এখন পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এদেরকে প্রক্যেককে ১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলু বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, যারা ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন তাদেরকে যাচাই করে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩৩৩ ফোন দেওয়ায় ৮২৫টি পরিবার ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে ৫৭৫টি পরিবার খাদ্য নিয়েছেন।