ঢাকা ০৮:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ অগাস্ট ২০২৬, ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও প্রেরণা বিএনপিকে পথ দেখায়: মির্জা ফখরুল শিক্ষকদের অবসর সুবিধার টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না : প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার জন্মদিন : জামালপুর জেলা বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিনে ইসলামপুরে বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বকশীগঞ্জে ৩৩৩-এ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার

৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের জরুরী সেবা নম্বর ৩৩৩-এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ৮২৫ পরিবার। করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া, অভাবগ্রস্ত পরিবার, দুঃস্থ, প্রতিবন্ধী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা চাইলে আরও ৫৭৫টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা শুরু হলে নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে যারা দিন এনে দিন খায় সেসব পরিবার চরম বিপাকে পড়েন। এসব পরিবারের আয় রোজগার না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করেন। গত এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হলে শ্রমজীবী মানুষ আরও বেকায়দায় পড়ে যান। লকডাউনের কারণে অনেকেই শ্রম বিক্রি করতে না পারায় তারা খাদ্য সংকটে পড়েন। এমতাবস্থায় নিম্নআয়ের এসব মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিনানিপাত করেন। অনেকেই পুঁজি ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি জানালে বকশীগঞ্জ উপজেলার অনেক পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে।

করোনার দ্বিতীয় দফায় কর্মহীন ও রোজগারহীন হয়ে পড়া অনেকেই ৩৩৩ হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা প্রত্যেকটি পরিবারের চাহিদা যাচাই করে প্রত্যেকের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮২৫টি পরিবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন। এদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। এছাড়াও যেসব পরিবার খাদ্য চেয়ে মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠিয়েছেন তাদেরকেও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৫৭৫ জন খুদে বার্তা পাঠিয়ে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেছেন। করোনায় খাদ্য সংকটে পড়া এক হাজার ৪০০ পরিবারকে এখন পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এদেরকে প্রক্যেককে ১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলু বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, যারা ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন তাদেরকে যাচাই করে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩৩৩ ফোন দেওয়ায় ৮২৫টি পরিবার ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে ৫৭৫টি পরিবার খাদ্য নিয়েছেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

বকশীগঞ্জে ৩৩৩-এ ফোন ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ১৪০০ পরিবার

আপডেট সময় ০১:৫৩:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ অগাস্ট ২০২১
৩৩৩-এ ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা পান এক রিকশাচালক। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় সরকারের জরুরী সেবা নম্বর ৩৩৩-এ ফোন করে খাদ্য সহায়তা পেয়েছেন ৮২৫ পরিবার। করোনার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া, অভাবগ্রস্ত পরিবার, দুঃস্থ, প্রতিবন্ধী পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেন উপজেলা প্রশাসন।

এছাড়াও খুদে বার্তা পাঠিয়ে খাদ্য সহায়তা চাইলে আরও ৫৭৫টি পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় দফা শুরু হলে নিম্নআয়ের মানুষ বিপাকে পড়েন। বিশেষ করে যারা দিন এনে দিন খায় সেসব পরিবার চরম বিপাকে পড়েন। এসব পরিবারের আয় রোজগার না থাকায় মানবেতর জীবন যাপন করেন। গত এপ্রিল থেকে সারাদেশে লকডাউন শুরু হলে শ্রমজীবী মানুষ আরও বেকায়দায় পড়ে যান। লকডাউনের কারণে অনেকেই শ্রম বিক্রি করতে না পারায় তারা খাদ্য সংকটে পড়েন। এমতাবস্থায় নিম্নআয়ের এসব মানুষ চরম উৎকণ্ঠায় দিনানিপাত করেন। অনেকেই পুঁজি ভেঙে সংসার চালাচ্ছেন। এরই মধ্যে ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ৩৩৩ নম্বরে ফোন করে খাদ্য সহায়তা চাওয়ার বিষয়টি জানালে বকশীগঞ্জ উপজেলার অনেক পরিবারের মধ্যে স্বস্তি ফিরে।

করোনার দ্বিতীয় দফায় কর্মহীন ও রোজগারহীন হয়ে পড়া অনেকেই ৩৩৩ হটলাইন নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চান।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা ৩৩৩ নম্বরে ফোন করা প্রত্যেকটি পরিবারের চাহিদা যাচাই করে প্রত্যেকের বাড়িতে খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দিয়েছেন।

এ পর্যন্ত বকশীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৮২৫টি পরিবার ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন। এদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে খাদ্য সহায়তা প্রদান করেন ইউএনও মুন মুন জাহান লিজা। এছাড়াও যেসব পরিবার খাদ্য চেয়ে মোবাইলে খুদে বার্তা পাঠিয়েছেন তাদেরকেও খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এ পর্যন্ত ৫৭৫ জন খুদে বার্তা পাঠিয়ে উপজেলা প্রশাসনের খাদ্য সহায়তা গ্রহণ করেছেন। করোনায় খাদ্য সংকটে পড়া এক হাজার ৪০০ পরিবারকে এখন পর্যন্ত খাদ্য সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এদেরকে প্রক্যেককে ১০ কেজি চাল, ডাল, তেল, লবণ ও আলু বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুন মুন জাহান লিজা জানান, যারা ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়ে খাদ্য সহায়তা চেয়েছেন তাদেরকে যাচাই করে সরকারের দেওয়া খাদ্য সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। ৩৩৩ ফোন দেওয়ায় ৮২৫টি পরিবার ও খুদে বার্তা পাঠিয়ে ৫৭৫টি পরিবার খাদ্য নিয়েছেন।