ঢাকা ০৯:১০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মাদারগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম বাসরকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম বাসরকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আলী আকবর, নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে বাসর আর নেই। ২২ জুন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়ি মাদারগঞ্জের সুখনগরী গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

২২ জুন বিকেলে নিজ বাড়িতে নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে নানা রোগে ভুগছিলেন।

আর্থিক সঙ্কটের কারণে এই মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসা করাতে পারছেন না, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিসহ এমন মানবিক লেখা পড়ে তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি। তাঁর মৃত্যুতে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

মুক্তিযোদ্ধার একমাত্র ছেলে সুজন বলেন, অনেক ব্যস্ততার মাঝেও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম আমার বাবার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রেখেছেন। এতে আমার বাবার চিকিৎসার কোন ঘাটতি হয় নাই। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের প্রতি আমাদের পরিবারের সবার পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

আপলোডকারীর তথ্য

মাদারগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা সিরাজুলকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত

আপডেট সময় ১১:৩৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২০
বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম বাসরকে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

আলী আকবর, নিজস্ব প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজুল ইসলাম ওরফে বাসর আর নেই। ২২ জুন সকাল ৮টা ২০ মিনিটে নিজ বাড়ি মাদারগঞ্জের সুখনগরী গ্রামে মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

২২ জুন বিকেলে নিজ বাড়িতে নামাজে জানাযা শেষে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়। তার বয়স হয়েছিল ৭০ বছর। দীর্ঘ দিন ধরে তিনি বার্ধক্যজনিত কারণে নানা রোগে ভুগছিলেন।

আর্থিক সঙ্কটের কারণে এই মুক্তিযোদ্ধা চিকিৎসা করাতে পারছেন না, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছবিসহ এমন মানবিক লেখা পড়ে তার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম এমপি। তাঁর মৃত্যুতে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম।

মুক্তিযোদ্ধার একমাত্র ছেলে সুজন বলেন, অনেক ব্যস্ততার মাঝেও সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম আমার বাবার চিকিৎসার দায়িত্ব নেন এবং সার্বক্ষণিক খোঁজখবর রেখেছেন। এতে আমার বাবার চিকিৎসার কোন ঘাটতি হয় নাই। সাবেক প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজমের প্রতি আমাদের পরিবারের সবার পক্ষ থেকে আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।