ঢাকা ০৩:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বকশীগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে প্রশাসনের ঘুম হারাম

বকশীগঞ্জে প্রশাসনের তৎপরতার কারণে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তাগুলো এভাবেই ফাঁকা হয়ে যায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জে প্রশাসনের তৎপরতার কারণে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তাগুলো এভাবেই ফাঁকা হয়ে যায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারা দেশের ন্যায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পুলিশ প্রশাসনের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারীরা।

সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সকল প্রকার দোকানপাট, যানচলাচল বন্ধ ঘোষণা করলে মানুুষকে সচেতন করে তুলতে মাঠে নামেন প্রশাসন।

২৬ মার্চ সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাস, বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও বকশীগঞ্জ থানার সকল কর্মকর্তা বিভিন্ন এলাকার বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনা করে কর্মকর্তারা সকল প্রকার দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। বকশীগঞ্জ পৌর শহরের সব রাস্তাগুলো ছিল প্রায় ফাঁকা। শুধুমাত্র নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া শহরেও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার জানান, আমরা রাস্তায় নেমেছি মানুষকে ঘরে নিরাপদ রাখার জন্য। মানুষ অহেতুক বাইরে থাকলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে। তাই আমরা ক্লান্তহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বকশীগঞ্জে করোনাভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে প্রশাসনের ঘুম হারাম

আপডেট সময় ০২:২৬:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২০
বকশীগঞ্জে প্রশাসনের তৎপরতার কারণে সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় রাস্তাগুলো এভাবেই ফাঁকা হয়ে যায়। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠিডটকম

নভেল করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে সারা দেশের ন্যায় জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলাতেও সচেতনতা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে প্রশাসন।

করোনাভাইরাস প্রতিরোধ নিয়ে উপজেলা প্রশাসন, উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ এবং পুলিশ প্রশাসনের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন প্রশাসনের কর্মকর্তা থেকে শুরু করে কর্মচারীরা।

সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সকল প্রকার দোকানপাট, যানচলাচল বন্ধ ঘোষণা করলে মানুুষকে সচেতন করে তুলতে মাঠে নামেন প্রশাসন।

২৬ মার্চ সকাল থেকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) স্নিগ্ধা দাস, বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম ও বকশীগঞ্জ থানার সকল কর্মকর্তা বিভিন্ন এলাকার বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনা করে কর্মকর্তারা সকল প্রকার দোকানপাট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেন। বকশীগঞ্জ পৌর শহরের সব রাস্তাগুলো ছিল প্রায় ফাঁকা। শুধুমাত্র নিত্যপণ্যের দোকান ছাড়া শহরেও বন্ধ করে দেওয়া হয়।

বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আ. স. ম. জামশেদ খোন্দকার জানান, আমরা রাস্তায় নেমেছি মানুষকে ঘরে নিরাপদ রাখার জন্য। মানুষ অহেতুক বাইরে থাকলে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাবে। তাই আমরা ক্লান্তহীনভাবে কাজ করে যাচ্ছি।