ঢাকা ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী দেশের জ্বালানি পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে : ইকবাল হাসান মাহমুদ অনিরাপদ খাদ্যের স্বাস্থ্য ঝুঁকি প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত বিজিবির অভিযানে ভারতীয় কসমেটিক পণ্য উদ্ধার ইসলামপুরে বৃদ্ধ দম্পত্তি চায় নিরাপদ ঘর, দুমুঠো খাবারের নিশ্চয়তা ইসলামপুরে পৃথক স্থানে বজ্রপাতে দু’জনের মৃত্যু হিউম্যান রাইটস ভয়েস বাংলাদেশের বকশীগঞ্জ শাখার সাধারণ সম্পাদক হলেন সাঈদ ঝর্নায় জ্বালানি তেল না আসায় ভোগান্তিতে ইসলামপুরবাসী আওনা ইউপি চেয়ারম্যান মেম্বারদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত সৌদি আরবে বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু, মদিনায় দাফন

শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতে শেষ বিশ্ব ইজতেমা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১৯ জানুয়ারি শেষ হলো তাবলিগ জামাত আয়োজিত ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই আখেরি মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা মুসিবত থেকে হেফাজত ও মুসলীম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।

দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মুলিম সমাবেশে ভারতের দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাজের শূরা সদস্য মাওলানা জামশেদ বেলা ১১টা ৫০মিনিট থেকে ১২টা ৭মিনিট পর্যন্ত মোট ১৭ মিনিট মোনাজাত পরিচালনা করেন। মাওলানা জামশেদ সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর গুনা মাফ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ১৯ জানুয়ারি সকাল থেকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মুসল্লী ইজতেমা ময়দানের দিকে ছুটে এসেছেন। সকালে মুসল্লিদের আগমন বাড়তে থাকে।

ইজতেমা ময়দানের আশপাশ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ ও আব্দুল্লাহপুর- আশুলিয়া সড়কে মুসল্লিদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেছেন। বিশ্বের অনেক দেশ থেকেই এসেছেন বিদেশি মেহমান। ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে এসেছেন ৩২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল।

ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের মুসল্লিদের সুবিধার্থে ১৬টি বিশেষ ট্রেন চলাচল করছে। এছাড়া সব আন্তঃনগর ট্রেন টঙ্গীতে যাত্রা বিরতি করে। বিআরটিসি’র শতাধিক বিশেষ বাস সার্ভিস চালু রয়েছে। মোনাজাত উপলক্ষে টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাঁচ স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখা হয় বলে জানিয়েছে জেলা ও মহানগর পুলিশ।
এ বছর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয় ১০ জানুয়ারি। ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে মাওলানা জুবায়ের অনুসারিদের প্রথম পর্ব শেষ হয়।

প্রথম পর্বে ৬৪টি জেলার মুসল্লিরা অংশ নেন। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমাতেও দিল্লির মাওলানা সা’দ অনুসারী ৬৪ জেলার মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

বিশ্ব ইজতেমায় গিয়ে ১৮ জানুয়ারি দিবাগত রাতে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এবারের দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় অংশ নিতে গিয়ে ১০ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। টঙ্গী হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, বার্ধক্যজনিত কারণে ও দুর্ঘটনায় তারা মারা যান।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে মানুষের শান্তিপূর্ণ বসবাস নিশ্চিত করতে চায় সরকার: প্রধানমন্ত্রী

শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় আখেরি মোনাজাতে শেষ বিশ্ব ইজতেমা

আপডেট সময় ০৭:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে ১৯ জানুয়ারি শেষ হলো তাবলিগ জামাত আয়োজিত ৫৫তম বিশ্ব ইজতেমা। বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ এই আখেরি মোনাজাতে আত্মশুদ্ধি ও গুনাহ মাফের পাশাপাশি দুনিয়ার সব বালা মুসিবত থেকে হেফাজত ও মুসলীম উম্মাহর ঐক্য, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়।

দ্বিতীয় বৃহত্তম এই মুলিম সমাবেশে ভারতের দিল্লির নিজামউদ্দিন মারকাজের শূরা সদস্য মাওলানা জামশেদ বেলা ১১টা ৫০মিনিট থেকে ১২টা ৭মিনিট পর্যন্ত মোট ১৭ মিনিট মোনাজাত পরিচালনা করেন। মাওলানা জামশেদ সমগ্র বিশ্বের মুসলিম উম্মাহর গুনা মাফ করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানান।

দ্বিতীয় পর্বের আখেরি মোনাজাতে অংশ নিতে ১৯ জানুয়ারি সকাল থেকে ঢাকা ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজার হাজার মুসল্লী ইজতেমা ময়দানের দিকে ছুটে এসেছেন। সকালে মুসল্লিদের আগমন বাড়তে থাকে।

ইজতেমা ময়দানের আশপাশ এবং ঢাকা-ময়মনসিংহ ও আব্দুল্লাহপুর- আশুলিয়া সড়কে মুসল্লিদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে।

বিশ্ব ইজতেমার দ্বিতীয় পর্বে মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীরা অংশগ্রহণ করেছেন। বিশ্বের অনেক দেশ থেকেই এসেছেন বিদেশি মেহমান। ভারতের নিজামুদ্দিন মারকাজ থেকে এসেছেন ৩২ সদস্যের এক প্রতিনিধি দল।

ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের মুসল্লিদের সুবিধার্থে ১৬টি বিশেষ ট্রেন চলাচল করছে। এছাড়া সব আন্তঃনগর ট্রেন টঙ্গীতে যাত্রা বিরতি করে। বিআরটিসি’র শতাধিক বিশেষ বাস সার্ভিস চালু রয়েছে। মোনাজাত উপলক্ষে টঙ্গী ও আশপাশ এলাকায় বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

আখেরি মোনাজাত উপলক্ষে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে নেয়া হয় ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। পাঁচ স্তরে নিরাপত্তা ব্যবস্থার পাশাপাশি অতিরিক্ত আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রাখা হয় বলে জানিয়েছে জেলা ও মহানগর পুলিশ।
এ বছর বিশ্ব ইজতেমার প্রথম পর্ব শুরু হয় ১০ জানুয়ারি। ১২ জানুয়ারি আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে মাওলানা জুবায়ের অনুসারিদের প্রথম পর্ব শেষ হয়।

প্রথম পর্বে ৬৪টি জেলার মুসল্লিরা অংশ নেন। দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমাতেও দিল্লির মাওলানা সা’দ অনুসারী ৬৪ জেলার মুসল্লিরা অংশগ্রহণ করেছেন।

বিশ্ব ইজতেমায় গিয়ে ১৮ জানুয়ারি দিবাগত রাতে আরও দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে এবারের দ্বিতীয় পর্বের ইজতেমায় অংশ নিতে গিয়ে ১০ জন মুসল্লির মৃত্যু হয়েছে। টঙ্গী হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে, বার্ধক্যজনিত কারণে ও দুর্ঘটনায় তারা মারা যান।সূত্র:বাসস।