ঢাকা ০৮:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন জামালপুরে জরুরি হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু মাদারগঞ্জে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের রুগ্নদশার অবসান চাই কাল পিতৃভূমি বগুড়ায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে আইএমএফ-এর শর্তের সম্পর্ক নেই : অর্থমন্ত্রী

মাদারগঞ্জে ভন্ডপীর কারাগারে, কথিত মাজার উচ্ছেদ

মাদারগঞ্জে ভন্ডপীরের কথিত মাজারটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

মাদারগঞ্জে ভন্ডপীরের কথিত মাজারটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ আলী (৪০) নামের নামের একজন ভন্ডপীরের কথিত মাজারসহ পুরো আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন নির্বাহী হাকিম ও মাদারগঞ্জের ইউএনও মো. আমিনুল ইসলাম। ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে মাদারগঞ্জ পৌরসভার চাঁদপুর গ্রামে তিনি এ অভিযান চালান। আটক ভন্ডপীরকে একমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে ৩০ এপ্রিল তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, মাদারগঞ্জ পৌরসভার চাঁদপুর এলাকার মৃত মো. সোজা পাগলার ছেলে মোহাম্মদ আলী গত পহেলা বৈশাখ থেকে তার বাবার কবরের ওপর ইট-সিমেন্টের গাঁথুনির ওপর কাঠের মাচা তৈরি করেন। ওই মাচাসহ পুরো কবরটি লালসালু কাপড় দিয়ে ঢেকে এবং ওপরে সামিয়ানা ও নিশান টানিয়ে সেটাকে মাজার বলে এলাকায় প্রচারণা চালান। একই সাথে নিজেকে ওই মাজারের স্বঘোষিত পীর হিসেবে পরিচয় দেন। ক্রমেই সেখানে তার ভক্ত ও অনুসারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে মোহাম্মদ আলী ও তার কথিত মাজারটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে সতর্কও করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও সেখানে মাজারের নামে প্রতারণামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকে। এক পর্যায়ে মাদারগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে মাদারগঞ্জ থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে ভন্ডপীরের সেই কথিত মাজারে অভিযান চালান। এ সময় পন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে আটক এবং তার তৈরি কথিত মাজারসহ পুরো আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

৩০ এপ্রিল সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জনউপদ্রব আইনের ২৯১ ধারায় ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন ইউএনও। গতকালই তাকে জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ১ মে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘চাঁদপুর গ্রামে ভন্ডপীরের প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি কথিত মাজারকে পুঁজি করে লোকজনদের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। জনউপদ্রব আইনে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল

মাদারগঞ্জে ভন্ডপীর কারাগারে, কথিত মাজার উচ্ছেদ

আপডেট সময় ০৭:৩১:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ মে ২০১৯
মাদারগঞ্জে ভন্ডপীরের কথিত মাজারটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে উপজেলা প্রশাসন। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় মোহাম্মদ আলী (৪০) নামের নামের একজন ভন্ডপীরের কথিত মাজারসহ পুরো আস্তানা গুঁড়িয়ে দিয়েছেন নির্বাহী হাকিম ও মাদারগঞ্জের ইউএনও মো. আমিনুল ইসলাম। ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে মাদারগঞ্জ পৌরসভার চাঁদপুর গ্রামে তিনি এ অভিযান চালান। আটক ভন্ডপীরকে একমাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে ৩০ এপ্রিল তাকে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, মাদারগঞ্জ পৌরসভার চাঁদপুর এলাকার মৃত মো. সোজা পাগলার ছেলে মোহাম্মদ আলী গত পহেলা বৈশাখ থেকে তার বাবার কবরের ওপর ইট-সিমেন্টের গাঁথুনির ওপর কাঠের মাচা তৈরি করেন। ওই মাচাসহ পুরো কবরটি লালসালু কাপড় দিয়ে ঢেকে এবং ওপরে সামিয়ানা ও নিশান টানিয়ে সেটাকে মাজার বলে এলাকায় প্রচারণা চালান। একই সাথে নিজেকে ওই মাজারের স্বঘোষিত পীর হিসেবে পরিচয় দেন। ক্রমেই সেখানে তার ভক্ত ও অনুসারীদের সংখ্যা বাড়তে থাকলে মোহাম্মদ আলী ও তার কথিত মাজারটি নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহ হয়।

এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে সতর্কও করা হয়েছিল। কিন্তু তাতেও সেখানে মাজারের নামে প্রতারণামূলক কর্মকান্ড অব্যাহত থাকে। এক পর্যায়ে মাদারগঞ্জের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ২৯ এপ্রিল গভীর রাতে মাদারগঞ্জ থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে ভন্ডপীরের সেই কথিত মাজারে অভিযান চালান। এ সময় পন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে আটক এবং তার তৈরি কথিত মাজারসহ পুরো আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।

৩০ এপ্রিল সকালে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে জনউপদ্রব আইনের ২৯১ ধারায় ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেন ইউএনও। গতকালই তাকে জামালপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মাদারগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আমিনুল ইসলাম ১ মে বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ‘চাঁদপুর গ্রামে ভন্ডপীরের প্রতারণার বিষয়টি জানতে পেরে ভন্ডপীর মোহাম্মদ আলীকে সতর্ক করা হয়েছিল। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি কথিত মাজারকে পুঁজি করে লোকজনদের সাথে প্রতারণা করে আসছিলেন। জনউপদ্রব আইনে তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড দিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।’