ঢাকা ০৭:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

পৌরকর বকেয়ার কারণে সরিষাবাড়ীতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে উপজেলার টিভি-ক্যাবল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন পৌরসভার শিমলা বাসস্ট্যান্ড ক্যাবল নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণকক্ষ তালা দিয়ে দেন বলে ক্যাবল মালিকরা জানান।

এ সময় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার ক্যাবল নেটওয়ার্ক গ্রাহকরা সেবা বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাবল নেটওয়ার্ক মালিক অ্যাসোসিয়েশনের জামালপুর জেলার সমন্বয়ক আব্দুল হক তরফদার অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী ক্যাবল মালিকরা সকলেই বিটিভি লাইসেন্স, পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সসহ নিয়মিত পৌর ট্যাক্স ও ভ্যাট পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। পৌরসভার মেয়র রুকনুজ্জামান রোকন উপজেলার সব ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা করে অতিরিক্ত কর দাবি করেছেন। সে টাকা না দেওয়ায় মেয়র ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে শিমলা বাসস্ট্যান্ড শাহারিয়া মার্কেটের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এসে তালা ঝুলিয়ে দেন। নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের মালামাল মেয়র জব্দ করে তাঁর কার্যালয়ে নিয়ে যান বলে নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মচারী একরামুল আজাদ শ্রাবণ জানান।

ভাটারা ইউনিয়নের ক্যাবল মালিক কাঞ্চন মিয়া জানান, উপজেলার ১০ জন ক্যাবল মালিক রয়েছেন। পৌরসভার মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে কর দাবির কারণে নিয়ন্ত্রণকক্ষ বন্ধ করে দেওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে পুরো উপজেলার।

এ ব্যাপারে মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, সরকারি গেজেট অনুযায়ী ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা হারে  পৌরকর দেওয়ার কথা। তা না করায় পাঁচ বছরের ক্যাবল মালিকদের কাছে পৌরসভায় ১৫ হাজার গ্রাহক বাবদ ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে। এ ব্যাপারে ৪টি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। টাকা পরিশোধ না করায় ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্পভাবে ক্যাবল সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

পৌরকর বকেয়ার কারণে সরিষাবাড়ীতে ক্যাবল নেটওয়ার্ক বন্ধ

আপডেট সময় ০৯:১৬:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

মমিনুল ইসলাম কিসমত, সরিষাবাড়ী (জামালপুর) প্রতিনিধি
বাংলারচিঠি ডটকম

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া দাবি করে উপজেলার টিভি-ক্যাবল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ। ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুরে পৌরসভার মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন পৌরসভার শিমলা বাসস্ট্যান্ড ক্যাবল নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রণকক্ষ তালা দিয়ে দেন বলে ক্যাবল মালিকরা জানান।

এ সময় নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের যন্ত্রপাতি জব্দ করে পৌরসভায় নিয়ে যাওয়া হয়। এতে পৌরসভাসহ উপজেলার ৮টি ইউনিয়নে প্রায় ৫ হাজার ক্যাবল নেটওয়ার্ক গ্রাহকরা সেবা বঞ্চিত হয়ে পড়েছেন।

বাংলাদেশ ক্যাবল নেটওয়ার্ক মালিক অ্যাসোসিয়েশনের জামালপুর জেলার সমন্বয়ক আব্দুল হক তরফদার অভিযোগ করেন, সরিষাবাড়ী ক্যাবল মালিকরা সকলেই বিটিভি লাইসেন্স, পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্সসহ নিয়মিত পৌর ট্যাক্স ও ভ্যাট পরিশোধ করে ব্যবসা পরিচালনা করছি। পৌরসভার মেয়র রুকনুজ্জামান রোকন উপজেলার সব ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা করে অতিরিক্ত কর দাবি করেছেন। সে টাকা না দেওয়ায় মেয়র ৩ ফেব্রুয়ারি দুপুর দেড়টার দিকে শিমলা বাসস্ট্যান্ড শাহারিয়া মার্কেটের নিয়ন্ত্রণকক্ষে এসে তালা ঝুলিয়ে দেন। নিয়ন্ত্রণকক্ষের মনিটরসহ সব ধরনের মালামাল মেয়র জব্দ করে তাঁর কার্যালয়ে নিয়ে যান বলে নিয়ন্ত্রণকক্ষের কর্মচারী একরামুল আজাদ শ্রাবণ জানান।

ভাটারা ইউনিয়নের ক্যাবল মালিক কাঞ্চন মিয়া জানান, উপজেলার ১০ জন ক্যাবল মালিক রয়েছেন। পৌরসভার মধ্যে গ্রাহকদের কাছ থেকে কর দাবির কারণে নিয়ন্ত্রণকক্ষ বন্ধ করে দেওয়ায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে পুরো উপজেলার।

এ ব্যাপারে মেয়র রুকুনুজ্জামান রোকন বাংলারচিঠি ডটকমকে বলেন, সরকারি গেজেট অনুযায়ী ক্যাবল গ্রাহকদের কাছ থেকে জনপ্রতি শতকরা ১০ টাকা হারে  পৌরকর দেওয়ার কথা। তা না করায় পাঁচ বছরের ক্যাবল মালিকদের কাছে পৌরসভায় ১৫ হাজার গ্রাহক বাবদ ১ কোটি ৬২ লাখ টাকা বকেয়া পড়েছে। এ ব্যাপারে ৪টি নোটিশ দেওয়া হয়েছে। টাকা পরিশোধ না করায় ক্যাবল সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। প্রয়োজনে বিকল্পভাবে ক্যাবল সংযোগের ব্যবস্থা করা হবে।