ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া জনগণের অর্থ বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না : প্রধানমন্ত্রী দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবি জানালো দেওয়ানগঞ্জবাসী পুড়িয়ে হত্যা : আসামির মৃত্যুদণ্ড, ধর্ষণ : আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড জামালপুরে বাল্যবিবাহ-শিশুশ্রম প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সঙ্গে এপির মতবিনিময় বীর মুক্তিযোদ্ধা বারী মণ্ডল আর নেই, তাঁর প্রতি রাষ্ট্রীয় সম্মান প্রদর্শন জামালপুরে অংশীজনদের সাথে সমঝোতা স্মারক ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ বিএনপিনেতা জিএস ফিরোজ মিয়ার গণসংযোগ, লিফলেট বিতরণ সংসদ সদস্য শামীম তালুকদারের রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল বকশীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু

সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা প্রদান

অনুষ্ঠানে সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

অনুষ্ঠানে সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

মুক্তিযুদ্ধে বিরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভালোবাসি জামালপুর। ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সংগঠনটির মুক্তির রং নামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। জামালপুর পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজীব কুমার সরকার। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম দুলাল, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও এনটিভির সাংবাদিক শফিক জামান প্রমুখ।

মুক্তির রং আয়োজনে সম্মাননা ছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনলাইন কুইজ বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলালের বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ গ্রামে। তার বাবার নাম সৈয়দ বদরুজ্জামান। মা সৈয়দা খোদেজা জামান। স্ত্রী সৈয়দা সাহানা জামান। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল ১৯৭১ সালে কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন তার বয়স ছিল ১৯ বছর। মা-বাবার অনুমতি নিয়েই তিনি মুক্তিযুদ্ধে যান। ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে ১১ নম্বর সেক্টরের মহেন্দ্রগঞ্জ সাব সেক্টরের একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কামালপুরসহ আরও কয়েক স্থানের যুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে অংশ নেন। তিনি ও তার দলের মুক্তিযোদ্ধারা যথেষ্ট সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন করেন। তার দলের বেশ কয়েকজন সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য খেতাব পান। মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য সৈয়দ সদরুজ্জামানকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আবৃত্তিতে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ জামালপুরের মারিয়া

সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা প্রদান

আপডেট সময় ০৮:১৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ডিসেম্বর ২০১৮
অনুষ্ঠানে সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা ক্রেস্ট দেওয়া হয়। ছবি : বাংলারচিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

মুক্তিযুদ্ধে বিরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল বীরপ্রতীককে সম্মাননা দিয়েছে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভালোবাসি জামালপুর। ১৫ ডিসেম্বর বিকেলে সংগঠনটির মুক্তির রং নামে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাকে এই সম্মাননা দেওয়া হয়। জামালপুর পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জামালপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রাজীব কুমার সরকার। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উদীচী কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আলী ইমাম দুলাল, দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন ও এনটিভির সাংবাদিক শফিক জামান প্রমুখ।

মুক্তির রং আয়োজনে সম্মাননা ছাড়াও মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আয়োজিত শিশু-কিশোর চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক অনলাইন কুইজ বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

প্রসঙ্গত, সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলালের বাড়ি জামালপুর জেলার মেলান্দহ উপজেলার দুরমুঠ গ্রামে। তার বাবার নাম সৈয়দ বদরুজ্জামান। মা সৈয়দা খোদেজা জামান। স্ত্রী সৈয়দা সাহানা জামান। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে রয়েছে। সৈয়দ সদরুজ্জামান হেলাল ১৯৭১ সালে কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন তার বয়স ছিল ১৯ বছর। মা-বাবার অনুমতি নিয়েই তিনি মুক্তিযুদ্ধে যান। ভারতে প্রশিক্ষণ শেষে ১১ নম্বর সেক্টরের মহেন্দ্রগঞ্জ সাব সেক্টরের একটি কোম্পানির অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কামালপুরসহ আরও কয়েক স্থানের যুদ্ধে সাহসিকতার সঙ্গে অংশ নেন। তিনি ও তার দলের মুক্তিযোদ্ধারা যথেষ্ট সাহস ও বীরত্ব প্রদর্শন করেন। তার দলের বেশ কয়েকজন সাহসিকতা প্রদর্শনের জন্য খেতাব পান। মুক্তিযুদ্ধে সাহস ও বীরত্বের জন্য সৈয়দ সদরুজ্জামানকে বীরপ্রতীক খেতাবে ভূষিত করা হয়।