ঢাকা ১০:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে তরুণদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের ভাতা আরও বাড়ানো হবে : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের সম্মাননা ও উন্নয়ন প্রকল্পের চেক বিতরণ ইসলামপুরে নৌকা বাইচের পর এক ব্যক্তির মৃত্যু সাংবাদিক আলিফ হত্যা : বকশীগঞ্জে প্রতিবাদ সভা, বিক্ষোভ মিছিল ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে অনিয়ম করলে কঠোর ব্যবস্থা : তথ্য প্রতিমন্ত্রী সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয় দায়িত্ব নেওয়ার এক সপ্তাহের মধ্যেই বিদায় নিতে হলো ট্রাম্পের নতুন প্রেস সচিবকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার উপযুক্ত পোপ লিও: চিকিৎসকরা

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

ঢাকা : জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ বিপর্যয়, শ্রীলঙ্কায় নেমে এসছে অন্ধকার। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ১৭ অক্টোবর, শনিবার শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ায় এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দেশটির গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে দেখা দেওয়া ত্রুটি সারাতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।

জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুনাথিলাকা বলেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর আশা করছে।

সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মালিকদের তাদের সিস্টেম বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও পুরো বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন রৌদ্রোজ্জ্বল রোববারে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তিন হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।

কর ছাড়ের সুবিধায় গ্রাহকেরা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা।

সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় চার হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে করে ২০২৪ সালের তুলনায় এ সক্ষমতা ৩৮৮ শতাংশ বাড়বে। সূত্র : বাসস

জনপ্রিয় সংবাদ

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার : রাষ্ট্রপতি

সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চাইতে বেশি হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় দেশজুড়ে বিদ্যুৎ বিপর্যয়

আপডেট সময় ০৮:৪৮:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় বিদ্যুৎ গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ১৭ অক্টোবর, শনিবার শ্রীলঙ্কাজুড়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন চাহিদার চেয়ে বেশি হওয়ায় এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা।

দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দেশটির গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ ছিল। কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক হবে, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো সময়সীমা জানানো হয়নি। কলম্বো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা ইলেকট্রিসিটি ডিস্ট্রিবিউশন লঙ্কা (ইডিএল) জানায়, পুরো গ্রিডে দেখা দেওয়া ত্রুটি সারাতে প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। অতিরিক্ত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের কারণে এ বিপর্যয় ঘটে থাকতে পারে বলে তাদের ধারণা।

জ্বালানিমন্ত্রী অনুরা করুনাথিলাকা বলেন, কর্তৃপক্ষ ধাপে ধাপে বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালুর আশা করছে।

সংক্ষিপ্ত এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরুদ্ধারের কাজে সহায়তা করতে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ছাদে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার মালিকদের তাদের সিস্টেম বিচ্ছিন্ন রাখার অনুরোধ জানাচ্ছি।’

এর আগে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারিতেও পুরো বিদ্যুৎ গ্রিড বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সেদিন রৌদ্রোজ্জ্বল রোববারে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন চাহিদা ছাড়িয়ে যাওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে ছয় ঘণ্টারও বেশি সময় লেগেছিল।

শ্রীলঙ্কায় বর্তমানে স্থাপিত সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা তিন হাজার মেগাওয়াটের কিছু বেশি। দিনের বেলায় দেশটিতে বিদ্যুতের চাহিদা থাকে দুই হাজার থেকে দুই হাজার ৫০০ মেগাওয়াট।

কর ছাড়ের সুবিধায় গ্রাহকেরা সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহারে উৎসাহিত হচ্ছেন। তারা নিজেদের চাহিদা মেটানোর পর উদ্বৃত্ত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করছেন। এতে বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থায় ভারসাম্যহীনতা তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থা।

সরকার আগামী তিন বছরের মধ্যে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা প্রায় চার হাজার ৪০০ মেগাওয়াটে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। এতে করে ২০২৪ সালের তুলনায় এ সক্ষমতা ৩৮৮ শতাংশ বাড়বে। সূত্র : বাসস