ঢাকা ০৮:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

জামালপুর : জেলা ও দায়রা জজ আলাদত। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে প্রাইভেট পড়তে যাবার সময় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে শামীম, শিপন ও জালাল নামের তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা পাবেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীম জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী শেখবাড়ি এলাকার সাদেক আলীর ছেলে এবং শিপন একই উপজেলার ভারুয়াখালি হরিপুর এলাকার খোশ মাহমুদের ছেলে। অপর আসামি প্রাইভেটকার চালক জালাল বাঁশচড়া ইউনিয়নের বীরজপুর এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় প্রতিদিনের মত প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। ভ্যানগাড়িযোগে প্রাইভেটে যাবার পথে একটি সাদা প্রাইভেট কার ভ্যানগাড়িটির পথ আটকায়।

প্রাইভেট কার থেকে বের হয়ে ধারালো অস্ত্র ধরে ওই স্কুলছাত্রীর মুখে ওড়না পেঁচিয়ে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে যায় আসামিরা। স্কুলছাত্রীকে গাড়িতে রেখে আসামিরা পাশেই বিকাশের দোকানে টাকা তুলতে যায়। এই সুযোগে বাড়িতে ফোন করে ঘটনাটি জানায় ওই স্কুলছাত্রী। ঘটনাটি তার বাবা জামালপুর সদর থানায় জানালে ঘটনাস্থল গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে বলেন, অপহরণের ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শামীম ও শিপনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সাতজন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ওই তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা ভুক্তভোগী পাবেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

স্কুলছাত্রী অপহরণের দায়ে তিন আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:০৩:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬

জামালপুরে প্রাইভেট পড়তে যাবার সময় এসএসসি পরীক্ষার্থী এক ছাত্রীকে অপহরণের দায়ে শামীম, শিপন ও জালাল নামের তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা পাবেন ভুক্তভোগী ওই স্কুলছাত্রী।

২০ জুলাই, সোমবার দুপুরে জামালপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই দণ্ডাদেশ দেন।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি শামীম জামালপুর সদর উপজেলার ভারুয়াখালী শেখবাড়ি এলাকার সাদেক আলীর ছেলে এবং শিপন একই উপজেলার ভারুয়াখালি হরিপুর এলাকার খোশ মাহমুদের ছেলে। অপর আসামি প্রাইভেটকার চালক জালাল বাঁশচড়া ইউনিয়নের বীরজপুর এলাকার রহিম উদ্দিনের ছেলে।

মামলার রায় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২২ ডিসেম্বর সকাল ৭টায় প্রতিদিনের মত প্রাইভেট পড়ার উদ্দেশ্যে বাড়ি থেকে বের হয় ওই স্কুলছাত্রী। ভ্যানগাড়িযোগে প্রাইভেটে যাবার পথে একটি সাদা প্রাইভেট কার ভ্যানগাড়িটির পথ আটকায়।

প্রাইভেট কার থেকে বের হয়ে ধারালো অস্ত্র ধরে ওই স্কুলছাত্রীর মুখে ওড়না পেঁচিয়ে অপহরণ করে গাজীপুর নিয়ে যায় আসামিরা। স্কুলছাত্রীকে গাড়িতে রেখে আসামিরা পাশেই বিকাশের দোকানে টাকা তুলতে যায়। এই সুযোগে বাড়িতে ফোন করে ঘটনাটি জানায় ওই স্কুলছাত্রী। ঘটনাটি তার বাবা জামালপুর সদর থানায় জানালে ঘটনাস্থল গিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মামলাটির রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মো. ফজলুল হক এই প্রতিবেদককে বলেন, অপহরণের ঘটনায় ওই স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে শামীম ও শিপনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় সাক্ষ্য দেন সাতজন। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে ওই তিনজন আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। একই সঙ্গে তাদের প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়। অর্থদণ্ডের সমুদয় টাকা ভুক্তভোগী পাবেন।