ঢাকা ১২:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের উপায় খুঁজতে আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন দূতদের সঙ্গে জেলেনস্কির আলোচনা জেলেনস্কির সমালোচনায় ট্রাম্প, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই মাদারগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্ব কালবেলাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া মামুন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

তামাকের পরিবেশগত প্রভাব ‘বিধ্বংসী’ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৩১ মে বলেছে, তামাক শিল্প বিশ্বের অন্যতম বড় দূষণকারী এবং এ খাত বর্জ্যের পাহাড় সৃষ্টি ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ প্রভাব ফেলছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ শিল্পকে ব্যাপকভাবে বন উজাড় করার জন্য দায়ী করে বলেছে, দরিদ্র দেশগুলিকে খাদ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয় জমি ও পানি থেকে বঞ্চিত করছে। প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বর্জ্য ছাড়াও লক্ষ লক্ষ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করছে।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, জাতিসংঘের সংস্থাটি তামাক শিল্পকে দায়ী করার লক্ষ্যে বিল আনার পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

“তামাক: আমাদের গ্রহকে বিষাক্ত করছে”-শীর্ষক প্রতিবেদনে তামাক চাষ থেকে তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন, ব্যবহার এবং বর্জ্য পর্যন্ত পুরো চক্রের প্রভাবের দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্যের ওপর তামাকের প্রভাব সম্পর্কে গত কয়েক দশক ধরে ব্যাপক আলোচনা হলেও ধূমপান এখনও প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আট মিলিয়নেরও বেশি লোকের মৃত্যু ঘটায়। প্রতিবেদনে পরিবেশগত পরিণতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ডাব্লুএইচওর স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিচালক রুয়েডিগার ক্রেচ এএফপিকে বলেছেন, আমরা জানি যে, এ শিল্প বৃহত্তম দূষণকারীদের অন্যতম।

তিনি সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে তাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য তামাক কোম্পানিগুলির প্রচেষ্টাকে এবং পরিবেশ ও দুর্যোগ ত্রাণ সংস্থাগুলিকে অর্থায়নের বিষয়টিকে “সবুজ ধোলাই” হিসাবে নিন্দা করেন।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তামাক শিল্প জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি করে। তিনি আরো বলেন, তামাক শুধুমাত্র মানুষকে বিষাক্ত করছে না, এটি আমাদের গ্রহকেও বিষাক্ত করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ শিল্প প্রতি বছর প্রায় ৬ কোটি গাছের ক্ষতির জন্য দায়ী যা বিশ্বব্যাপী বন উজাড়ের পাঁচ শতাংশ। তামাক চাষ ও উৎপাদনে ২০০,০০০ হেক্টর জমি এবং বার্ষিক ২২ বিলিয়ন টন পানি ব্যবহার করা হয়। তামাক প্রায় ৮ কোটি ৪০ লাখ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করে।

ক্রেচ বলেন, “তামাকজাত দ্রব্য হল গ্রহের সবচেয়ে জঞ্জালযুক্ত বস্তু যাতে ৭ হাজারের বেশি বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে।
৪.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেটের লেজ

তিনি উল্লেখ করেন যে, আনুমানিক ৪.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেটের লেজ প্রতি বছর সমুদ্র, নদী, ফুটপাত এবং সৈকতে পড়ে যেগুলির প্রতিটি ১০০ লিটার পানি দূষিত করতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা

তামাকের পরিবেশগত প্রভাব ‘বিধ্বংসী’ : বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

আপডেট সময় ১০:৪১:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মে ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ৩১ মে বলেছে, তামাক শিল্প বিশ্বের অন্যতম বড় দূষণকারী এবং এ খাত বর্জ্যের পাহাড় সৃষ্টি ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধিসহ নানাবিধ প্রভাব ফেলছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ শিল্পকে ব্যাপকভাবে বন উজাড় করার জন্য দায়ী করে বলেছে, দরিদ্র দেশগুলিকে খাদ্য উৎপাদনের প্রয়োজনীয় জমি ও পানি থেকে বঞ্চিত করছে। প্লাস্টিক ও রাসায়নিক বর্জ্য ছাড়াও লক্ষ লক্ষ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করছে।

বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে, জাতিসংঘের সংস্থাটি তামাক শিল্পকে দায়ী করার লক্ষ্যে বিল আনার পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।

“তামাক: আমাদের গ্রহকে বিষাক্ত করছে”-শীর্ষক প্রতিবেদনে তামাক চাষ থেকে তামাকজাত দ্রব্যের উৎপাদন, ব্যবহার এবং বর্জ্য পর্যন্ত পুরো চক্রের প্রভাবের দিকগুলো তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাস্থ্যের ওপর তামাকের প্রভাব সম্পর্কে গত কয়েক দশক ধরে ব্যাপক আলোচনা হলেও ধূমপান এখনও প্রতি বছর বিশ্বব্যাপী আট মিলিয়নেরও বেশি লোকের মৃত্যু ঘটায়। প্রতিবেদনে পরিবেশগত পরিণতির ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ডাব্লুএইচওর স্বাস্থ্য বিষয়ক পরিচালক রুয়েডিগার ক্রেচ এএফপিকে বলেছেন, আমরা জানি যে, এ শিল্প বৃহত্তম দূষণকারীদের অন্যতম।

তিনি সমুদ্র সৈকতে পরিচ্ছন্নতার মাধ্যমে তাদের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করার জন্য তামাক কোম্পানিগুলির প্রচেষ্টাকে এবং পরিবেশ ও দুর্যোগ ত্রাণ সংস্থাগুলিকে অর্থায়নের বিষয়টিকে “সবুজ ধোলাই” হিসাবে নিন্দা করেন।

তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, তামাক শিল্প জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিষাক্ত বর্জ্য ফেলে এবং প্রাকৃতিক সম্পদের ক্ষতি করে। তিনি আরো বলেন, তামাক শুধুমাত্র মানুষকে বিষাক্ত করছে না, এটি আমাদের গ্রহকেও বিষাক্ত করছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, এ শিল্প প্রতি বছর প্রায় ৬ কোটি গাছের ক্ষতির জন্য দায়ী যা বিশ্বব্যাপী বন উজাড়ের পাঁচ শতাংশ। তামাক চাষ ও উৎপাদনে ২০০,০০০ হেক্টর জমি এবং বার্ষিক ২২ বিলিয়ন টন পানি ব্যবহার করা হয়। তামাক প্রায় ৮ কোটি ৪০ লাখ টন কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গত করে।

ক্রেচ বলেন, “তামাকজাত দ্রব্য হল গ্রহের সবচেয়ে জঞ্জালযুক্ত বস্তু যাতে ৭ হাজারের বেশি বিষাক্ত রাসায়নিক থাকে।
৪.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেটের লেজ

তিনি উল্লেখ করেন যে, আনুমানিক ৪.৫ ট্রিলিয়ন সিগারেটের লেজ প্রতি বছর সমুদ্র, নদী, ফুটপাত এবং সৈকতে পড়ে যেগুলির প্রতিটি ১০০ লিটার পানি দূষিত করতে পারে।