ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা জামালপুরে ১১ শিশুর মুখে হাসি ফোটাল অরফান গিভ

স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল

শ্রেণিকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে স্কুলগুলোর বিতর্ক চলাকালে শিক্ষার্থীদের জন্য এআই ফিচার চালু করে সমালোচনার মুখে পড়ে গুগল। এরপরই ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাদের এআই টুলগুলো ডিফল্ট বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল।

সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, আমেরিকান স্কুলগুলোতে প্রযুক্তি খাতের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এই সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের। দেশটির বিভিন্ন স্কুলের ক্লাসরুমে জিমেইল, ডকস এবং ক্লাসরুম প্ল্যাটফর্মের মতো তাদের শিক্ষাবিষয়ক অ্যাপগুলো ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া কম দামের ক্রোমবুক ল্যাপটপগুলোই মার্কিন স্কুলগুলো শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি দিয়ে থাকে।

মঙ্গলবার একটি ব্লগ পোস্টে গুগলের ঘোষণা অনুযায়ী, স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে এগুলো না চালু করা পর্যন্ত কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণির (কে-১২) শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টগুলোতে জেমিনি, জেমিনি নোটবুক, ক্লাসরুমে জেমিনি এবং সার্চ- এই টুলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে।

গুগল এএফপিকে জানিয়েছে, নতুন এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়ে পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী চালু করা হবে, তবে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

এই পরিবর্তনের ফলে স্কুলগুলো শিক্ষার্থীদের এআই সুবিধা ছাড়া গুগল সার্চ ব্যবহারের সুযোগ দিতে পারবে না।

গুগলের শিক্ষা বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস ফিলিপস ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’কে জানান, ‘সার্চ এবং এআই ওতপ্রোতভাবে জড়িত’, কারণ কোম্পানির সার্চ ইঞ্জিনের ভেতরেই এখন এআই ফিচারগুলো যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো স্কুল যদি এআই নিষিদ্ধ করে, তবে শিক্ষার্থীরা ‘সার্চ ব্যবহারের সুযোগ পাবে না এবং তারা স্কুলের তরফ থেকে একটি বার্তা দেখতে পাবে যাতে বলা থাকবে যে সার্চ পাওয়া যাচ্ছে না।’

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানী এক্স (সাবেক টুইটার)-এ গুগলকে অভিযুক্ত করে লিখেছেন, তারা ‘আমাদের সরকারি স্কুলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জোর করে চাপিয়ে দিতে তাদের একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমাদের শিশুদের কীভাবে শিক্ষা দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের থাকা উচিত নয়।’

গত মাসে সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল এবং জোশ হওলির কোম্পানির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্বব্যাপী ১৫ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করে থাকে। স্কুল ডিভাইসগুলোতে কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ফিচারগুলোকে ডিফল্ট বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু রাখা হয়েছিল, চিঠিতে মূলত সে প্রশ্নই তোলা হয়েছিল।

গত আগস্টে গুগল সব বয়সের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের ক্লাসরুমে জেমিনি চ্যাটবট উন্মুক্ত করে দিয়েছিল।

সে সময় শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের শ্রেণি ও অ্যাসাইনমেন্ট-সংক্রান্ত কিছু প্রাথমিক প্রম্পট দেখানো হতো। এর মাধ্যমে তারা নির্দেশিত সহায়তা বা স্টাডি গাইড পেত। পাশাপাশি কোর্সের উপকরণ থেকে তৈরি অনুশীলন কুইজ ও ফ্ল্যাশকার্ডও পেত।

যে সকল স্কুল ইতোপূর্বেই জেমিনি চালু করেছিল, সেগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ছিল।

স্কুল ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলগুলোর ব্যবহার সীমিত করার পরিকল্পনার কথা গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক এবং লস অ্যাঞ্জেলেস- উভয় শহরই ঘোষণা করেছিল।

লস অ্যাঞ্জেলেস ইউনিফাইড স্কুল ডিস্ট্রিক্টের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমরা গুগলের এই ঘোষণা এবং স্কুল, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব খতিয়ে দেখছি।’

মুখপাত্র জানান, ডিস্ট্রিক্ট বিশ্বাস করে যে এআই যদি সতর্কতার সঙ্গে এবং স্পষ্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করে চালু করা হয়, তবে তা শিক্ষাদান ও শিখন প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে পারে। সেই সঙ্গে তিনি এমন নীতির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রযুক্তি যেন শিক্ষকদের জায়গা দখল না করে বরং তাদের সহায়তা করে এবং শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা রক্ষা করে, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলস (এনওয়াইসিপিএস) এই নীতিগত পরিবর্তন সম্পর্কে গুগলের কাছে আরও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বলে ডিস্ট্রিক্টের একজন মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন। তবে এনওয়াইসিপিতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা ক্রোমবুকগুলোতে জেমিনি চ্যাটবট এবং এআই মোড ইতোমধ্যেই বন্ধ করা আছে।

মুখপাত্র বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য গুগল সার্চ ফলাফলে যে এআই ওভারভিউ দেখানো হয়, তা নিষ্ক্রিয় করার জন্যও এনওয়াইসিপিএস গুগলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।’

এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার গুগল জানায়, এই পরিবর্তনগুলো স্কুলগুলোকে ‘কম নয়, বরং আরও বেশি পছন্দ করার সুযোগ করে দিচ্ছে।’

গুগল বলেছে, ‘আমরা জানি যে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় শর্টকাট নেওয়ার জন্য এআই ব্যবহার করছে কি না তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে, আর স্কুলগুলো আমাদের আগেই জানিয়েছে যে তারা এর ওপর নিয়ন্ত্রণ চায়।’

মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান

স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল

আপডেট সময় ০৯:১৮:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

শ্রেণিকক্ষে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহারের বিষয়ে স্কুলগুলোর বিতর্ক চলাকালে শিক্ষার্থীদের জন্য এআই ফিচার চালু করে সমালোচনার মুখে পড়ে গুগল। এরপরই ছাত্রছাত্রীদের জন্য তাদের এআই টুলগুলো ডিফল্ট বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রযুক্তি জায়ান্ট গুগল।

সান ফ্রান্সিসকো, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, আমেরিকান স্কুলগুলোতে প্রযুক্তি খাতের একচ্ছত্র আধিপত্য রয়েছে এই সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্টের। দেশটির বিভিন্ন স্কুলের ক্লাসরুমে জিমেইল, ডকস এবং ক্লাসরুম প্ল্যাটফর্মের মতো তাদের শিক্ষাবিষয়ক অ্যাপগুলো ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া কম দামের ক্রোমবুক ল্যাপটপগুলোই মার্কিন স্কুলগুলো শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি দিয়ে থাকে।

মঙ্গলবার একটি ব্লগ পোস্টে গুগলের ঘোষণা অনুযায়ী, স্কুল কর্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্বে এগুলো না চালু করা পর্যন্ত কিন্ডারগার্টেন থেকে দ্বাদশ শ্রেণির (কে-১২) শিক্ষার্থীদের অ্যাকাউন্টগুলোতে জেমিনি, জেমিনি নোটবুক, ক্লাসরুমে জেমিনি এবং সার্চ- এই টুলগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ থাকবে।

গুগল এএফপিকে জানিয়েছে, নতুন এই নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা প্রথমে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হয়ে পরবর্তীতে বিশ্বব্যাপী চালু করা হবে, তবে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো তারিখ নির্ধারণ করা হয়নি।

এই পরিবর্তনের ফলে স্কুলগুলো শিক্ষার্থীদের এআই সুবিধা ছাড়া গুগল সার্চ ব্যবহারের সুযোগ দিতে পারবে না।

গুগলের শিক্ষা বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট ক্রিস ফিলিপস ‘নিউ ইয়র্ক টাইমস’কে জানান, ‘সার্চ এবং এআই ওতপ্রোতভাবে জড়িত’, কারণ কোম্পানির সার্চ ইঞ্জিনের ভেতরেই এখন এআই ফিচারগুলো যুক্ত রয়েছে।

তিনি বলেন, কোনো স্কুল যদি এআই নিষিদ্ধ করে, তবে শিক্ষার্থীরা ‘সার্চ ব্যবহারের সুযোগ পাবে না এবং তারা স্কুলের তরফ থেকে একটি বার্তা দেখতে পাবে যাতে বলা থাকবে যে সার্চ পাওয়া যাচ্ছে না।’

নিউইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানী এক্স (সাবেক টুইটার)-এ গুগলকে অভিযুক্ত করে লিখেছেন, তারা ‘আমাদের সরকারি স্কুলগুলোতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা জোর করে চাপিয়ে দিতে তাদের একচেটিয়া ক্ষমতা ব্যবহার করার চেষ্টা করছে।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘আমাদের শিশুদের কীভাবে শিক্ষা দেওয়া হবে, তা নির্ধারণ করার ক্ষমতা কোনো করপোরেট প্রতিষ্ঠানের থাকা উচিত নয়।’

গত মাসে সেনেটর রিচার্ড ব্লুমেনথাল এবং জোশ হওলির কোম্পানির কাছে পাঠানো এক চিঠিতে উল্লেখ করা হয় যে, বিশ্বব্যাপী ১৫ কোটিরও বেশি শিক্ষার্থী গুগল ক্লাসরুম ব্যবহার করে থাকে। স্কুল ডিভাইসগুলোতে কেন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ফিচারগুলোকে ডিফল্ট বা স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু রাখা হয়েছিল, চিঠিতে মূলত সে প্রশ্নই তোলা হয়েছিল।

গত আগস্টে গুগল সব বয়সের শিক্ষার্থীদের জন্য তাদের ক্লাসরুমে জেমিনি চ্যাটবট উন্মুক্ত করে দিয়েছিল।

সে সময় শিক্ষার্থীদের সামনে নিজেদের শ্রেণি ও অ্যাসাইনমেন্ট-সংক্রান্ত কিছু প্রাথমিক প্রম্পট দেখানো হতো। এর মাধ্যমে তারা নির্দেশিত সহায়তা বা স্টাডি গাইড পেত। পাশাপাশি কোর্সের উপকরণ থেকে তৈরি অনুশীলন কুইজ ও ফ্ল্যাশকার্ডও পেত।

যে সকল স্কুল ইতোপূর্বেই জেমিনি চালু করেছিল, সেগুলোর শিক্ষার্থীদের জন্য এই ফিচারটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু ছিল।

স্কুল ডিভাইসে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা টুলগুলোর ব্যবহার সীমিত করার পরিকল্পনার কথা গত সেপ্টেম্বরে নিউইয়র্ক এবং লস অ্যাঞ্জেলেস- উভয় শহরই ঘোষণা করেছিল।

লস অ্যাঞ্জেলেস ইউনিফাইড স্কুল ডিস্ট্রিক্টের একজন মুখপাত্র এএফপিকে বলেন, ‘আমরা গুগলের এই ঘোষণা এবং স্কুল, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব খতিয়ে দেখছি।’

মুখপাত্র জানান, ডিস্ট্রিক্ট বিশ্বাস করে যে এআই যদি সতর্কতার সঙ্গে এবং স্পষ্ট সুরক্ষা নিশ্চিত করে চালু করা হয়, তবে তা শিক্ষাদান ও শিখন প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে পারে। সেই সঙ্গে তিনি এমন নীতির কথা উল্লেখ করেন, যেখানে প্রযুক্তি যেন শিক্ষকদের জায়গা দখল না করে বরং তাদের সহায়তা করে এবং শিক্ষার্থীদের গোপনীয়তা রক্ষা করে, তা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

নিউইয়র্ক সিটি পাবলিক স্কুলস (এনওয়াইসিপিএস) এই নীতিগত পরিবর্তন সম্পর্কে গুগলের কাছে আরও বিস্তারিত তথ্য চেয়েছে বলে ডিস্ট্রিক্টের একজন মুখপাত্র এএফপিকে জানিয়েছেন। তবে এনওয়াইসিপিতে শিক্ষার্থীদের ব্যবহার করা ক্রোমবুকগুলোতে জেমিনি চ্যাটবট এবং এআই মোড ইতোমধ্যেই বন্ধ করা আছে।

মুখপাত্র বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য গুগল সার্চ ফলাফলে যে এআই ওভারভিউ দেখানো হয়, তা নিষ্ক্রিয় করার জন্যও এনওয়াইসিপিএস গুগলের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।’

এক্স-এ দেওয়া এক বিবৃতিতে মঙ্গলবার গুগল জানায়, এই পরিবর্তনগুলো স্কুলগুলোকে ‘কম নয়, বরং আরও বেশি পছন্দ করার সুযোগ করে দিচ্ছে।’

গুগল বলেছে, ‘আমরা জানি যে শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় শর্টকাট নেওয়ার জন্য এআই ব্যবহার করছে কি না তা নিয়ে চিন্তা রয়েছে, আর স্কুলগুলো আমাদের আগেই জানিয়েছে যে তারা এর ওপর নিয়ন্ত্রণ চায়।’