ঢাকা ০৪:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন ২৬ দিন পর দেশে ফিরল ইরাকে নিহত দুই প্রবাসীর কফিনবন্দি মরদেহ জামালপুরে শেষ হল তিনদিনব্যাপী জাতীয় ফল মেলা মাদকের সাথে জড়িত বিএনপি নেতা-কর্মীদের সর্বপ্রথম গ্রেপ্তার করুন : ওয়ারেছ আলী মামুন জাতি গঠনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিনিয়োগ হলো শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যে বিনিয়োগ : প্রধানমন্ত্রী আগামী ৬ মাসের মধ্যে চালু হচ্ছে ৫টি বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল পাঁচ বছরে মাদারগঞ্জে এক লাখ গাছ লাগানোর ঘোষণা বিএনপির সরিষাবাড়ীতে মাদক জুয়ার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে জিঞ্জিরাম নদীর ভাঙন, বিলীন হচ্ছে বসতবাড়ি জামালপুরে ৩ দিনব্যাপী ফল মেলা শুরু

প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই সন্তান, এদের বুকে তুলে নিতে হবে : জামালপুর জেলা প্রশাসক

জামালপুরে প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরে প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই সন্তান এদের পরম মমতায় বুকে তুলে নিতে হবে। এদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সর্বোত্তম সুরক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় বিশেষভাবে সক্ষম এই জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওদের ভালো রাখতে পারলে সয়ং আল্লাহ আমাদের ওপর রহমত বর্ষণ করবে। ৯ সেপ্টেম্বর নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅ্যাবেলিটি কার্যক্রমের আওতায় প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জামালপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজএ্যাবেলিটি জামালপুর জেলা কমিটির প্রথম সভা শেষে ১৫ জন স্নায়ুজনিত প্রতিবন্ধীতার শিকার ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ৭৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রাজু আহমেদ, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা নিঝুআরা বেগম, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, বুদ্ধি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী সমিতির সভাপতি তারিকুল ফেরদৌস প্রমুখ।

সভা সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজএ্যাবেলিটি সুরক্ষা আইন প্রণীত হবার পর প্রতিবছর চারটি ক্যাটাগরির প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকার অনুদান দিয়ে আসছে। এরমধ্যে অটিজম, ডাউন সিনড্রম, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও সিপি। সারা জেলায় অধিক অস্বচ্ছল পরিবারের সদস্যদের বাছাই করে অনুদানের জন্য নির্বাচন করা হয়। আগামী বছর আরো বেশী সংখ্যক প্রতিবন্ধীদের তালিকাভুক্ত করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় কয়েকজন সদস্য না আসায় জেলা প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহাদুরাবাদ-বালাসি দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন

প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই সন্তান, এদের বুকে তুলে নিতে হবে : জামালপুর জেলা প্রশাসক

আপডেট সময় ০৯:০২:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯
জামালপুরে প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বিশেষ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

প্রতিবন্ধীরা আমাদেরই সন্তান এদের পরম মমতায় বুকে তুলে নিতে হবে। এদের স্বাস্থ্য, শিক্ষাসহ সর্বোত্তম সুরক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে। উন্নয়নের মূল স্রোতধারায় বিশেষভাবে সক্ষম এই জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করতে হবে। ওদের ভালো রাখতে পারলে সয়ং আল্লাহ আমাদের ওপর রহমত বর্ষণ করবে। ৯ সেপ্টেম্বর নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজঅ্যাবেলিটি কার্যক্রমের আওতায় প্রতিবন্ধী ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জামালপুর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ এনামুল হক।

জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজএ্যাবেলিটি জামালপুর জেলা কমিটির প্রথম সভা শেষে ১৫ জন স্নায়ুজনিত প্রতিবন্ধীতার শিকার ছেলেমেয়েদের মাঝে অনুদানের চেক প্রদান করা হয়। প্রত্যেককে পাঁচ হাজার টাকা করে মোট ৭৫ হাজার টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মাঝে আলোচনায় অংশ নেন জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক রাজু আহমেদ, শহর সমাজসেবা কর্মকর্তা নিঝুআরা বেগম, উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম, বুদ্ধি ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী সমিতির সভাপতি তারিকুল ফেরদৌস প্রমুখ।

সভা সূত্র জানায়, ২০১৩ সালে নিউরো ডেভেলপমেন্ট ডিজএ্যাবেলিটি সুরক্ষা আইন প্রণীত হবার পর প্রতিবছর চারটি ক্যাটাগরির প্রতিবন্ধীদের মাঝে সরকার অনুদান দিয়ে আসছে। এরমধ্যে অটিজম, ডাউন সিনড্রম, বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও সিপি। সারা জেলায় অধিক অস্বচ্ছল পরিবারের সদস্যদের বাছাই করে অনুদানের জন্য নির্বাচন করা হয়। আগামী বছর আরো বেশী সংখ্যক প্রতিবন্ধীদের তালিকাভুক্ত করা হবে বলে সভায় সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

সভায় কয়েকজন সদস্য না আসায় জেলা প্রশাসক ক্ষোভ প্রকাশ করেন।