ঢাকা ১১:৫৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত মাদারগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ গরু, দগ্ধ আরও দুটি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা

শ্রীবরদীতে এসএসসি পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ : হয়রানীর শিকার পরীক্ষার্থীরা

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়ায় হয়রানীর শিকার হয়েছে পরীক্ষার্থীরা। ২ ফেব্রুয়ারি সকালে অনুষ্ঠিত এসএসসি বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় উপজেলার এমএনবিপি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বানিবাইদ উচ্চ বিদ্যালয় ও টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের মাঝে এ ঘটনা ঘটে।

হয়রানীর শিকার পরীক্ষার্থীরা জানায়, পরীক্ষার প্রায় এক ঘন্টা পর তারা দেখতে পায় তাদের প্রশ্নপত্র ২০১৮ সালের। এতে বিপাকে পড়ে তারা।

এ প্রসঙ্গে এমএনবিপি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষার ২০০ প্রশ্নপত্রের একটি প্যাকেটের উপরে লেখা ছিল ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র। কিন্তু ভিতরে কিছু প্রশ্নপত্র ছিল ২০১৮ সালের। এ বিদ্যালয়ের ৭৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এসব প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছিল। পরে পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের নজরে আসে বিষয়টি। এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র ও খাতা ফেরত নিয়ে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে প্রায় এক ঘন্টা পর পরীক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়। এ জন্য পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

একই পরিস্থিতির শিকার হয় উপজেলার টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা। ওই কেন্দ্রে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থীর হাতে দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০/১৫ মিনিট পর প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কে কেন্দ্র সচিব আবুল খায়ের বলেন, কয়েকটি কক্ষে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছিল। পরে ইউএনও স্যার প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে পরীক্ষার্থীদের দেন। হয়তো ভুলবসত এসব প্রশ্নপত্র ২০১৯ সালের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে ভরা হয়েছিল।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর দ্রুত ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে পরীক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়েছে।

২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেঁজুতি ধর বলেন, ওইসব প্রশ্নপত্র ফেরত নিয়ে ফটোকপি করে আবার পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।

সূত্র মতে, শ্রীবরদীতে এবার এসএসসিতে ২ হাজার ৯৯৩জন, দাখিলে ৭৪১ জন ও ভোকেশনালে ৪৪৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

শ্রীবরদীতে এসএসসি পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণ : হয়রানীর শিকার পরীক্ষার্থীরা

আপডেট সময় ০৯:১৬:৩৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২ ফেব্রুয়ারী ২০১৯

সুজন সেন, নিজস্ব প্রতিবেদক, শেরপুর
বাংলারচিঠি ডটকম

শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষায় ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়ায় হয়রানীর শিকার হয়েছে পরীক্ষার্থীরা। ২ ফেব্রুয়ারি সকালে অনুষ্ঠিত এসএসসি বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষায় উপজেলার এমএনবিপি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, বানিবাইদ উচ্চ বিদ্যালয় ও টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের কয়েকটি কক্ষে পরীক্ষার্থীদের মাঝে এ ঘটনা ঘটে।

হয়রানীর শিকার পরীক্ষার্থীরা জানায়, পরীক্ষার প্রায় এক ঘন্টা পর তারা দেখতে পায় তাদের প্রশ্নপত্র ২০১৮ সালের। এতে বিপাকে পড়ে তারা।

এ প্রসঙ্গে এমএনবিপি সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের হল সুপার মনিরুজ্জামান বলেন, বোর্ড থেকে এসএসসি পরীক্ষার ২০০ প্রশ্নপত্রের একটি প্যাকেটের উপরে লেখা ছিল ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র। কিন্তু ভিতরে কিছু প্রশ্নপত্র ছিল ২০১৮ সালের। এ বিদ্যালয়ের ৭৪ জন শিক্ষার্থীর মাঝে এসব প্রশ্নপত্র বিতরণ করা হয়েছিল। পরে পরীক্ষা চলাকালে পরীক্ষার্থীদের নজরে আসে বিষয়টি। এ ঘটনায় কর্তৃপক্ষ ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র ও খাতা ফেরত নিয়ে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে প্রায় এক ঘন্টা পর পরীক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়। এ জন্য পরীক্ষার্থীদের সময় বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল।

একই পরিস্থিতির শিকার হয় উপজেলার টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরীক্ষা কেন্দ্রের শিক্ষার্থীরা। ওই কেন্দ্রে অন্তত ৩০ জন শিক্ষার্থীর হাতে দেওয়া হয়েছিল ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র।

এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে টেংগড়পাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আবু রায়হান বলেন, পরীক্ষা শুরু হওয়ার ১০/১৫ মিনিট পর প্রশ্নপত্র পরিবর্তন করে ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছে।

এ সম্পর্কে কেন্দ্র সচিব আবুল খায়ের বলেন, কয়েকটি কক্ষে ভুলবসত ২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়েছিল। পরে ইউএনও স্যার প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে পরীক্ষার্থীদের দেন। হয়তো ভুলবসত এসব প্রশ্নপত্র ২০১৯ সালের পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের প্যাকেটে ভরা হয়েছিল।

উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মোশারফ হোসেন বলেন, বিষয়টি জানার পর দ্রুত ২০১৯ সালের প্রশ্নপত্র ফটোকপি করে পরীক্ষার্থীদের হাতে দেওয়া হয়েছে।

২০১৮ সালের প্রশ্নপত্র বিতরণের সত্যতা নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেঁজুতি ধর বলেন, ওইসব প্রশ্নপত্র ফেরত নিয়ে ফটোকপি করে আবার পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। তবে তেমন কোনো সমস্যা হয়নি।

সূত্র মতে, শ্রীবরদীতে এবার এসএসসিতে ২ হাজার ৯৯৩জন, দাখিলে ৭৪১ জন ও ভোকেশনালে ৪৪৮ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে।