ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

মাদারগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। ২১ জুলাই বিকেলে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানাবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাইদুর রহমান উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের চরগোলাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। ২২ জুলাই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী মো. সাইদুর রহমান গত ২২ জুন রাত তিনটায় উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের খোকা ম-লের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র হাশেম মিয়ার (১৫) সাথে একই গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শারমিন আক্তারের (১৩) বিয়ে নিবন্ধন করান। কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়িতে দু’পক্ষের উপস্থিতিতে এ বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

বাল্যবিয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে জোড়খালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কুকুরমারি এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুলাই সকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় ২০১৭ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৮, ৯ ও ১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কাজী মো. সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং বরের বাবা-মা, কনের নানা, বর ও কনের উকিল, বিয়ে পড়ানোর মৌলভী, বিয়ের দু’পক্ষের সাক্ষীসহ ১০ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর ২১ জুলাই বিকেলে মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। অভিযানের এক পর্যায়ে ২১ জুলাই সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়ি থেকে প্রধান আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলামত হিসেবে তার কাছ থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বই জব্দ করা হয়েছে। ২২ জুলাই ওই কাজীকে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

মাদারগঞ্জে বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে কাজী গ্রেপ্তার

আপডেট সময় ০৬:৫৫:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮
পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমান। ছবি : বাংলার চিঠি ডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, জামালপুর ॥
জামালপুরের মাদারগঞ্জ উপজেলায় বাল্যবিয়ে নিবন্ধনের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে (৪৫) গ্রেপ্তার করেছে মাদারগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ। ২১ জুলাই বিকেলে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানাবাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার মো. সাইদুর রহমান উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের চরগোলাবাড়ি গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে। ২২ জুলাই তাকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

জানা গেছে, কাজী মো. সাইদুর রহমান গত ২২ জুন রাত তিনটায় উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের খোকা ম-লের ছেলে নবম শ্রেণির ছাত্র হাশেম মিয়ার (১৫) সাথে একই গ্রামের মো. শফিকুল ইসলামের মেয়ে ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী শারমিন আক্তারের (১৩) বিয়ে নিবন্ধন করান। কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়িতে দু’পক্ষের উপস্থিতিতে এ বাল্যবিয়ে নিবন্ধন করা হয়।

বাল্যবিয়ের ঘটনাটি জানাজানি হলে জোড়খালি ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য কুকুরমারি এলাকার মনোয়ারুল ইসলাম বাদী হয়ে ২১ জুলাই সকালে মাদারগঞ্জ মডেল থানায় ২০১৭ সালের বাল্যবিবাহ নিরোধ আইনের ৮, ৯ ও ১১ ধারায় একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় কাজী মো. সাইদুর রহমানকে প্রধান আসামি এবং বরের বাবা-মা, কনের নানা, বর ও কনের উকিল, বিয়ে পড়ানোর মৌলভী, বিয়ের দু’পক্ষের সাক্ষীসহ ১০ জনের নামে এবং অজ্ঞাত আরও ২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলা দায়েরের পর ২১ জুলাই বিকেলে মাদারগঞ্জ মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আব্দুল মজিদের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে। অভিযানের এক পর্যায়ে ২১ জুলাই সন্ধ্যার দিকে উপজেলার জোড়খালি ইউনিয়নের কুকুরমারি গ্রামের কনের নানা হযরত আলী ফকিকের বাড়ি থেকে প্রধান আসামি কাজী মো. সাইদুর রহমানকে গ্রেপ্তার করা হয়। আলামত হিসেবে তার কাছ থেকে নিকাহ রেজিস্ট্রার বই জব্দ করা হয়েছে। ২২ জুলাই ওই কাজীকে জামালপুর আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

মাদারগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বাংলার চিঠি ডটকমকে বলেন, ‘মামলাটির প্রধান আসামি গ্রেপ্তার কাজী মো. সাইদুর রহমানকে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া চলছে।’