ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর সব জেলায় খাদ্যের মান পরীক্ষাগার স্থাপনে জাইকার সহযোগিতা প্রয়োজন : জনপ্রশাসন উপদেষ্টা চার দিনের সফর শেষে টোকিও ছাড়লেন প্রধানমন্ত্রী জাপানে টয়োটার মোতোমাচি কারখানা পরিদর্শন করলেন প্রধানমন্ত্রী আগামী সপ্তাহের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট প্রার্থীকে বাদ দেওয়ার দাবি ট্রাম্পের স্বাধীন গণমাধ্যমের অধিকার সুরক্ষায় মিশরের প্রতি ইইউর আহ্বান শব্দদূষণের নতুন ৪টি উৎস শনাক্ত পরিবেশ অধিদপ্তরের ব্যর্থ কর্মকর্তাদের সরিয়ে দেওয়া হবে : স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী বিশ্ব হাত ধোয়া দিবসে দেওয়ানগঞ্জে জেসমিন প্রকল্পের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত দক্ষ নাবিক তৈরিতে কোনো কম্প্রোমাইজ নয় : নৌপরিবহন সচিব

দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু

ইসলামপুর : চরপুটিমারী ইউনিয়নের সাজেলেরচর বাজার এলাকায় সেতুর এপ্রোচে ভাঙন দেখা দিয়েছে। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় দশানী নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও গাছপালা। ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে সাজেলের চর বাজার ও তিনটি উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র সেতু।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে ডাকপাড়া, টেংরাকুড়া গ্রামের নদী তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামের মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কৃষকদের বছরে একমাত্র অবলম্বন ফসলি জমিও একের পর এক নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে। বসতবাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হুমকির মধ্য রয়েছে।

অন্যদিকে, উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের সাজেলেরচর বাজার সংলগ্ন নদী তীরবর্তী মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্ক নেমে এসেছে। দশানী নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে ঐতিহ্যবাহী সাজেলেরচর বাজার, সংযোগ সড়ক এবং নদী তীরবর্তী বহু বসতবাড়ি।

এছাড়াও বাজার ভেদ করে তিনটি উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র সংযোগ সেতুটির এপ্রোচের মাটি সরে গিয়ে মারাত্মক ঝুঁকিসহ প্রতিনিয়তই চলাচলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে সেতু ভেঙে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুতে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

ইসলামপুর : দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু ও ঘরবাড়ি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ব্যবসায়ী কালাম মিয়া বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে কর্মহীন হয়ে যাব। স্থানীয় শিক্ষক মো. শাহিন ইসলাম বলেন, নদী ভাঙন এভাবে চলতে থাকলে আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও হুমকির মুখে পড়বে। দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।

স্থানীয় ও জন প্রতিনিধিরা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দশানী নদীর ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও স্থায়ীভাবে নদী সংরক্ষণের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ ও সেতুটি সংস্কার না হলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে যাবে। বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. জুবায়ের এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে  দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

৫ নভেম্বরের মধ্যে প্রাথমিকের সব বই সরবরাহের নির্দেশ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর

দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু

আপডেট সময় ১০:১১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলায় দশানী নদীতে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। তীব্র স্রোতে প্রতিদিনই নদীগর্ভে বিলীন হচ্ছে ফসলি জমি, গ্রামীণ সড়ক ও গাছপালা। ভাঙ্গনে হুমকির মুখে পড়েছে সাজেলের চর বাজার ও তিনটি উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র সেতু।

সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নে ডাকপাড়া, টেংরাকুড়া গ্রামের নদী তীরবর্তী বিভিন্ন গ্রামের মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। কৃষকদের বছরে একমাত্র অবলম্বন ফসলি জমিও একের পর এক নদীতে হারিয়ে যাচ্ছে। বসতবাড়ি, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান হুমকির মধ্য রয়েছে।

অন্যদিকে, উপজেলার চরপুটিমারী ইউনিয়নের সাজেলেরচর বাজার সংলগ্ন নদী তীরবর্তী মানুষের জীবনে চরম দুর্ভোগ ও আতঙ্ক নেমে এসেছে। দশানী নদীর অব্যাহত ভাঙনে নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পথে ঐতিহ্যবাহী সাজেলেরচর বাজার, সংযোগ সড়ক এবং নদী তীরবর্তী বহু বসতবাড়ি।

এছাড়াও বাজার ভেদ করে তিনটি উপজেলার যোগাযোগের একমাত্র সংযোগ সেতুটির এপ্রোচের মাটি সরে গিয়ে মারাত্মক ঝুঁকিসহ প্রতিনিয়তই চলাচলে যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। যেকোনো মুহূর্তে সেতু ভেঙে সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুতে চলাচল করতে গিয়ে প্রতিনিয়ত ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। এতে যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচলে ব্যাপক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

ইসলামপুর : দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু ও ঘরবাড়ি। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ব্যবসায়ী কালাম মিয়া বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এই সড়কে চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে। এতে কর্মহীন হয়ে যাব। স্থানীয় শিক্ষক মো. শাহিন ইসলাম বলেন, নদী ভাঙন এভাবে চলতে থাকলে আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানও হুমকির মুখে পড়বে। দ্রুত প্রতিরোধ ব্যবস্থা নেয়া না হলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হবে।

স্থানীয় ও জন প্রতিনিধিরা জানান, প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দশানী নদীর ভাঙনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও এখনও স্থায়ীভাবে নদী সংরক্ষণের কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি। দ্রুত ভাঙন প্রতিরোধ ও সেতুটি সংস্কার না হলে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হবে যাবে। বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে তারা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

এই বিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহ মো. জুবায়ের এই প্রতিবেদককে বলেন, আমরা ক্ষতিগ্রস্ত স্থানটি সরেজমিনে পরিদর্শন করে  দ্রুত সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।