ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী পাক হানাদার মুক্ত দিবস

সরিষাবাড়ী : শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মিত্রবাহিনীর সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত হয়।

জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ১১ নম্বর সেক্টরের মহেন্দ্রগঞ্জ সাবসেক্টর এবং সেক্টর হেড কোয়ার্টার ক্লোজ করার পর সেকেন্ড সেক্টর স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান যুদ্ধকালীন কমান্ডার নাজিম কোম্পানিকে নির্দেশ দেন। নাজিম কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা সন্ধ্যায় চর জামিরা গ্রামে এসে পৌঁছেন।

পরদিন আগে থেকেই অবস্থান নেয়া রশিদ, লুৎফর, ফজলুর কোম্পানি মিলে এলাকার রাজাকার আল বদরদের অস্ত্রসহ আটক করে থানায় নিয়ে যান। পুরো সরিষাবাড়ী রাজাকারমুক্ত করার মধ্যেই আওনা ইউনিয়নের জগন্নাথগঞ্জ ঘাট এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিসীর প্রতিরোধ মুখে পড়েন। একপর্যায়ে মুক্তিবাহিনীর হামলা আর প্রবল প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ গ্রামের ৪৫ জন সাধারণ মানুষ শহীদ হন।

অপরদিকে ১১ ডিসেম্বর রাতেই নাজিম কোম্পানি, রশিদ, নূরুল, লুৎফর ও ফজলু কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা মিত্রবাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে যৌথ অভিযান চালান। সারারাতের অভিযান ও সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা সকল পাক সেনাদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ভোরে মিত্রবাহিনীর হাতে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গণময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন। সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।

 

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

১২ ডিসেম্বর সরিষাবাড়ী পাক হানাদার মুক্ত দিবস

আপডেট সময় ০৯:২২:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫

১২ ডিসেম্বর, শুক্রবার সরিষাবাড়ী হানাদার মুক্ত দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে মিত্রবাহিনীর সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা পাক হানাদার বাহিনীর কবল থেকে তৎকালীন জামালপুর মহকুমার সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত হয়।

জানা গেছে, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর ১১ নম্বর সেক্টরের মহেন্দ্রগঞ্জ সাবসেক্টর এবং সেক্টর হেড কোয়ার্টার ক্লোজ করার পর সেকেন্ড সেক্টর স্কোয়াড্রন লিডার এম. হামিদুল্লাহ খান যুদ্ধকালীন কমান্ডার নাজিম কোম্পানিকে নির্দেশ দেন। নাজিম কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা সন্ধ্যায় চর জামিরা গ্রামে এসে পৌঁছেন।

পরদিন আগে থেকেই অবস্থান নেয়া রশিদ, লুৎফর, ফজলুর কোম্পানি মিলে এলাকার রাজাকার আল বদরদের অস্ত্রসহ আটক করে থানায় নিয়ে যান। পুরো সরিষাবাড়ী রাজাকারমুক্ত করার মধ্যেই আওনা ইউনিয়নের জগন্নাথগঞ্জ ঘাট এলাকায় মুক্তিযোদ্ধারা হানাদার বাহিসীর প্রতিরোধ মুখে পড়েন। একপর্যায়ে মুক্তিবাহিনীর হামলা আর প্রবল প্রতিরোধের মুখে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর হাতে ১২ জন মুক্তিযোদ্ধাসহ গ্রামের ৪৫ জন সাধারণ মানুষ শহীদ হন।

অপরদিকে ১১ ডিসেম্বর রাতেই নাজিম কোম্পানি, রশিদ, নূরুল, লুৎফর ও ফজলু কোম্পানির মুক্তিযোদ্ধারা মিত্রবাহিনীর সহায়তায় জগন্নাথগঞ্জ ঘাটে যৌথ অভিযান চালান। সারারাতের অভিযান ও সম্মুখ যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা সকল পাক সেনাদের পাকড়াও করতে সক্ষম হন। পরদিন ১৩ ডিসেম্বর ভোরে মিত্রবাহিনীর হাতে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

ওইদিনই এলাকার রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের সহায়তায় বীর মুক্তিযোদ্ধারা ঐতিহাসিক গণময়দানে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করে সরিষাবাড়ী থানা শত্রুমুক্ত ঘোষণা করেন। সরিষাবাড়ীর আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হতে থাকে বিজয়ের গান। উল্লাসে মেতে উঠে মুক্তিকামী মানুষ।