ঢাকা ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের উপায় খুঁজতে আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন দূতদের সঙ্গে জেলেনস্কির আলোচনা জেলেনস্কির সমালোচনায় ট্রাম্প, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই মাদারগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্ব কালবেলাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া মামুন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘ ‘অপ্রাসঙ্গিক’: নরেন্দ্র মোদি

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং চীন-মার্কিন উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংঘাতের মধ্যে জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে অপ্রাসঙ্গিক বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

১৬ মার্চ রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের পডকাস্ট হোস্ট ‘লেক্স ফ্রিডম্যানকে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোদি এসব কথা বলেন। তার মতে, জাতিসংঘ এবং অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ‘প্রায় অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে পড়েছে। কারণ তাদের মধ্যে ‘কোনো সংস্কার’ আর বাকি নেই।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা তৈরি হয়েছিল, সেগুলো প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। সেগুলোতে কোনো সংস্কার নেই। জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের ভূমিকা পালন করতে পারছে না। বিশ্বের যেসব মানুষ আইন-কানুনকে গুরুত্ব দেয় না, তারা সবকিছু করছে, কেউ তাদের থামাতে পারছে না।’

করোনা মহামারি থেকে পাওয়া শিক্ষার কথাও তুলে ধরেন মোদি, যা প্রতিটি দেশের দুর্বলতা উন্মোচিত করে এবং বৈশ্বিক সংকটের সময় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিল।

লেক্স ফ্রিডম্যানকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ আমাদের সবার সীমাবদ্ধতা উন্মোচিত করে দিয়েছে। আমরা নিজেদেরকে যতই মহান জাতি, খুব প্রগতিশীল, খুব বৈজ্ঞানিকভাবে উন্নত মনে করি না কেন, কোভিড-১৯ এর সময়ে আমরা সবাই বিশ্বের প্রতিটি দেশ মাটিতে নেমে এসেছে।

মোদি বলেন, ‘তখন মনে হচ্ছিল, পৃথিবী এর থেকে কিছু শিখবে আর আমরা এক নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পরিস্থিতি এমন ছিল যে শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে পৃথিবী ভেঙে পড়েছিল। অনিশ্চয়তার এক সময় আসে এবং যুদ্ধ আরো সংকট তৈরি করে’।

উল্লেখ্য, গত বছর নরেন্দ্র মোদি জাতিসংঘের ‘সামিট অব দ্য ফিউচার’-এ তার ভাষণে পরিবর্তনের জন্য একটি স্পষ্ট আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, সংস্কার হলো প্রাসঙ্গিকতার চাবিকাঠি।

কয়েক দশক ধরে ভারত যুক্তি দিয়ে আসছে, তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়ার যোগ্য। নয়াদিল্লি বলছে, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ১৫-জাতির কাউন্সিল একবিংশ শতাব্দীতে তার উদ্দেশ্যের জন্য উপযুক্ত নয় এবং সমসাময়িক ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতাও প্রতিফলিত করে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা

জাতিসংঘ ‘অপ্রাসঙ্গিক’: নরেন্দ্র মোদি

আপডেট সময় ১০:০৮:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

মধ্যপ্রাচ্য সংকট এবং চীন-মার্কিন উত্তেজনার কথা উল্লেখ করে ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক সংঘাতের মধ্যে জাতিসংঘসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোকে অপ্রাসঙ্গিক বলে কঠোর সমালোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

১৬ মার্চ রবিবার যুক্তরাষ্ট্রের পডকাস্ট হোস্ট ‘লেক্স ফ্রিডম্যানকে’ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মোদি এসব কথা বলেন। তার মতে, জাতিসংঘ এবং অন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো ‘প্রায় অপ্রাসঙ্গিক’ হয়ে পড়েছে। কারণ তাদের মধ্যে ‘কোনো সংস্কার’ আর বাকি নেই।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব আন্তর্জাতিক সংস্থা তৈরি হয়েছিল, সেগুলো প্রায় অপ্রাসঙ্গিক হয়ে পড়েছে। সেগুলোতে কোনো সংস্কার নেই। জাতিসংঘের মতো প্রতিষ্ঠান তাদের ভূমিকা পালন করতে পারছে না। বিশ্বের যেসব মানুষ আইন-কানুনকে গুরুত্ব দেয় না, তারা সবকিছু করছে, কেউ তাদের থামাতে পারছে না।’

করোনা মহামারি থেকে পাওয়া শিক্ষার কথাও তুলে ধরেন মোদি, যা প্রতিটি দেশের দুর্বলতা উন্মোচিত করে এবং বৈশ্বিক সংকটের সময় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়েছিল।

লেক্স ফ্রিডম্যানকে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোভিড-১৯ আমাদের সবার সীমাবদ্ধতা উন্মোচিত করে দিয়েছে। আমরা নিজেদেরকে যতই মহান জাতি, খুব প্রগতিশীল, খুব বৈজ্ঞানিকভাবে উন্নত মনে করি না কেন, কোভিড-১৯ এর সময়ে আমরা সবাই বিশ্বের প্রতিটি দেশ মাটিতে নেমে এসেছে।

মোদি বলেন, ‘তখন মনে হচ্ছিল, পৃথিবী এর থেকে কিছু শিখবে আর আমরা এক নতুন বিশ্বব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাব। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত পরিস্থিতি এমন ছিল যে শান্তির দিকে এগিয়ে যাওয়ার পরিবর্তে পৃথিবী ভেঙে পড়েছিল। অনিশ্চয়তার এক সময় আসে এবং যুদ্ধ আরো সংকট তৈরি করে’।

উল্লেখ্য, গত বছর নরেন্দ্র মোদি জাতিসংঘের ‘সামিট অব দ্য ফিউচার’-এ তার ভাষণে পরিবর্তনের জন্য একটি স্পষ্ট আহ্বান জানিয়েছিলেন। তিনি উল্লেখ করেছিলেন, সংস্কার হলো প্রাসঙ্গিকতার চাবিকাঠি।

কয়েক দশক ধরে ভারত যুক্তি দিয়ে আসছে, তারা জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হওয়ার যোগ্য। নয়াদিল্লি বলছে, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত ১৫-জাতির কাউন্সিল একবিংশ শতাব্দীতে তার উদ্দেশ্যের জন্য উপযুক্ত নয় এবং সমসাময়িক ভূ-রাজনৈতিক বাস্তবতাও প্রতিফলিত করে না।