ঢাকা ০৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক

শীত ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস

শীতের আভাস প্রকৃতিতে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে এসেছে। এরই মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের উপকূলে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

লঘুচাপের কিছুটা প্রভাবে তাপমাত্রা কমলেও এই মাসে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

২২ নভেম্বর শুক্রবার তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর মাসে শৈত্যপ্রবাহের নজির নেই। তবে তাপমাত্রা ইতিমধ্যে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। এটা আরেকটু কমতে পারে। কিন্তু এ মাসের বাকি দিনগুলোতে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বললেই চলে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদি ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর যদি তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে, তবে তা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হয় তখনই, যখন তাপমাত্রা থাকে ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে হয় অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এবার শীতের তীব্রতা খানিকটা বেশি হতে পারে।

শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামীকাল শনিবারের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা বলেন, এই লঘুচাপের প্রভাব সাধারণত শ্রীলঙ্কার উপকূলে পড়ে। বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব তেমনটা অনুভূত হয় না। তবে দূরবর্তী প্রভাব পড়তে পারে। তবে সেই প্রভাব এখনো বোঝা যাবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ

শীত ও শৈত্যপ্রবাহ নিয়ে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস

আপডেট সময় ০৭:১৫:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪

শীতের আভাস প্রকৃতিতে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাপমাত্রা কমতে শুরু করেছে। ইতিমধ্যে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে এসেছে। এরই মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে বাংলাদেশের উপকূলে এর বড় ধরনের প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন আবহাওয়াবিদেরা।

লঘুচাপের কিছুটা প্রভাবে তাপমাত্রা কমলেও এই মাসে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদ মুহাম্মদ আবুল কালাম মল্লিক।

২২ নভেম্বর শুক্রবার তিনি বলেন, সাধারণত নভেম্বর মাসে শৈত্যপ্রবাহের নজির নেই। তবে তাপমাত্রা ইতিমধ্যে ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে। এটা আরেকটু কমতে পারে। কিন্তু এ মাসের বাকি দিনগুলোতে শৈত্যপ্রবাহের আশঙ্কা নেই বললেই চলে।

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা যদি ৮ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হয়, তখন তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়। আর যদি তাপমাত্রা ৬ দশমিক ১ থেকে ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকে, তবে তা হয় মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হয় তখনই, যখন তাপমাত্রা থাকে ৪ দশমিক ১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে। আর তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে হয় অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ।

আবুল কালাম মল্লিক বলেন, এবার শীতের তীব্রতা খানিকটা বেশি হতে পারে।

শুক্রবার দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায়, ১৪ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীর তাপমাত্রা ১৮ দশমিক ৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়া অফিস জানাচ্ছে, আগামীকাল শনিবারের মধ্যে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা বলেন, এই লঘুচাপের প্রভাব সাধারণত শ্রীলঙ্কার উপকূলে পড়ে। বাংলাদেশের উপকূলে এর প্রভাব তেমনটা অনুভূত হয় না। তবে দূরবর্তী প্রভাব পড়তে পারে। তবে সেই প্রভাব এখনো বোঝা যাবে না।