ঢাকা ০৭:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা ইসলামপুর প্রেসক্লাবে ডেইলি বাংলাদেশ পোর্টালের সম্পাদক শাহিদকে সংবর্ধনা সাংবাদিক আলিফ হত্যার প্রতিবাদে দেওয়ানগঞ্জে মানববন্ধন জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে বিএনপি : সংসদ সদস্য শামীম তালুকদার প্রকৃতি রক্ষার বৈশ্বিক লক্ষ্য অর্জনের উপায় খুঁজতে আর্মেনিয়ায় জাতিসংঘ সম্মেলন শুরু ট্রাম্পের সমালোচনার মুখে উত্তেজনা প্রশমনে মার্কিন দূতদের সঙ্গে জেলেনস্কির আলোচনা জেলেনস্কির সমালোচনায় ট্রাম্প, রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিলের সিদ্ধান্তের পক্ষে সাফাই মাদারগঞ্জে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল বস্তুনিষ্ঠতা এবং পেশাদারিত্ব কালবেলাকে শীর্ষে নিয়ে গেছে : অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াহিয়া মামুন। জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব ও আত্মমর্যাদা রক্ষাই হবে আগামীর বাংলাদেশের মূল অঙ্গীকার : প্রধানমন্ত্রী

আম্বানিকে ছাড়িয়ে এশিয়ার শীর্ষ ধনী আদানি

গৌতম আদানি। ছবি: সংগৃহীত

গৌতম আদানি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমা পেলেন ভারতীয় ব্যবসায়ী গৌতম আদানি। ২০২৩ সালে সম্পদের র‌্যাংঙ্কিংয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি ফের শীর্ষস্থান দখল করেছেন। গত বছর মার্কিনভিত্তিক শর্ট সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর বড় ধরনের ধস নেমেছিল আদানির ব্যবসায়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমার পাশাপাশি আরও একটি সুখবর পেলেন আদানি। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, হিন্ডেনবার্গ মামলায় সিটের তদন্তের প্রয়োজন নেই। এই মামলায় এসইবিআই’র তদন্তের ওপরই ভরসা রাখার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। যার পর আদানিদের গোষ্ঠীর শেয়ার দ্রুতহারে বাড়তে থাকে।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুসারে আদানির মোট সম্পদ একদিনে ৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৯৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন হয়েছে। এর পরেই মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন গৌতম আদানি। ১৯৮০ সালে হীরা ব্যবসায়ী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন আদানি।

কর্পোরেট জালিয়াতির হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ অস্বীকার করা সত্ত্বেও, আদানি গোষ্ঠী গত বছর এক সময়ে বাজার মূল্যে ১৫০ বিলিয়নের বেশি হারায় এবং বিনিয়োগকারীদের, ঋণদাতাদের প্ররোচিত করতে, ঋণ পরিশোধ করতে এবং নিয়ন্ত্রক উদ্বেগগুলিকে প্রশমিত করতে কয়েক মাস ব্যয় করে। এই সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট স্থানীয় বাজার নিয়ন্ত্রককে তিন মাসের মধ্যে সমষ্টির তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পরে আদানি গ্রুপের স্টক বেড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি পাওয়ায় আদানিকে বলতেও শোনা গেছে, ‘সত্যের জয় হয়েছে’।

আদানি গ্রুপ পরবর্তী দশকে তার ব্যবসায় সবুজ রূপান্তরের জন্য ১০০ বিলিয়ন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কয়লা ব্যবসার বাইরে ডাটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নগর উন্নয়ন, বিমানবন্দর এবং মিডিয়াতে তার সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ প্রশস্ত করেছে।সূত্র:ইত্তেফাক।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

একজন দক্ষ কর্মী রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে : পুলিশ সুপার ফারাহানা

আম্বানিকে ছাড়িয়ে এশিয়ার শীর্ষ ধনী আদানি

আপডেট সময় ০৭:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৪
গৌতম আদানি। ছবি: সংগৃহীত

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমা পেলেন ভারতীয় ব্যবসায়ী গৌতম আদানি। ২০২৩ সালে সম্পদের র‌্যাংঙ্কিংয়ে অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তিনি ফের শীর্ষস্থান দখল করেছেন। গত বছর মার্কিনভিত্তিক শর্ট সেলার হিন্ডেনবার্গ রিসার্চের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসার পর বড় ধরনের ধস নেমেছিল আদানির ব্যবসায়।

এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, এশিয়ার শীর্ষ ধনীর তকমার পাশাপাশি আরও একটি সুখবর পেলেন আদানি। ভারতের সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, হিন্ডেনবার্গ মামলায় সিটের তদন্তের প্রয়োজন নেই। এই মামলায় এসইবিআই’র তদন্তের ওপরই ভরসা রাখার নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। যার পর আদানিদের গোষ্ঠীর শেয়ার দ্রুতহারে বাড়তে থাকে।

ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেক্স অনুসারে আদানির মোট সম্পদ একদিনে ৭ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার বেড়ে ৯৭ দশমিক ৬ বিলিয়ন হয়েছে। এর পরেই মুকেশ আম্বানিকে পেছনে ফেলে শীর্ষস্থান পুনরুদ্ধার করেছেন গৌতম আদানি। ১৯৮০ সালে হীরা ব্যবসায়ী হিসেবে যাত্রা শুরু করেছিলেন আদানি।

কর্পোরেট জালিয়াতির হিন্ডেনবার্গের অভিযোগ অস্বীকার করা সত্ত্বেও, আদানি গোষ্ঠী গত বছর এক সময়ে বাজার মূল্যে ১৫০ বিলিয়নের বেশি হারায় এবং বিনিয়োগকারীদের, ঋণদাতাদের প্ররোচিত করতে, ঋণ পরিশোধ করতে এবং নিয়ন্ত্রক উদ্বেগগুলিকে প্রশমিত করতে কয়েক মাস ব্যয় করে। এই সপ্তাহে সুপ্রিম কোর্ট স্থানীয় বাজার নিয়ন্ত্রককে তিন মাসের মধ্যে সমষ্টির তদন্ত শেষ করার নির্দেশ দেওয়ার পরে আদানি গ্রুপের স্টক বেড়েছে। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে স্বস্তি পাওয়ায় আদানিকে বলতেও শোনা গেছে, ‘সত্যের জয় হয়েছে’।

আদানি গ্রুপ পরবর্তী দশকে তার ব্যবসায় সবুজ রূপান্তরের জন্য ১০০ বিলিয়ন বিনিয়োগের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, কয়লা ব্যবসার বাইরে ডাটা সেন্টার, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, নগর উন্নয়ন, বিমানবন্দর এবং মিডিয়াতে তার সাম্রাজ্য বিস্তারের পথ প্রশস্ত করেছে।সূত্র:ইত্তেফাক।