ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

আমি চীনকে ধারণ করতে চাই না : বাইডেন

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১০ সেপ্টেম্বর জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি চীনকে ধারণ করতে চান না। ক্ষমতাধর এই দুই দেশ বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অধিকারের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে মুখোমুখী হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এমন কথা বলেন। খবর এএফপি’র।

বাইডেন বলেন, তিনি নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাত করেন এবং ‘স্থিতিশীলতা’ নিয়ে আলোচনা করেন। তবে এই সাক্ষাতের বিষয়টি হোয়াইট হাউস ঘোষণায় ছিল না।

প্রেসিডেন্ট হ্যানয়ে এই সাক্ষাতের কথা প্রকাশ করেন। সেখানে দিনের শুরুতে তিনি ভিয়েতনামের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার একটি চুক্তিতে সম্মত হন কারণ বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে ওয়াশিংটন এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে মিত্রদের নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করতে চায়।

ওয়াশিংটন এবং বেইজিং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। বাইডেন আন্তর্জাতিক শৃংঙ্খলাকে চীনের পক্ষে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালানোয় বেইজিংকে অভিযুক্ত করেছেন।

বাইডেন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বর্তমানে যে ইস্যুগুলো চলমান তার মধ্যে একটি হলো চীন বাণিজ্য এবং অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রে গেমের কিছু নিয়ম পরিবর্তন করতে শুরু করেছে।’

ওয়াশিংটন ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের সাথে কোয়াড সিকিউরিটি ডায়ালগ এবং ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার সাথে অকাস চুক্তিসহ দেশটির ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের অংশ হিসেবে জোট গঠনে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।

তবে তিনি জোরদিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনকে ধারণ করতে চাইছে না। তারা বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট মৌলিক নিয়ম প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

বাইডেন বলেন, ‘আমি চীনকে ধারণ করতে চাই না। আমি কেবলমাত্র এটা নিশ্চিত করতে চাই যে, চীনের সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক রয়েছে।’

আঞ্চলিক এবং অন্যান্য ইস্যুতে বেইজিং ও দিল্লির বাদানুবাদের কারণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জি-২০ সম্মেলন এড়িয়ে যান।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

আমি চীনকে ধারণ করতে চাই না : বাইডেন

আপডেট সময় ০৫:৪৫:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ১০ সেপ্টেম্বর জোর দিয়ে বলেছেন, তিনি চীনকে ধারণ করতে চান না। ক্ষমতাধর এই দুই দেশ বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য, নিরাপত্তা এবং অধিকারের ক্ষেত্রে ব্যাপকভাবে মুখোমুখী হওয়ার প্রেক্ষাপটে তিনি এমন কথা বলেন। খবর এএফপি’র।

বাইডেন বলেন, তিনি নয়াদিল্লিতে জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে চীনা প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সাথে সাক্ষাত করেন এবং ‘স্থিতিশীলতা’ নিয়ে আলোচনা করেন। তবে এই সাক্ষাতের বিষয়টি হোয়াইট হাউস ঘোষণায় ছিল না।

প্রেসিডেন্ট হ্যানয়ে এই সাক্ষাতের কথা প্রকাশ করেন। সেখানে দিনের শুরুতে তিনি ভিয়েতনামের সাথে সম্পর্ক জোরদার করার একটি চুক্তিতে সম্মত হন কারণ বেইজিংয়ের ক্রমবর্ধমান প্রভাবের মুখে ওয়াশিংটন এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরের চারপাশে মিত্রদের নেটওয়ার্ককে শক্তিশালী করতে চায়।

ওয়াশিংটন এবং বেইজিং আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে। বাইডেন আন্তর্জাতিক শৃংঙ্খলাকে চীনের পক্ষে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালানোয় বেইজিংকে অভিযুক্ত করেছেন।

বাইডেন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘বর্তমানে যে ইস্যুগুলো চলমান তার মধ্যে একটি হলো চীন বাণিজ্য এবং অন্যান্য বিষয়ের ক্ষেত্রে গেমের কিছু নিয়ম পরিবর্তন করতে শুরু করেছে।’

ওয়াশিংটন ভারত, অস্ট্রেলিয়া এবং জাপানের সাথে কোয়াড সিকিউরিটি ডায়ালগ এবং ব্রিটেন ও অস্ট্রেলিয়ার সাথে অকাস চুক্তিসহ দেশটির ইন্দো-প্যাসিফিক কৌশলের অংশ হিসেবে জোট গঠনে প্রচুর বিনিয়োগ করেছে।

তবে তিনি জোরদিয়ে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র চীনকে ধারণ করতে চাইছে না। তারা বরং সম্পর্কের ক্ষেত্রে সুস্পষ্ট মৌলিক নিয়ম প্রতিষ্ঠা করতে চাইছে।

বাইডেন বলেন, ‘আমি চীনকে ধারণ করতে চাই না। আমি কেবলমাত্র এটা নিশ্চিত করতে চাই যে, চীনের সাথে আমাদের একটি সম্পর্ক রয়েছে।’

আঞ্চলিক এবং অন্যান্য ইস্যুতে বেইজিং ও দিল্লির বাদানুবাদের কারণে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং জি-২০ সম্মেলন এড়িয়ে যান।