ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া ফাউন্ডেশনকে ডা. জুবাইদা রহমানের আহ্বান সাংবাদিক আবুল কাশেমের বাসায় চুরি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট! যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন: ৪৭০ আসন ও ১২ বিলিয়ন ডলারের লড়াই কেন্দুয়া ইউনিয়ন পরিষদ পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক জরায়ু কেটে ফেলার অভিযোগ, এম এ রশীদ হাসপাতালের দুই ডাক্তারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শেরপুরে এবার ধুম কাছিম উদ্ধার ও অবমুক্ত জাপান-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব হবে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির চালিকাশক্তি : প্রধানমন্ত্রী জামালপুরে সিডসের শিখন বিনিময় সফরে এসে সন্তুষ্ট কারিতাস দল

জামালপুর শহরে টিভি শোরুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আনুমানিক ক্ষতি ৪০ লাখ টাকা

জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে রহমান ইলেক্ট্রনিক্সের শোরুমে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে রহমান ইলেক্ট্রনিক্সের শোরুমে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম॥ জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে রহমান ইলেক্ট্রনিক্স ও রেফ্রিজারেটর নামের এলইডি টিভির শোরুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এতে অন্তত: পক্ষে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে শোরুমের মালিক পক্ষ দাবি করেছেন। ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাইরে থেকে শাটার তালাবদ্ধ রহমান ইলেক্ট্রনিক্সের শোরুমের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে স্থানীয়রা জামালপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন করেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা দুটি অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। শোরুমের চারটি শাটার খোলা মাত্রই সেখানে ধাউ ধাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। এতে আশপাশের আরো কয়েকটি শোরুম ও দোকানপাট আগুনের কবল থেকে রক্ষা পায়।

ওই শোরুমে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে শোরুম মালিক ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ ধারণা করছেন। শোরুমে থাকা এলইডি টিভি, রেফ্রিজারেটর ও অন্যান্য পণ্য পুড়ে ধ্বংস হয়ে অন্তত: পক্ষে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে শোরুমটির মালিক খন্দকার শামসুর রহমান দাবি করেছেন।

শোরুমটির মালিক খন্দকার শামসুর রহমান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১০টার দিকে শোরুম বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। আগুন লাগার খবর পেয়ে এসে দেখি আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে। অন্তত: ৪০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লাগতে পারে বলে তার ধারণা।

ঘটনাস্থলে থাকা জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, এই শোরুমে আগুন লাগার খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। আমাদের কর্মীরা খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আমাদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আশপাশের আরো কয়েকটি দোকান ও শোরুম আগুনের কবল থেকে রক্ষা পায়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত সাপেক্ষে তা পরে বলা যাবে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি

জামালপুর শহরে টিভি শোরুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, আনুমানিক ক্ষতি ৪০ লাখ টাকা

আপডেট সময় ০১:৫৭:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০২২
জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে রহমান ইলেক্ট্রনিক্সের শোরুমে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেয় ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম॥ জামালপুর শহরের শহীদ হারুন সড়কে রহমান ইলেক্ট্রনিক্স ও রেফ্রিজারেটর নামের এলইডি টিভির শোরুমে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এতে অন্তত: পক্ষে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে শোরুমের মালিক পক্ষ দাবি করেছেন। ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিসের অগ্নিনির্বাপণকর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১২টার দিকে বাইরে থেকে শাটার তালাবদ্ধ রহমান ইলেক্ট্রনিক্সের শোরুমের ভেতর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখে স্থানীয়রা জামালপুর ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে ফোন করেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা দুটি অগ্নিনির্বাপণ গাড়ি নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নেভানোর কাজে অংশ নেন। শোরুমের চারটি শাটার খোলা মাত্রই সেখানে ধাউ ধাউ করে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। প্রায় আধা ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। এতে আশপাশের আরো কয়েকটি শোরুম ও দোকানপাট আগুনের কবল থেকে রক্ষা পায়।

ওই শোরুমে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট হয়ে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে শোরুম মালিক ও ফায়ার সার্ভিস কর্তৃপক্ষ ধারণা করছেন। শোরুমে থাকা এলইডি টিভি, রেফ্রিজারেটর ও অন্যান্য পণ্য পুড়ে ধ্বংস হয়ে অন্তত: পক্ষে ৪০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে শোরুমটির মালিক খন্দকার শামসুর রহমান দাবি করেছেন।

শোরুমটির মালিক খন্দকার শামসুর রহমান বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, ১২ ডিসেম্বর দিবাগত রাত ১০টার দিকে শোরুম বন্ধ করে বাসায় চলে যাই। আগুন লাগার খবর পেয়ে এসে দেখি আমার সর্বনাশ হয়ে গেছে। অন্তত: ৪০ লাখ টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লাগতে পারে বলে তার ধারণা।

ঘটনাস্থলে থাকা জামালপুর ফায়ার সার্ভিসের জ্যেষ্ঠ স্টেশন কর্মকর্তা মো. রবিউল ইসলাম বাংলারচিঠিডটকমকে বলেন, এই শোরুমে আগুন লাগার খবর পেয়েই আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে আসি। আমাদের কর্মীরা খুবই অল্প সময়ের মধ্যে আগুন নেভাতে সক্ষম হয়। আমাদের দ্রুত পদক্ষেপের কারণে আশপাশের আরো কয়েকটি দোকান ও শোরুম আগুনের কবল থেকে রক্ষা পায়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লেগেছে বলে প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনই বলা যাচ্ছে না। তদন্ত সাপেক্ষে তা পরে বলা যাবে।