ঢাকা ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে অভিভাবকরা ও এলাকাবাসী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে অভিভাবকরা ও এলাকাবাসী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় স্বাক্ষর জালিয়াতি, ক্লাস ফাঁকি ও বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন অভিভাবক, এসএমসি সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।

এসময় ওই প্রধান শিক্ষককে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয় ওই প্রধান শিক্ষককে।

৮ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি ঘটেছে নিলাখিয়া ইউনিয়নের দাড়িয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে ক্লাস ফাঁকি, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাত, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সহকারী শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্থানীয় অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এমন অভিযোগ তুলে ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুস ছালাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ইন্তাজ আলী, অভিভাবক ফোটা মিয়া, মজনু মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া প্রমুখ।

পরে বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
দুপুর ১২টায় বকশীগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের নির্দেশে থানার উপপরিদর্শক ফয়জুর রহমান খবর পেয়ে আজাদ হোসেনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা আমাকে বিদ্যালয় থেকে সড়াতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তার বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশে হওয়ায় তিনি তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়েছেন এবং তিনি নিজে উপস্থিত থেকে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে অভিভাবকদের মানববন্ধন

আপডেট সময় ০৫:০২:৩৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
বকশীগঞ্জে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করে অভিভাবকরা ও এলাকাবাসী। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জিএম ফাতিউল হাফিজ বাবু, বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি, বাংলারচিঠিডটকম : জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলায় স্বাক্ষর জালিয়াতি, ক্লাস ফাঁকি ও বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন অভিভাবক, এসএমসি সদস্য ও শিক্ষার্থীরা।

এসময় ওই প্রধান শিক্ষককে দুই ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন স্থানীয় এলাকাবাসী। পরে পুলিশের সহযোগিতায় উদ্ধার করা হয় ওই প্রধান শিক্ষককে।

৮ সেপ্টেম্বর ঘটনাটি ঘটেছে নিলাখিয়া ইউনিয়নের দাড়িয়া পাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেন বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকে ক্লাস ফাঁকি, উপবৃত্তির টাকা আত্মসাত, বিদ্যালয়ের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ আত্মসাত, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি ও সহকারী শিক্ষকের স্বাক্ষর জাল করে বিদ্যালয় পরিচালনা করে আসছিলেন।

স্থানীয় অভিভাবক ও পরিচালনা কমিটির সদস্যরা এমন অভিযোগ তুলে ৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সাবেক প্রধান শিক্ষক আবদুস ছালাম, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সদস্য ইন্তাজ আলী, অভিভাবক ফোটা মিয়া, মজনু মিয়া, ইব্রাহিম মিয়া প্রমুখ।

পরে বিক্ষুব্ধ অভিভাবক ও এলাকাবাসী প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেনকে তার কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
দুপুর ১২টায় বকশীগঞ্জ থানার ওসি মুহাম্মদ তরিকুল ইসলামের নির্দেশে থানার উপপরিদর্শক ফয়জুর রহমান খবর পেয়ে আজাদ হোসেনকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে প্রধান শিক্ষক আজাদ হোসেন জানান, বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গোলাম মোস্তফা আমাকে বিদ্যালয় থেকে সড়াতে উঠেপড়ে লেগেছেন। তার বাড়ি বিদ্যালয়ের পাশে হওয়ায় তিনি তার আত্মীয় স্বজনদের দিয়ে আমার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করিয়েছেন এবং তিনি নিজে উপস্থিত থেকে আমাকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।