ঢাকা ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

জামালপুরে হিজড়াদের উন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে সভা

জামালপুর হিজড়াদের উন্নয়নে অভিভাবকদের সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুর হিজড়াদের উন্নয়নে অভিভাবকদের সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হিজড়াদের জীবনমানের উন্নয়নে কমিউনিটি ও অভিভাবকদের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ মার্চ জামালপুর পৌরসভার পলাশগড় মুন মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টিল কোম্পানী বিএসআরএম গ্রুপের অর্থায়নে এবং উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি নেতা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, অভিভাবক এবারত হোসেন, হিজড়া নেতা দেলোয়ার হোসেন দেলু, উন্নয়ন সংঘের প্রকল্প কর্মকর্তা আরজু আহম্মেদ প্রমুখ।

জানা যায়, হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৫০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৪ জন কর্মী নিয়োগ ছাড়াও ফোকাল পারসন ও হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে চাহিদা নিরুপণ নিশ্চিত করে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হবে। তাদের মাঝে সহজশর্তে ঋণ বিতরণসহ শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের চিন্তা করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংষ্কৃতি কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় হিজড়াদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করা হবে।

অভিভাবকরা দাবি করে বলেন সহজশর্তে ঋণের পরিমাণটা যেনো বাস্তসম্মত হয়। হিজড়াদের চলমান ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে সম্মানজনক পেশায় যেনো যুক্ত হতে পারে।

আপলোডকারীর তথ্য

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

জামালপুরে হিজড়াদের উন্নয়নে অভিভাবকদের সাথে সভা

আপডেট সময় ০৭:১৪:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৯ মার্চ ২০২২
জামালপুর হিজড়াদের উন্নয়নে অভিভাবকদের সভায় বক্তব্য রাখেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম : সমাজের সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠী হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় হিজড়াদের জীবনমানের উন্নয়নে কমিউনিটি ও অভিভাবকদের সাথে সভা অনুষ্ঠিত হয়। ৯ মার্চ জামালপুর পৌরসভার পলাশগড় মুন মেমোরিয়াল উচ্চবিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্টিল কোম্পানী বিএসআরএম গ্রুপের অর্থায়নে এবং উন্নয়ন সংঘের বাস্তবায়নাধীন অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য রাখেন কমিউনিটি নেতা ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, অভিভাবক এবারত হোসেন, হিজড়া নেতা দেলোয়ার হোসেন দেলু, উন্নয়ন সংঘের প্রকল্প কর্মকর্তা আরজু আহম্মেদ প্রমুখ।

জানা যায়, হিজড়াদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় জামালপুরে প্রাথমিকভাবে ২৫০ জন হিজড়াদের প্রকল্পের উপকারভোগী হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ৪ জন কর্মী নিয়োগ ছাড়াও ফোকাল পারসন ও হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ হিজড়াদের চলমান আয়ের উৎস এবং কর্মসংস্থানের জন্য বিদ্যমান সুযোগগুলো চিহ্নিত করে পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে বলে আয়োজক কর্তৃপক্ষ জানান। এ প্রকল্পের মাধ্যমে তাদের প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ করে চাহিদা নিরুপণ নিশ্চিত করে কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করা হবে। তাদের মাঝে সহজশর্তে ঋণ বিতরণসহ শিক্ষাগত যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি ও অন্যান্য সুবিধা প্রদানের চিন্তা করা হয়েছে। সরকারিভাবে আবাসন সুবিধা, পরিবারে তাদেরকে সংযুক্তি করা, সরকারি ভাতা নিশ্চিত করা, বিভিন্ন সামাজিক, ধর্মীয় ও সাংষ্কৃতি কর্মকাণ্ডে তাদের অংশগ্রহণ বৃদ্ধি করাসহ উন্নয়নের মূলস্রোতধারায় হিজড়াদের সম্পৃক্ত করার মাধ্যমে তাদের সম্মান ও মানবাধিকার সুরক্ষা করা হবে।

অভিভাবকরা দাবি করে বলেন সহজশর্তে ঋণের পরিমাণটা যেনো বাস্তসম্মত হয়। হিজড়াদের চলমান ভিক্ষাবৃত্তির পরিবর্তে সম্মানজনক পেশায় যেনো যুক্ত হতে পারে।