ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ২০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেবে সরকার : তথ্য প্রতিমন্ত্রী লটারির মাধ্যমে সাব-রেজিস্ট্রার বদলি ৬ অক্টোবর সরিষাবাড়ী উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজিম উদ্দিনের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত যানবাহন চালকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে জামালপুরে বিআরটিএ’র প্রশিক্ষণ কর্মশালা সরিষাবাড়ীতে অনলাইন জুয়ার ‘সম্রাট’ সবুজ গ্রেপ্তার দুর্গাপূজা : মাদারগঞ্জে আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত নকলায় পূজা মণ্ডপে জিআর চাল বিতরণ করলেন এমপি ডেঙ্গু প্রতিরোধে নকলায় মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শেরপুরে মাদকের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়ায় ছাত্রদল নেতার উপর হামলা : বিচার দাবি

জব্দকৃত আফগান অর্থের অর্ধেক ৯/১১ হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাইডেনের

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাবেক আফগান সরকারের যে ৭শ’ কোটি মার্কিন ডলার জব্দ করেছেন তার অর্ধেক তিনি ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চান। বাকি অর্ধেক খরচ করতে চান যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে চরম আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের সহায়তায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানদের ওই অর্থ স্থানীয় সময় ১১ ফেব্রুয়ারি এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে জমা থাকা ওই অর্থ আটকে দেওয়া হয়।

বাইডেনের অর্থ জব্দের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সিনিয়র একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, আফগানিস্তানের জব্দ করা অর্থের মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলার আফগানদের মানবিক সহায়তার জন্য গঠন করা তহবিলে যুক্ত করার অনুমতি চাইবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাকি অর্থ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ারে হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাখা হবে।

হোয়াইট হাউস থেকেও একই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, জব্দ করা আফগান অর্থ নিয়ে মার্কিন আদালতে মামলা চলছে। ৯/১১ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ওই অর্থ দাবি করে মামলাটি করেছিলেন। এ কারণে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ যুক্তরাষ্ট্রেই রাখা হবে।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে রাজধানী কাবুল দখল করে তালেবান। ওই মাসেই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যায় দেশটিতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অবস্থান করা মার্কিন সেনারা। এরপর তালেবান সরকার গঠন করে। তাদের পূর্বের মানিবাধিকার রেকর্ডের কারনে এখনও কোন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বীকৃতি দেয়নি।

এছাড়া কাবুলের পতনের পর শুধু যুক্তরাষ্ট্রই আফগানদের অর্থ আটক করেনি,আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সহায়তাও স্থগিত হয়ে পড়ে। এতে দেখা দিয়েছে চরম মানবিক বিপর্যয়। কারন দেশটিতে চলছে তীব্র খরা। সব মিলিয়ে চরম আর্থিক সংকটে আছেন আফগানরা।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

জব্দকৃত আফগান অর্থের অর্ধেক ৯/১১ হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের দেওয়ার সিদ্ধান্ত বাইডেনের

আপডেট সময় ০১:৩১:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২২

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক ❑ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন সাবেক আফগান সরকারের যে ৭শ’ কোটি মার্কিন ডলার জব্দ করেছেন তার অর্ধেক তিনি ৯/১১ সন্ত্রাসী হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে বিলিয়ে দিতে চান। বাকি অর্ধেক খরচ করতে চান যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানে চরম আর্থিক সংকটে থাকা মানুষের সহায়তায়।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আফগানদের ওই অর্থ স্থানীয় সময় ১১ ফেব্রুয়ারি এক নির্বাহী আদেশে স্বাক্ষরের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জব্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

আফগানিস্তানে তালেবানের ক্ষমতা দখলের পর নিউইয়র্কের ফেডারেল রিজার্ভে জমা থাকা ওই অর্থ আটকে দেওয়া হয়।

বাইডেনের অর্থ জব্দের সিদ্ধান্তের বিষয়ে সিনিয়র একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানান, আফগানিস্তানের জব্দ করা অর্থের মধ্যে ৩৫০ কোটি ডলার আফগানদের মানবিক সহায়তার জন্য গঠন করা তহবিলে যুক্ত করার অনুমতি চাইবেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। বাকি অর্থ ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে টুইন টাওয়ারে হামলায় ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাখা হবে।

হোয়াইট হাউস থেকেও একই তথ্য জানিয়ে বলা হয়েছে, জব্দ করা আফগান অর্থ নিয়ে মার্কিন আদালতে মামলা চলছে। ৯/১১ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিরা ওই অর্থ দাবি করে মামলাটি করেছিলেন। এ কারণে ৩৫০ কোটি মার্কিন ডলারের বেশি অর্থ যুক্তরাষ্ট্রেই রাখা হবে।

উল্লেখ্য, গত আগস্টে রাজধানী কাবুল দখল করে তালেবান। ওই মাসেই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যায় দেশটিতে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে অবস্থান করা মার্কিন সেনারা। এরপর তালেবান সরকার গঠন করে। তাদের পূর্বের মানিবাধিকার রেকর্ডের কারনে এখনও কোন দেশ আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের স্বীকৃতি দেয়নি।

এছাড়া কাবুলের পতনের পর শুধু যুক্তরাষ্ট্রই আফগানদের অর্থ আটক করেনি,আফগানিস্তানে আন্তর্জাতিক সহায়তাও স্থগিত হয়ে পড়ে। এতে দেখা দিয়েছে চরম মানবিক বিপর্যয়। কারন দেশটিতে চলছে তীব্র খরা। সব মিলিয়ে চরম আর্থিক সংকটে আছেন আফগানরা।