ঢাকা ০৮:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে : তথ্য প্রতিমন্ত্রী স্কুলজীবনে শিক্ষকদের স্মৃতি : শাহ মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ছাগল পেল ১২০ পরিবার মিডিয়া শক্তিশালী হলেই গণতন্ত্র শক্তিশালী হয় : মির্জা ফখরুল রাষ্ট্র পরিচালনা সম্পর্কে জনগণের সঠিক ধারণা নির্ভর করে গণমাধ্যমের ওপর : তথ্যমন্ত্রী কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত

এক নারীর মৃত্যুতে মেলান্দহের আদিপৈতে ২০ বাড়ি লকডাউন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় জ্বর, বমি ও মাথাব্যথা উপসর্গ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। লকডাউন ঘোষিত এলাকায় ওই মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে সন্দেহ দেখা দিলে ৭ এপ্রিল রাত দশটায় তার নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর আগে বিকেলে উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকি গ্রামে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে মারা যান ওই নারী।

রাতে ওই নারীর মরদেহের দাফন স্বামীর বাড়ি মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে হওয়ায় সেখানে ২০টি বাড়ি লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। লকডাউনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ওসি মো. রেজাউল ইসলাম খান।

মৃতের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৩৫ বছর বয়স্ক ওই নারী মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে তার স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। দশদিন আগে তিনি একই উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকি গ্রামে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ভাবকির ওই বাড়িতেই তিনি জ্বর, বমি ও মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন।

৭ এপ্রিল বিকেল ৩টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে মেলান্দহ উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। পরে স্বজনরা তার মরদেহ দাফনের জন্য স্বামীর বাড়ি মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে নিয়ে যান।

৬ এপ্রিল করোনা সন্দেহপ্রবণ চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। ফলে ওই ইউনিয়নে ওই নারীর মৃত্যুতে করোনায় মৃত্যুর কথা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাত দশটার দিকে তার নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাকে দাফনের অনুমতি দেয়। রাত ১১টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই নারী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংগ্রহ করা নমুনা ৮ এপ্রিল ময়মনসিংহে পাঠানো হবে। সকল নিয়ম অনুসরণ করেই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মূল্যায়ন ও পুনর্বাসন সরকারের পবিত্র দায়িত্ব : প্রধানমন্ত্রী

এক নারীর মৃত্যুতে মেলান্দহের আদিপৈতে ২০ বাড়ি লকডাউন

আপডেট সময় ১২:৩৮:০৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২০

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের মেলান্দহ উপজেলায় জ্বর, বমি ও মাথাব্যথা উপসর্গ নিয়ে এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। লকডাউন ঘোষিত এলাকায় ওই মৃত্যুর ঘটনায় জনমনে সন্দেহ দেখা দিলে ৭ এপ্রিল রাত দশটায় তার নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। এর আগে বিকেলে উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকি গ্রামে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে মারা যান ওই নারী।

রাতে ওই নারীর মরদেহের দাফন স্বামীর বাড়ি মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে হওয়ায় সেখানে ২০টি বাড়ি লকডাউন করেছে স্থানীয় প্রশাসন। লকডাউনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মেলান্দহ থানার ওসি মো. রেজাউল ইসলাম খান।

মৃতের পরিবার ও গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, ৩৫ বছর বয়স্ক ওই নারী মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে তার স্বামীর বাড়িতে থাকতেন। দশদিন আগে তিনি একই উপজেলার চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়নের ভাবকি গ্রামে তার ভগ্নিপতির বাড়িতে বেড়াতে আসেন। ভাবকির ওই বাড়িতেই তিনি জ্বর, বমি ও মাথাব্যথায় আক্রান্ত হন।

৭ এপ্রিল বিকেল ৩টার দিকে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে স্বজনরা তাকে মেলান্দহ উপজেলা হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান। পরে স্বজনরা তার মরদেহ দাফনের জন্য স্বামীর বাড়ি মেলান্দহ পৌরসভার আদিপৈত গ্রামে নিয়ে যান।

৬ এপ্রিল করোনা সন্দেহপ্রবণ চরবানিপাকুরিয়া ইউনিয়ন লকডাউন ঘোষিত হয়েছে। ফলে ওই ইউনিয়নে ওই নারীর মৃত্যুতে করোনায় মৃত্যুর কথা ছড়িয়ে পড়ে। পরে রাত দশটার দিকে তার নমুনা সংগ্রহ করে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ তাকে দাফনের অনুমতি দেয়। রাত ১১টায় তার দাফন সম্পন্ন হয়েছে।

মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা চিকিৎসক মো. ফজলুল হক এ প্রতিবেদককে বলেন, ওই নারী করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ছিলেন কিনা তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংগ্রহ করা নমুনা ৮ এপ্রিল ময়মনসিংহে পাঠানো হবে। সকল নিয়ম অনুসরণ করেই মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।