ঢাকা ০৮:২৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪ বাংলাদেশের ৫ অগ্রাধিকার খাতে জাপানি বিনিয়োগের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন শহরে রূপান্তর করতে চাই : প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনকে ‘বৈশ্বিক স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা’ ঘোষণার আহ্বান ল্যানসেটের দুর্নীতি ও দাবানল মোকাবিলায় ব্যর্থতার প্রতিবাদে ইন্দোনেশিয়ায় বিক্ষোভ ঐতিহাসিক ২৮ অক্টোবর উপলক্ষে শেরপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ জামালপুরে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল, সমাবেশ নিরাপদ সড়কের জন্য রোড-শো গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অঙ্গীকারের প্রশংসা করলেন তাকাইচি ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ মোকাবিলায় ভারতে লোকজনকে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

স্ক্রীনিং ছাড়া কেউই দেশে প্রবেশ করছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে স্ক্রীনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রীনিং মেশিন বসানো হয়েছে।

৩০ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রার্দুভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ টি স্ক্রীনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রীনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরী হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতংকিত হবার কোন কারণ নেই। করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’

দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই আমাদের চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল কবীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক চিকিৎসক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শেরপুরে বাস-সিএনজি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪

স্ক্রীনিং ছাড়া কেউই দেশে প্রবেশ করছে না : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৭:০১:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২০

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সতর্কতার অংশ হিসেবে এই মুহূর্তে স্ক্রীনিং করা ছাড়া কাউকেই দেশে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না। বিদেশ ফেরত সকল ফ্লাইটের যাত্রীদের জন্য প্রবেশ গেটে স্ক্রীনিং মেশিন বসানো হয়েছে।

৩০ জানুয়ারি দুপুরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ডা. মিলন হলে বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটি কর্তৃক আয়োজিত বিশ্বব্যাপী নভেল করোনা ভাইরাস-এর প্রার্দুভাব সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য মন্ত্রী আরও বলেন, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৩ টি স্ক্রীনিং মেশিন রাখা আছে। এর একটি ভিআইপি প্রবেশ দ্বারে, একটি সাধারণ প্রবেশ দ্বারে এবং অন্যটি স্ট্যান্ড বাই রাখা হয়েছে। একই ভাবে দেশের অন্যান্য স্থল, নৌ বন্দরেও স্ক্রীনিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এরপরও বিমানবন্দর সংলগ্ন কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতলে একটি আলাদা আইসোলেটেড কেবিন প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

জাহিদ মালেক বলেন, ‘বিমানবন্দরে প্রতিটি যাত্রীর জন্য একটি করে করোনা ভাইরাস নির্দেশিকা গাইড রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে জরুরী হটলাইন মোবাইল নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুতরাং করোনা ভাইরাস নিয়ে এই মুহুর্তে আমাদের আতংকিত হবার কোন কারণ নেই। করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করতে সরকার পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।’

দেশের চিকিৎসকদের প্রতি পূর্ণ আস্থা আছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ডেঙ্গুর সময় আমাদের চিকিৎসকরা যেভাবে সফলতা দেখিয়েছে, তা বিশ্বে বিরল। করোনা ভাইরাস চিকিৎসায় দেশের মেডিসিন সোসাইটি আগে থেকেই যেরকম প্রস্তুতি নিয়েছে এবং চিকিৎসকদের ভাইরাসটির চিকিৎসা নিয়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে যাচ্ছে তাতে দেশের চিকিৎসকদের প্রতি আমাদের আস্থা ও বিশ্বাস বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসার সকল ক্ষেত্রেই আমাদের চিকিৎসকদের এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।

বাংলাদেশ মেডিসিন সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর আহমেদুল কবীরের সভাপতিত্বে সভায় স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব মো. আসাদুল ইসলাম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রফেসর আবুল কালাম আজাদ, স্বাচিপ মহাসচিব অধ্যাপক চিকিৎসক মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। সভায় মূল প্রবন্ধ তুলে ধরেন প্রফেসর তারিকুল ইসলাম, স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রফেসর রোবেদ আমীন।সূত্র:বাসস।