ঢাকা ০৪:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রী

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সময়ক্ষেপণের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, বাস্তুচ্যুত মানুষকে তাদের নিজ ভূমি রাখাইনে ফেরত পাঠাতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে।

২৬ নভেম্বর ঢাকায় এক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মিয়ানমার অভিযোগ করেছে ঢাকার কালক্ষেপণের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্ব হচ্ছে। এটি কি অপপ্রচার নয়? আমরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর জন্য প্রস্তুত রয়েছি। যখনই তারা চাইবে, যখনই মিয়ানমার চাইবে তখনই আমরা সোজা রোহিঙ্গাদেও ফেরত পাঠিয়ে দেব।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত ভিত্তিহীন, অসত্য এবং মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সপ্তাহে দেয়া একটি বিবৃতি দেন এবং মিয়ানমারকে সংঘবদ্ধ অভিযান বন্ধ করতে বলেন।

মোমেন বলেন, মিয়ানমার অভিযোগ করেছে যে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমরা এটি সম্ভবপর করতে আমাদের সকল চেষ্টা রেখেছি।

রোহিঙ্গা শিবিরগুলো মিয়ানমারের এক প্রতিনিধিদলের সম্ভাব্য পরিদর্শনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারের প্রতিনিদলের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরিদর্শনে স্বাগত জানায় যাতে তারা রাখাইনে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারে।

মোমেন বলেন, আমরা সর্বদা উন্মুক্ত। যদি তারা আসতে চায়, তারা স্বাগত। তারা যদি রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা সৃষ্টি করতে পারে। তাদের স্বাগত জানাই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার কতৃপক্ষ রোহিঙ্গা সঙ্কট তৈরি করেছে এবং কেবলমাত্র মিয়ানমারই এর সমাধান করতে পারে।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারকে বিশ্বাস করছে না উল্লেখ করে মোমেন বলেন, যদিও নেপিডো দাবি করেছেন রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সুতরাং তাদের (মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের) রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আস্থা স্থাপনের জন্য (সহায়ক পরিবেশের বিষয়ে) অহরহই কথা বলতে হবে।

বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১১ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই মিয়ানমারে এক সামরিক অভিযানের পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এসে পৌঁছায়। জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং ‘গণহত্যা’ বলে অবহিত করেছে।সূত্র:বাসস।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য প্রস্তুত রয়েছে: পররাষ্ট্র মন্ত্রী

আপডেট সময় ১০:২৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর ২০১৯

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক : পররাষ্ট্র মন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সময়ক্ষেপণের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে বলেছেন, বাস্তুচ্যুত মানুষকে তাদের নিজ ভূমি রাখাইনে ফেরত পাঠাতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে।

২৬ নভেম্বর ঢাকায় এক সম্মেলনে অংশগ্রহণ শেষে তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, মিয়ানমার অভিযোগ করেছে ঢাকার কালক্ষেপণের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন বিলম্ব হচ্ছে। এটি কি অপপ্রচার নয়? আমরা প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া শুরুর জন্য প্রস্তুত রয়েছি। যখনই তারা চাইবে, যখনই মিয়ানমার চাইবে তখনই আমরা সোজা রোহিঙ্গাদেও ফেরত পাঠিয়ে দেব।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের বিষয়ে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে আনা সমস্ত ভিত্তিহীন, অসত্য এবং মিথ্যা অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ সপ্তাহে দেয়া একটি বিবৃতি দেন এবং মিয়ানমারকে সংঘবদ্ধ অভিযান বন্ধ করতে বলেন।

মোমেন বলেন, মিয়ানমার অভিযোগ করেছে যে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রস্তুত নয়। কিন্তু বাস্তবতা হলো আমরা এটি সম্ভবপর করতে আমাদের সকল চেষ্টা রেখেছি।

রোহিঙ্গা শিবিরগুলো মিয়ানমারের এক প্রতিনিধিদলের সম্ভাব্য পরিদর্শনের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব সময় মিয়ানমারের প্রতিনিদলের কক্সবাজারে রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরিদর্শনে স্বাগত জানায় যাতে তারা রাখাইনে নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণভাবে প্রত্যাবাসনে রোহিঙ্গাদের মাঝে বিশ্বাস সৃষ্টি করতে পারে।

মোমেন বলেন, আমরা সর্বদা উন্মুক্ত। যদি তারা আসতে চায়, তারা স্বাগত। তারা যদি রোহিঙ্গাদের মাঝে আস্থা সৃষ্টি করতে পারে। তাদের স্বাগত জানাই।

পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, মিয়ানমার কতৃপক্ষ রোহিঙ্গা সঙ্কট তৈরি করেছে এবং কেবলমাত্র মিয়ানমারই এর সমাধান করতে পারে।

রোহিঙ্গারা মিয়ানমারকে বিশ্বাস করছে না উল্লেখ করে মোমেন বলেন, যদিও নেপিডো দাবি করেছেন রাখাইন রাজ্যের অভ্যন্তরে অনুকূল পরিবেশ তৈরি হয়েছে। সুতরাং তাদের (মিয়ানমারের কর্মকর্তাদের) রোহিঙ্গাদের সঙ্গে আস্থা স্থাপনের জন্য (সহায়ক পরিবেশের বিষয়ে) অহরহই কথা বলতে হবে।

বাংলাদেশ কক্সবাজার জেলায় প্রায় ১১ লাখ জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা আশ্রয় দিয়েছে। তাদের বেশিরভাগই মিয়ানমারে এক সামরিক অভিযানের পর ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট থেকে এসে পৌঁছায়। জাতিসংঘসহ অন্যান্য মানবাধিকার সংগঠনগুলো একে ‘জাতিগত নির্মূলের প্রকৃষ্ট উদাহরণ’ এবং ‘গণহত্যা’ বলে অবহিত করেছে।সূত্র:বাসস।