ঢাকা ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী : মানবিক ও নিরাপদ দেশ গড়ার আহ্বান আগামীকাল ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস একটি অসহায় পরিবারের পাশে শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা দুর্গম যমুনার চরে হেকমত আতঙ্কে অবরুদ্ধ অসহায় এক পরিবার শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী

ইসলামপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্মমানের লাচ্ছা সেমাই

ইসলামপুর : অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে নিম্মমানের লাচ্ছা সেমাই। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

ঈদ সামনে এলেই ব্যস্ত হয়ে উঠে সেমাই কারখানাগুলো। কিন্তু সেই ব্যস্ততার আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি, তবে তা হয়ে উঠে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

পঁচা ডিম, পশুর চর্বি বা এনিমেল ফ্যাট, কৃত্রিম ঘি, নিম্নমানের পামওয়েল ও ডালডা ব্যবহার করে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন চলছে পুরোদমে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে এসব লাচ্ছা সেমাই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই। এগুলো বাজারজাত করারও অভিযোগ রয়েছে।

জামালপুরের মেলান্দহ ও ইসলামপুর উপজেলার সংলগ্ন বীর হাতিজা মোড় এলাকায় থিতি মনি ফুড বেকারি নামের ট্রেড লাইসেন্সধারী সোহলী শেখের পুত্র বাবুল মিয়া বলেন, ১১ বছর ধরে এভাবেই ব্যবসা করছি। কোন সমস্যা নেই। সব জায়গায় ম্যানেজ করেই চলি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই এসব সেমাই খোলা অবস্থায় ও পলি প্যাকেটে বিক্রির জন্য বাজারজাত করে আসছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। মানুষের খাওয়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এসব লাচ্ছা সেমাই শহরের চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও পাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে অবাধে পাঠানো হচ্ছে। ভেজালবিরোধী অভিযান শিথিল হয়ে পড়ায় অধিক মুনাফার আশায় এসব লাচ্ছা সেমাইতে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যবহারের অনুপযোগী নিম্নমানের ময়দা, পামতেলসহ পোড়া তেল।

নিয়ম অনুযায়ী সেমাই তৈরির কারখানায় পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মানসম্মত কাঁচামাল এবং শ্রমিকদের বিশেষ পোশাক, হেডকভার ও গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অথচ অধিকাংশ কারখানায় এর কোনো বালাই নেই। ঘামভেজা শরীরেই শ্রমিকেরা কাজ করছেন।

ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার এ এ এম আবু তাহের এ প্রতিবেদককে বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার খেলে পেটের পীড়া, ডায়রিয়া, খাদ্যবিষক্রিয়া, এমনকি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকিও বেশি থাকে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরি বিষয়ে মেলান্দহ স্যানিটারি পরিদর্শক রাবেয়া বেগম এ প্রতিবেদককে বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের তেল ব্যবহার করে সেমাই তৈরি করার বিষয়টি জানি। তাকে সতর্ক করেছি। তবে তার অনুমোদিত কোন সনদ নেই। তবে আপনি লেখেন। লেখলে আমার সুবিধা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর বাণী : সিপাহি-জনতার বিপ্লব বাংলাদেশের পথ নির্ধারণ করেছিল

ইসলামপুরে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি হচ্ছে নিম্মমানের লাচ্ছা সেমাই

আপডেট সময় ১০:৩০:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

ঈদ সামনে এলেই ব্যস্ত হয়ে উঠে সেমাই কারখানাগুলো। কিন্তু সেই ব্যস্ততার আড়ালে যদি লুকিয়ে থাকে ভেজাল, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ আর স্বাস্থ্যঝুঁকি, তবে তা হয়ে উঠে জনস্বাস্থ্যের জন্য বড় হুমকি।

পঁচা ডিম, পশুর চর্বি বা এনিমেল ফ্যাট, কৃত্রিম ঘি, নিম্নমানের পামওয়েল ও ডালডা ব্যবহার করে অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে লাচ্ছা সেমাই উৎপাদন চলছে পুরোদমে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি করা হচ্ছে এসব লাচ্ছা সেমাই বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই। এগুলো বাজারজাত করারও অভিযোগ রয়েছে।

জামালপুরের মেলান্দহ ও ইসলামপুর উপজেলার সংলগ্ন বীর হাতিজা মোড় এলাকায় থিতি মনি ফুড বেকারি নামের ট্রেড লাইসেন্সধারী সোহলী শেখের পুত্র বাবুল মিয়া বলেন, ১১ বছর ধরে এভাবেই ব্যবসা করছি। কোন সমস্যা নেই। সব জায়গায় ম্যানেজ করেই চলি।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বিএসটিআইয়ের অনুমোদন ছাড়াই এসব সেমাই খোলা অবস্থায় ও পলি প্যাকেটে বিক্রির জন্য বাজারজাত করে আসছেন অসাধু ব্যবসায়ীরা। মানুষের খাওয়ার জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এসব লাচ্ছা সেমাই শহরের চাহিদা মিটিয়ে স্থানীয় হাট-বাজার ছাড়াও পাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলা শহরে অবাধে পাঠানো হচ্ছে। ভেজালবিরোধী অভিযান শিথিল হয়ে পড়ায় অধিক মুনাফার আশায় এসব লাচ্ছা সেমাইতে ব্যবহার করা হচ্ছে ব্যবহারের অনুপযোগী নিম্নমানের ময়দা, পামতেলসহ পোড়া তেল।

নিয়ম অনুযায়ী সেমাই তৈরির কারখানায় পর্যাপ্ত আলো-বাতাস, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশ, মানসম্মত কাঁচামাল এবং শ্রমিকদের বিশেষ পোশাক, হেডকভার ও গ্লাভস ব্যবহার বাধ্যতামূলক। অথচ অধিকাংশ কারখানায় এর কোনো বালাই নেই। ঘামভেজা শরীরেই শ্রমিকেরা কাজ করছেন।

ইসলামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার এ এ এম আবু তাহের এ প্রতিবেদককে বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি খাবার খেলে পেটের পীড়া, ডায়রিয়া, খাদ্যবিষক্রিয়া, এমনকি দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক জটিলতাও দেখা দিতে পারে। শিশু ও বয়স্কদের ঝুঁকিও বেশি থাকে।

অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে সেমাই তৈরি বিষয়ে মেলান্দহ স্যানিটারি পরিদর্শক রাবেয়া বেগম এ প্রতিবেদককে বলেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে নিম্নমানের তেল ব্যবহার করে সেমাই তৈরি করার বিষয়টি জানি। তাকে সতর্ক করেছি। তবে তার অনুমোদিত কোন সনদ নেই। তবে আপনি লেখেন। লেখলে আমার সুবিধা হবে।