ঢাকা ০৫:১৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামালপুর জেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল জামালপুরে খবরের কাগজ বন্ধুজনের সভা অনুষ্ঠিত দেওয়ানগঞ্জে ৩০০ পরিবার পেল জাকাত ফাউন্ডেশন অব আমেরিকার খাদ্য সহায়তা নৈরাজ্যের প্রতিবাদে ইসলামপুরে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল শেরপুরে জাতীয়তাবাদী সমবায় দলের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত একনেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকার মেট্রোরেলের ৩ প্রকল্পসহ ১২ প্রকল্প অনুমোদন জাতীয় গ্রিডে দিনে আরো ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু : জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী ৭ দফা দাবি বাস্তবায়নে জামালপুরে দলিল লেখক সমিতির সমাবেশ অনুষ্ঠিত বকশীগঞ্জের লাউচাপড়া পর্যটন কেন্দ্রের উন্নয়নে কনসালটেন্ট সভা অনুষ্ঠিত কুলকান্দিতে ইউনিয়ন বিএনপিরকর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

মামলা থেকে খালাস পেলেন সাংবাদিক মম ও তার পরিবার

সরিষাবাড়ী : মামলা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়ার পর আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মম। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

প্রতিপক্ষের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন কবি ও সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মমসহ তার পরিবার। ২৪ জুন, মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিন মামলার সকল আসামিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে গেছে, সরিষাবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের হায়েত আলী বাদী হয়ে ওই একই গ্রামের একমাত্র সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মমসহ তার বড় ভাই, তিনবোন ও মাকে আসামি করে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার সিআর ৩০৮(১)১৫ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ওই মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন আসার পর মামলাটি বদলি হয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সিজেএম ২২৯/১৬ নম্বর মোকদ্দমায় পরিণত হয়।

মোকদ্দমাটির দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলার বাদী রাষ্ট্রপক্ষের আসামিদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ২৪ জুন সকল আসামিকে উক্ত মামলা ওই মামলা থেকে বেকসুর খালাসের রায় দেন বিচারক।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মম এ প্রতিবেদককে বলেন, হায়েত আলী আমার গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তিকে খুশি করতে আমাকেসহ আমার বড় ভাই, বোন ও মাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে আমার ও আমার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে নানাভাবে হয়রানি করেছেন। ওই মামলায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আমার ও আমার ভাই-বোন, মায়ের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন। এতে আদালত আমাদের বেকসুর খালাস দেন। সেইসাথে তিনি ন্যায় বিচার পেয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মম’র আইনজীবী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এ প্রতিবেদককে বলেন, ন্যায়বিচার পেয়ে আমরা খুশি। আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

অপরদিকে জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তরফদার এ প্রতিবেদককে বলেন, সংখ্যালঘু সাংবাদিক পরিবারের প্রতি সংশ্লিষ্ট আদালতের ন্যায়বিচারই প্রমাণ করে জামালপুর জেলায় এখন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।

জামালপুর জেলা যুবদলের প্রতিবাদ মিছিল

মামলা থেকে খালাস পেলেন সাংবাদিক মম ও তার পরিবার

আপডেট সময় ০৯:৩৮:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ জুন ২০২৫

প্রতিপক্ষের দায়ের করা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় বেকসুর খালাস পেয়েছেন কবি ও সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মমসহ তার পরিবার। ২৪ জুন, মঙ্গলবার দুপুরে জামালপুরের মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিন মামলার সকল আসামিকে বেকসুর খালাসের আদেশ দেন।

মামলা সূত্রে গেছে, সরিষাবাড়ী উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের হায়েত আলী বাদী হয়ে ওই একই গ্রামের একমাত্র সংখ্যালঘু হিন্দু পরিবারের সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মমসহ তার বড় ভাই, তিনবোন ও মাকে আসামি করে ২০১৫ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর, সোমবার সিআর ৩০৮(১)১৫ মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে ওই মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন আসার পর মামলাটি বদলি হয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতে সিজেএম ২২৯/১৬ নম্বর মোকদ্দমায় পরিণত হয়।

মোকদ্দমাটির দীর্ঘ বিচারিক কার্যক্রম শেষে মামলার বাদী রাষ্ট্রপক্ষের আসামিদের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রমাণ করতে ব্যর্থ হওয়ায় ২৪ জুন সকল আসামিকে উক্ত মামলা ওই মামলা থেকে বেকসুর খালাসের রায় দেন বিচারক।

এ ব্যাপারে সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মম এ প্রতিবেদককে বলেন, হায়েত আলী আমার গ্রামের প্রভাবশালী এক ব্যক্তিকে খুশি করতে আমাকেসহ আমার বড় ভাই, বোন ও মাকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করে আমার ও আমার পরিবারের অপূরণীয় ক্ষতিসাধন করে নানাভাবে হয়রানি করেছেন। ওই মামলায় বাদী ও রাষ্ট্রপক্ষ আমার ও আমার ভাই-বোন, মায়ের বিরুদ্ধে স্বাক্ষ্য প্রমাণ দিতে ব্যর্থ হন। এতে আদালত আমাদের বেকসুর খালাস দেন। সেইসাথে তিনি ন্যায় বিচার পেয়ে মুখ্য বিচারিক হাকিমের আদালতের বিচারক মো. জসিম উদ্দিনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

সাংবাদিক প্রদীপ চন্দ্র মম’র আইনজীবী মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ এ প্রতিবেদককে বলেন, ন্যায়বিচার পেয়ে আমরা খুশি। আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন তিনি।

অপরদিকে জেলা আইনজীবী সমিতির আইনজীবী মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম তরফদার এ প্রতিবেদককে বলেন, সংখ্যালঘু সাংবাদিক পরিবারের প্রতি সংশ্লিষ্ট আদালতের ন্যায়বিচারই প্রমাণ করে জামালপুর জেলায় এখন ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হচ্ছে।