ঢাকা ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

ইরান, ইয়েমেন ও লেবাননে ‘রক্তপাতের’ বিরুদ্ধে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাতে ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ইরানের বিভিন্ন নগরী ও বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। তেহরান থেকে এএফপি’র সাংবাদিক ও রাষ্ট্রীয় এখবর গণমাধ্যম জানিয়েছে।

সরকারী সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, কর্তৃপক্ষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর আন্দোলনের সমর্থনে এবং ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী শাসকের বর্বর হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানসহ ইরানের অন্যান্য শহরগুলোতে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী যারা ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী হামাসের সমর্থনে ইসরাইল এবং মার্কিন বাহিনীকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে হিজবুল্লাহ হল প্রতিরোধের অক্ষের অংশ।

এই জোটে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও রয়েছে যারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের একদিন পর শুক্রবার রাজধানী সানায় কয়েক হাজার লোকের বিক্ষোভের আয়োজন করে।

এএফপি’র একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন তেহরানে জুমার নামাজের পর শহরের কেন্দ্রস্থলে এঙ্গেলাব স্কয়ারের চারপাশে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর প্রতিকৃতির পাশাপাশি ফিলিস্তিনি ও হিজবুল্লাহর পতাকা বহন করে।

তারা, ‘ইসরায়েল ধ্বংস হোক। লেবাননের জয় হোক,’ স্লোগান দেয়।

বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাও পুড়িয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সেমনান, কোম, কাশান, কেরমানশাহ, শিরাজ এবং বন্দর আব্বাসে বিভিন্ন বিক্ষোভের ফুটেজ সম্প্রচার করেছে।

গত এক দশক ধরে ইরান-সমর্থিত হুথিদের দখলে থাকা সানায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হয়। এদেরে মধ্যে অনেকে রাইফেল এবং প্ল্যাকার্ড নেড়ে বিক্ষোভ করে।

ইসরায়েলের মিত্র দেশ বাহরাইনে বিক্ষোভ মিছিলের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও গাজা যুদ্ধ এবং লেবাননে বোমা হামলার নিন্দা জানিয়ে দুুটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

ইরান, ইয়েমেন ও লেবাননে ‘রক্তপাতের’ বিরুদ্ধে লাখো মানুষের বিক্ষোভ

আপডেট সময় ০৬:০৮:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

লেবানন ও গাজায় ইসরায়েলি হামলার নিন্দা জানাতে ২৭ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ইরানের বিভিন্ন নগরী ও বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত ইয়েমেনের রাজধানীতে লক্ষ লক্ষ মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে। তেহরান থেকে এএফপি’র সাংবাদিক ও রাষ্ট্রীয় এখবর গণমাধ্যম জানিয়েছে।

সরকারী সংবাদ সংস্থা ইরনা জানায়, কর্তৃপক্ষের আহ্বানে সাড়া দিয়ে ২৫ সেপ্টেম্বর বুধবার লেবাননে ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহর আন্দোলনের সমর্থনে এবং ফিলিস্তিনে ইহুদিবাদী শাসকের বর্বর হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরানসহ ইরানের অন্যান্য শহরগুলোতে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী যারা ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী হামাসের সমর্থনে ইসরাইল এবং মার্কিন বাহিনীকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে হিজবুল্লাহ হল প্রতিরোধের অক্ষের অংশ।

এই জোটে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরাও রয়েছে যারা ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের একদিন পর শুক্রবার রাজধানী সানায় কয়েক হাজার লোকের বিক্ষোভের আয়োজন করে।

এএফপি’র একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন তেহরানে জুমার নামাজের পর শহরের কেন্দ্রস্থলে এঙ্গেলাব স্কয়ারের চারপাশে বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বিক্ষোভকারীরা হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর প্রতিকৃতির পাশাপাশি ফিলিস্তিনি ও হিজবুল্লাহর পতাকা বহন করে।

তারা, ‘ইসরায়েল ধ্বংস হোক। লেবাননের জয় হোক,’ স্লোগান দেয়।

বিক্ষোভকারীরা ইসরায়েল ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পতাকাও পুড়িয়েছে।

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন সেমনান, কোম, কাশান, কেরমানশাহ, শিরাজ এবং বন্দর আব্বাসে বিভিন্ন বিক্ষোভের ফুটেজ সম্প্রচার করেছে।

গত এক দশক ধরে ইরান-সমর্থিত হুথিদের দখলে থাকা সানায় হাজার হাজার বিক্ষোভকারী সমবেত হয়। এদেরে মধ্যে অনেকে রাইফেল এবং প্ল্যাকার্ড নেড়ে বিক্ষোভ করে।

ইসরায়েলের মিত্র দেশ বাহরাইনে বিক্ষোভ মিছিলের উপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা সত্বেও গাজা যুদ্ধ এবং লেবাননে বোমা হামলার নিন্দা জানিয়ে দুুটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।