ঢাকা ০৩:১৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশি জাহাজের নিরাপদ চলাচলের আশ্বাস দিল ইরান জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে, ‘প্যানিক বায়িং’ থেকে বিরত থাকার আহ্বান তথ্য উপদেষ্টার সাংবাদিক প্রবেশে কেন্দ্র সচিবের নিষেধাজ্ঞা মাদারগঞ্জে যমুনার বালুর চরে ফিরেছে সবুজ প্রাণ মাদকাসক্ত ছেলেকে ধরিয়ে দিলেন মা, হল ছয় মাসের জেল জুলাই সনদের প্রতিটি অক্ষর, প্রতিটি শব্দ বাস্তবায়ন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী দেশের সরকারি গুদামে ১৭.৭১ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য মজুদ রয়েছে : খাদ্যমন্ত্রী ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে তৈরি করতে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মকে পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া : তথ্যমন্ত্রী অনূর্ধ্ব-১৮ মহিলা জোনাল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের চ্যাম্পিয়ন ট্রফি উন্মোচন

জননিরাপত্তাকে আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

জননিরাপত্তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে আরও জনবান্ধব পরিবেশে চলাচল করতে পারে, নিরাপদ বোধ করে, মানুষের মধ্যে যাতে নিরাপত্তা সম্পর্কিত আস্থা থাকে-এজন্যই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা (নির্বাহী ক্ষমতা) দেয়া হয়েছে।’

জনপ্রশাসন সচিব ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ‘সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা’ প্রদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে সব পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একই সঙ্গে, একই ছাতার নিচে কাজ করছে। এই মেসেজটার জন্যই এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীকে মাত্র ৬০ দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়ার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার মনে করেছে বিস্তৃত পর্যায়ে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হলে জনগণ আরও নিরাপদ বোধ করবে।’

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আছে, এক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব তৈরি করবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজের সাথে সাংঘর্ষিক হবে না। এটা কোনও ক্যাডারের ক্ষমতা না, এটা রাষ্ট্রের ক্ষমতা। এক রাষ্ট্র, এক জনগণ, এক সরকার। জনস্বার্থে আপনি কাজ করেন, আমি কাজ করি। সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া ভালো ফল দেবে।’

এর আগে মঙ্গলবার ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী দুই মাসের (৬০দিন) জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা সারাদেশে প্রয়োগ করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সংবাদপত্রের স্বাধীনতার প্রতি সরকারের দৃঢ় অবস্থান ব্যক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

জননিরাপত্তাকে আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা

আপডেট সময় ০৭:৪৫:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

জননিরাপত্তাকে মানুষের আস্থার জায়গায় নিতেই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান।

তিনি বলেন, ‘মানুষ যাতে আরও জনবান্ধব পরিবেশে চলাচল করতে পারে, নিরাপদ বোধ করে, মানুষের মধ্যে যাতে নিরাপত্তা সম্পর্কিত আস্থা থাকে-এজন্যই সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা (নির্বাহী ক্ষমতা) দেয়া হয়েছে।’

জনপ্রশাসন সচিব ১৮ সেপ্টেম্বর বুধবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে ‘সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা’ প্রদান প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এসব কথা বলেন।

মোখলেস উর রহমান বলেন, গত ৫ আগস্টের পর থেকে সব পর্যায়ের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী একই সঙ্গে, একই ছাতার নিচে কাজ করছে। এই মেসেজটার জন্যই এ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।

সেনাবাহিনীকে মাত্র ৬০ দিন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দেওয়ার হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার মনে করেছে বিস্তৃত পর্যায়ে মাঠের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের সেনাবাহিনী কাজ করছে। সেনাবাহিনীকে নির্বাহী ক্ষমতা দেয়া হলে জনগণ আরও নিরাপদ বোধ করবে।’

প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আছে, এক্ষেত্রে কোনও দ্বন্দ্ব তৈরি করবে কি না? এ প্রশ্নের জবাবে সিনিয়র সচিব বলেন, ‘প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের কাজের সাথে সাংঘর্ষিক হবে না। এটা কোনও ক্যাডারের ক্ষমতা না, এটা রাষ্ট্রের ক্ষমতা। এক রাষ্ট্র, এক জনগণ, এক সরকার। জনস্বার্থে আপনি কাজ করেন, আমি কাজ করি। সেনাবাহিনীকে এই ক্ষমতা দেওয়া ভালো ফল দেবে।’

এর আগে মঙ্গলবার ‘দ্য কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮’ এর ১২(১) ধারা অনুযায়ী দুই মাসের (৬০দিন) জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা দিয়ে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা এ ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা সারাদেশে প্রয়োগ করতে পারবেন বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।