ঢাকা ১১:০৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেল জামালপুরের কাশফিয়া মাদারগঞ্জে ভিজিএফের চাল বেচাকেনার দায়ে ব্যবসায়ীকে জরিমানা, চাল জব্দ শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে জামালপুরে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত জামালপুরে উন্নয়ন সংঘের সিএনএসএ প্রকল্প বিষয়ক ধারণা উপস্থাপন শেরপুরে ব্যবসায়ী জয়নালের বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলায় সাজা সরকারি জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ : এক ব্যক্তিকে কারাদণ্ড শিক্ষকতাকে মেধাবীদের পছন্দের প্রথম পেশা করতে কাজ করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর : তথ্যমন্ত্রী চরযথার্থপুর দাখিল মাদরাসার দপ্তরীকে মারধরের প্রতিবাদে মানববন্ধন নকলায় বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক শিশু শান্তি পুরস্কারের মনোনয়ন পেল জামালপুরের কাশফিয়া

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।