ঢাকা ০৯:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজদের ধরতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ভিক্ষার চালেই চলে বৃদ্ধ দম্পতির সংসার, সড়কের পাশে ঝুপড়িতে মানবেতর জীবন বকশীগঞ্জে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা জামালপুরে ১০০ এতিম শিক্ষার্থী পেল দোস্ত এইডের শিক্ষাবৃত্তি সরকার কারিগরি শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে : ওয়ারেছ আলী মামুন নকলায় ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ করলেন ফাহিম চৌধুরী ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন মির্জা ফখরুল তিন দিনের নাট্যোৎসবে মঞ্চস্থ হচ্ছে সাদিয়া তাবাসসুম বৃষ্টি রচিত নাটক ‘ঊনচাঁদ’ বিএনপির সাবেক মহাসচিব ব্যারিস্টার সালাম তালুকদারের ২৭তম মৃত্যুবার্ষিক পালিত

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার, স্বামী পলাতক

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।