ঢাকা ১২:২৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ১২ কেজি এলপিজির দাম কমলো ৩৫৭ টাকা অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং ও ম্যাচ ফিক্সিং ঠেকাতে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ পাস সঙ্গীত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের মধ্যে অনন্য সেতুবন্ধ : মার্কিন রাষ্ট্রদূত এইচএসসি : দেওয়ানগঞ্জে ৩ পরীক্ষার্থী বহিষ্কৃত একটি সেলাইমেশিনের মাধ্যমে একজন নারী উদ্যোক্তা হিসাবে গড়ে উঠতে পারেন : রাশেদুল ইসলাম রাশেদ মাদারগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই শিক্ষার্থী আহত, গাছের গুঁড়ি ফেলে সড়ক অবরোধ তিনটি নতুন উপজেলা ও একটি থানা অনুমোদন দিয়েছে সরকার জামালপুরের মোক্তার বৃত্তান্ত রশিদপুরে চাঁদাবাজির প্রতিবাদে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কাজী নজরুল আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।