ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ ডিসেম্বর ২০২৫, ২২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় মসজিদ-মাদরাসায় বিশেষ দোয়া শেরপুরে দু’দিনব্যাপী পর্যটন উদ্যোক্তা তৈরি বিষয়ক প্রশিক্ষণ শুরু রক্তের বন্ধন সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজ শাখার দ্বি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন বেলটিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী দুই যুবক নিহত নিহত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র চলছে : এম. রশীদুজ্জামান মিল্লাত জামালপুরে সাংবাদিক ও দলিল লেখকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের, দোষীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন জেলা মানবাধিকার রক্ষাকারী নেটওয়ার্ক পুনর্গঠন : সভাপতি জাহাঙ্গীর সেলিম, আরজু সম্পাদক সাংবাদিকদের জানিয়ে শেরপুর সদর আসনে মাঠে নামলেন ইলিয়াস উদ্দিন খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় সরিষাবাড়ীতে নারীদের দোয়া মাহফিল

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

৬ ডিসেম্বর দেওয়ানগঞ্জ পাক হানাদার মুক্ত দিবস

কলেজ ত্যাগ করলেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম

আপডেট সময় ০৯:৩৬:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৪
বকশীগঞ্জ খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজ ও অধ্যক্ষ। ছবি : বাংলারচিঠিডটকম

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলার খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজ ত্যাগ করেছেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, আত্মগোপনে থাকার পর ১৮ আগস্ট রবিবার বেলা প্রায় ১১টার দিকে আকস্মিক কলেজে প্রবেশ করেন খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার। এরপর কয়েকজন সাংবাদিক কলেজে খোঁজ খবর নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক ওই অধ্যক্ষ কলেজ ত্যাগ করেন। তিনি মাত্র ৩১ মিনিট কলেজে অবস্থান করেন এবং হাজিরা খাতায় স্বাক্ষর করেই দ্রুত চলে যান।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ আগস্ট থেকে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদার কলেজে অনুপস্থিত ছিলেন। এরমধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের পর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ৬ আগস্ট থেকে অসুস্থতার নাম করে আত্মগোপনে চলে যান অধ্যক্ষ। বকশীগঞ্জ ও শেরপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তার বিভিন্ন ছবি পোস্ট করে প্রচার করা হয়।

উল্লেখ্য, এরই মধ্যে কলেজের নানা অনিয়ম, দুর্নীতির বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে নিউজ প্রকাশিত হলে নড়েচড়ে বসেন ওই অধ্যক্ষ। এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার কলেজে আসার খবরে সাংবাদিকরা কলেজের আশেপাশে অবস্থান নেন। পরে তিনি বেলা ১০.৫৮ মিনিটে কলেজে প্রবেশ করলে সাংবাদিকরাও বিষয়টি খোঁজ নিতে যান। এ সময় সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কলেজে প্রবেশের ৩১ মিনিটের মাথায় কলেজ ত্যাগ করে চলে যান অধ্যক্ষ ।এরপর থেকে তাকে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন প্রভাষক জানান, স্যার (অধ্যক্ষ) কোথায় আছেন তা আমরা জানি না।

এ ব্যাপারে খাতেমুন মঈন মহিলা ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ বজলুল করিম তালুকদারকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ধরেননি।