
মো. আলমগীর
নিজস্ব প্রতিবেদক, বাংলারচিঠিডটকম
দেশের বিভিন্ন স্থানে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মন্দির, বাড়ি-ঘরে হামলা, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও দেশত্যাগে বাধ্য করার প্রতিবাদে জামালপুরে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মানববন্ধন করেছে সনাতনী সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ১১ আগস্ট রবিবার দুপুরে শহরের দয়াময়ী মোড়ে সনাতনী সাধারণ শিক্ষার্থীরা এ কর্মসূচির আয়োজন করে।
কর্মসূচির শুরুতে দয়াময়ী মোড়ে মানববন্ধন করেন হিন্দু ধর্মাবলম্বী সাধারণ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা। পরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন তারা।
সনাতনী সাধারণ শিক্ষার্থী নীলা সরকারের সঞ্চালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ছাত্র দুর্জয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী অন্তিকুর বর্ষা, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র দ্বীপ, সরকারি আশেক মাহমুদ কলেজের ছাত্র অন্তনু দেব নাথ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জামালপুরের সমন্বয়ক শাহরিয়ার শাকিব, অন্তিম গৌড় বসাক, সুজিতা দত্ত, সুস্মিতা সাহা, রবিলা সিংহ সাহা প্রমুখ।

এসময় শিক্ষার্থীরা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় উপাসনালয়, বাড়ি-ঘরে হামলা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ হলেও সরকার ও প্রশাসন নিরব রয়েছে। আমরা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যুক্ত ছিলাম, কিন্তু গত ৫ আগস্ট সরকারের পতন হলে ভেবেছিলাম দেশটাকে নতুন কারে গড়ে তুলবো। কিন্তু ছাত্র-জনতার গণঅভ্যূত্থানের পর সংখ্যালঘুদের উপর আঘাত শুরু হয়। আমরা এখন নিজের দেশে নিরাপদ না, আমরা রাতে ঘুমাতে পারি না। রাত জেগে লাঠি-সোটা নিয়ে মন্দির ও বাড়িঘর পাহারা দিতে হয়। আমাদের দেশত্যাগ করে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে চলে যাওয়ার জন্য নানাভাবে উষ্কানি ও নির্যাতন করা হচ্ছে।
সংখ্যালঘু নির্যাতনের বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠন, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান, সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন প্রণয়ন, পৃথক সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রণালয় গঠন, দেবোত্তর সম্পত্তি পুনরুদ্ধার ও সংরক্ষণ আইন প্রণনয়সহ ৮ দফা দাবি পেশ করে তা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানান শিক্ষার্থীরা।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 










