ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন-এসআরবি আইন, ২০২৬ এর খসড়া নীতিগত ও চূড়ান্ত অনুমোদন শেরপুরে ৩ বিএনপি নেতার সাজা বাতিল ও মুক্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন জামালপুরে ৩০০ দরিদ্র পরিবার পেল দানের মাঝে আনন্দ : মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত জনগণের প্রতি বিভ্রান্তকারীদের নজরে রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মৎস্য পক্ষ : জামালপুরে বর্ণাঢ্য আলোচনা সভা, শোভাযাত্রা দশানী নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে সাজেলের চর বাজার, সেতু খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : ফিরোজ মিয়ার উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন : সরিষাবাড়ীতে আলোচনা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দেশের ২০ কোটি মানুষের ৪০ কোটি হাতকে কর্মীর হাতে রূপান্তর করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী

ইসলামপুরে দশানী নদী ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি

ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের ডাকপাড়া ও চন্দনপুর গ্রামের দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি বিস্তীর্ণ এলাকা। বিগত তিন বছর থেকে নদী ভাঙনের ফলে শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।

বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলমান ব্যাপক ভাঙনের ফলে প্রায় বিশটি বাড়িসহ কয়েক শত শত একর ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়তই নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভিটে মাটি হারিয়ে অনেকেই বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে।

এলাকাবাসী আসাদুল হক দুলাল, গোলাপ সরকার, আব্দুর রহিম, লাল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাজী আব্দুল হাই, নূরনবী মিয়া, ছবুরন বেগম, আকলিমা বেগম বলেন, গত তিন বছর থেকে দুই শতাধিক বাড়িঘর, ঈদগাহ, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনের কারণে অনেকেই বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ডাকপাড়া, মরাবন, নতুন শাহ পাড়া, মালপাড়া, আর্দশ গ্রাম, চন্দনপুর, টুংরাপাড়া, নতুন শাহ পাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

ভাঙন রোধে এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সুদৃষ্টি কামনা করেন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অস্ট্রেলিয়ায় ঐতিহাসিক টেস্ট জয়ে টাইগারদের মন্ত্রিসভার অভিনন্দন

ইসলামপুরে দশানী নদী ভাঙনে নিঃস্ব শতাধিক পরিবার, স্থায়ী বাঁধ নির্মাণের দাবি

আপডেট সময় ০৭:১৪:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুলাই ২০২৪
ডাকপাড়া গ্রামে দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা। ছবি: বাংলারচিঠিডটকম

লিয়াকত হোসাইন লায়ন
নিজস্ব প্রতিবেদক, ইসলামপুর, বাংলারচিঠিডটকম

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার গাইবান্ধা ইউনিয়নের ডাকপাড়া ও চন্দনপুর গ্রামের দশানী নদী ভাঙনে প্রতিনিয়তই বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, রাস্তাঘাট, ফসলি জমি বিস্তীর্ণ এলাকা। বিগত তিন বছর থেকে নদী ভাঙনের ফলে শতাধিক ঘরবাড়ি ও ফসলি জমি নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ায় গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়েছে অনেকে। নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ দীর্ঘদিনের দাবি এলাকাবাসীর।

বসতবাড়ি, রাস্তাঘাট, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা ভাঙন থেকে রক্ষার দাবিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান এলাকাবাসী।

সরেজমিনে দেখা গেছে, চলমান ব্যাপক ভাঙনের ফলে প্রায় বিশটি বাড়িসহ কয়েক শত শত একর ফসলি জমিসহ বিস্তীর্ণ এলাকা প্রতিনিয়তই নদীর গর্ভে বিলীন হচ্ছে। ভিটে মাটি হারিয়ে অনেকেই বিভিন্ন স্থানে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে।

এলাকাবাসী আসাদুল হক দুলাল, গোলাপ সরকার, আব্দুর রহিম, লাল মিয়া, আশরাফুল ইসলাম, হাজী আব্দুল হাই, নূরনবী মিয়া, ছবুরন বেগম, আকলিমা বেগম বলেন, গত তিন বছর থেকে দুই শতাধিক বাড়িঘর, ঈদগাহ, মসজিদ, মাদরাসা, কবরস্থান, ফসলি জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। নদী ভাঙনের কারণে অনেকেই বসতভিটা ও ফসলি জমি হারিয়ে গ্রাম ছেড়ে ঢাকার বস্তিতে আশ্রয় নিয়ে দিনাতিপাত করছে। এভাবে চলতে থাকলে ডাকপাড়া, মরাবন, নতুন শাহ পাড়া, মালপাড়া, আর্দশ গ্রাম, চন্দনপুর, টুংরাপাড়া, নতুন শাহ পাড়াসহ কয়েকটি গ্রাম অচিরেই বিলীন হয়ে যাবে। এতে হাজার হাজার মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাবে। আমরা সংশ্লিষ্ট সবার কাছে ভাঙন রোধে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

ভাঙন রোধে এলাকাবাসী স্থায়ী বাঁধ নির্মাণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান এমপির সুদৃষ্টি কামনা করেন।