
বিল্লাল হোসেন মন্ডল
নিজস্ব প্রতিবেদক, দেওয়ানগঞ্জ, বাংলারচিঠিডটকম
কয়েকদিন টানা বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে বন্যার পানি কিছুটা কমেছে, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে। তবে, কমেনি জনজীবনের দুর্ভোগ। আবার টানা বৃষ্টি হলে ও উজানের পাহাড়ি ঢলে বন্যার পানি বৃদ্ধির শঙ্কায় আছেন বন্যার্ত মানুষ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্যার পানি ধীর গতিতে কমলেও কমছে না বন্যার্ত মানুষের বিড়ম্বনা। এখনও বাড়িঘর, রাস্তা-ঘাট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পানিতে তলিয়ে আছে। উপজেলার ৭৭টি গ্রামে এখনও পানি আছে। বন্যার্তরা ১১টি আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নিয়েছেন। এ ছাড়াও অনেকেই নিজের গবাদিপশু নিয়ে উঁচু স্থানে অবস্থান করছেন। এখন ওইসব এলাকার বন্যার্তরা চরম দুর্ভোগে রয়েছেন। টানা বৃষ্টিপাতের কারণে এবং উজানের পাহাড়ি ঢলে উপজেলার অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে আছেন। আশ্রয়কেন্দ্রের অধিকাংশ বন্যার্তরা সরকারি ত্রাণ পেলেও চাহিদার তুলনায় অপ্রতুল আশ্রয়কেন্দ্রগুলোতে বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন সমস্যায় ভুগছে তারা।

উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মাজহারুল ইসলাম এ প্রতিবেদককে জানান, দেওয়ানগঞ্জে এ পর্যন্ত ৪০ মেট্রিক টন খয়রাতির চাল ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের বাহাদুরাবাদ পয়েন্টের পানি পরিমাপক আব্দুল মান্নান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১১ সেন্টিমিটার কমেছে। তবুও পানি বিপদসীমার অনেক ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তবে বৃষ্টিপাত না হওয়ায় উপজেলার গ্রামগঞ্জের ও সীমান্তবর্তী এলাকা বন্যার পানি কিছুটা কমেছে, পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ওসি) শেখ জাহিদ হাসান প্রিন্স এ প্রতিবেদককে জানান, বন্যা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। মেডিকেল টিম কাছ করছে। যেকোনো প্রয়োজনে প্রশাসন দুর্গতদের পাশে থাকবে।
বাংলার চিঠি ডেস্ক : 










