ঢাকা ১১:০৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী মার্কিন ফার্স্ট লেডিকে ইউক্রেনের বেসামরিক সম্মাননা প্রদান মধ্যবর্তী নির্বাচনে বিপর্যয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রে পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের তৎপরতা শুরু স্কুল শিক্ষার্থীদের জন্য এআই টুল স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ রাখছে গুগল গার্মেন্টস শিল্পের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : তথ্য প্রতিমন্ত্রী কন্যাশিশুকে ধর্ষণের চেষ্টা, আসামি সাইদুর মুন্সিকে ৮ বছরের জেল সরিষাবাড়ীতে ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার ৫ নভেম্বর খুলনা ও বাগেরহাট সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী পোশাক শ্রমিকদের নতুন মজুরি বাস্তবায়ন ডিসেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের ভরাডুবি, কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ নিল ডেমোক্র্যাটরা

নেপালকে হারিয়ে সেমির আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশের যুবারা

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বোলারদের পর ব্যাটারদের দায়িত্বপূর্ণ পারফরমেন্সে অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে গ্রুপ-১এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ৫ উইকেটে হারিয়েছে নেপালকে। এই জয়ে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ।

৩ ম্যাচে সমান ৬ করে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ দু’টিস্থানে আছে ভারত ও পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয়স্থানে বাংলাদেশ। সুপার সিক্সে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেনোনিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে খেলতে হলে ঐ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে বাংলাদেশকে। হেরে গেলে সুপার সিক্স থেকে বিশ্বকাপ শেষ করবে ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

ব্লুমফন্টেইনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ২৯ রানে ৩ উইকেট হারায় নেপাল। এসময় ১টি করে উইকেট শিকার করেন দুই পেসার মারুফ মৃধা-ইকবাল হোসেন ইমন ও বর্ষন।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ৬২ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক ডেভ খানাল ও বিশাল বিক্রম। ৩৫ রান করা খানালকে শিকার করে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন অফ-স্পিনার জিশান আলম।

৯১ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর নেপালের বাকী উইকেটগুলো ভাগাভাগি করে নেন বর্ষন ও জীবন। এতে ১ বল বাকী থাকতে ১৬৯ রানে অলআউট হয় নেপাল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন বিশাল।

বল হাতে বর্ষন ৮ দশমিক ৫ ওভারে ১৯ রানে ৪ এবং জীবন ১০ ওভারে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া ইমন-মারুফ ও জিশান ১টি উইকেট শিকার করেন।

১৭০ রানের টার্গেটে ৭০ বলে ৬৭ রানের সূচনা করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জিশান ও আশিকুর রহমান শিবলি। জুটিতে ৩৪ বলে ১৬ রান করে ফিরেন শিবলি।

১টি করে চার-ছক্কায় শুরু করলেও, ১১ বলে ১৫ রানে থামেন তিন নম্বরে নামা এমডি রিজওয়ান। সতীর্থদের যাওয়া আসার মাঝে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে দলীয় ৯২ রানে আউট হন জিশান। ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৩ বলে ৫৫ রান করেন জিশান।

জিশান ফেরার পর নেপালের বোলারদের উপর চড়াও হন গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা আরিফুল ইসলাম। তার ৩৮ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় অনবদ্য ৫৯ রানের সুবাদে ১৪৮ বল বাকী রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।

আপলোডকারীর তথ্য

শিশুদের হাত ধরেই গড়ে উঠবে শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

নেপালকে হারিয়ে সেমির আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশের যুবারা

আপডেট সময় ০৯:২১:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪

বাংলারচিঠিডটকম ডেস্ক :

বোলারদের পর ব্যাটারদের দায়িত্বপূর্ণ পারফরমেন্সে অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের সুপার সিক্সে গ্রুপ-১এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে ৩১ জানুয়ারি বাংলাদেশ ৫ উইকেটে হারিয়েছে নেপালকে। এই জয়ে যুব বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ।

৩ ম্যাচে সমান ৬ করে পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষ দু’টিস্থানে আছে ভারত ও পাকিস্তান। ৩ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয়স্থানে বাংলাদেশ। সুপার সিক্সে নিজেদের দ্বিতীয় ও শেষ ম্যাচে আগামী ৩ ফেব্রুয়ারি বেনোনিতে পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। সেমিফাইনালে খেলতে হলে ঐ ম্যাচে পাকিস্তানের বিপক্ষে বড় ব্যবধানে জিততে হবে বাংলাদেশকে। হেরে গেলে সুপার সিক্স থেকে বিশ্বকাপ শেষ করবে ২০২০ সালের চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ।

ব্লুমফন্টেইনে টস জিতে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ২৯ রানে ৩ উইকেট হারায় নেপাল। এসময় ১টি করে উইকেট শিকার করেন দুই পেসার মারুফ মৃধা-ইকবাল হোসেন ইমন ও বর্ষন।

চতুর্থ উইকেটে বাংলাদেশের বোলারদের সামনে প্রতিরোধ গড়ে ৬২ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক ডেভ খানাল ও বিশাল বিক্রম। ৩৫ রান করা খানালকে শিকার করে বাংলাদেশকে ব্রেক-থ্রু এনে দেন অফ-স্পিনার জিশান আলম।

৯১ রানে চতুর্থ উইকেট পতনের পর নেপালের বাকী উইকেটগুলো ভাগাভাগি করে নেন বর্ষন ও জীবন। এতে ১ বল বাকী থাকতে ১৬৯ রানে অলআউট হয় নেপাল। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪৮ রান করেন বিশাল।

বল হাতে বর্ষন ৮ দশমিক ৫ ওভারে ১৯ রানে ৪ এবং জীবন ১০ ওভারে ৩৪ রানে ৩ উইকেট নেন। এছাড়া ইমন-মারুফ ও জিশান ১টি উইকেট শিকার করেন।

১৭০ রানের টার্গেটে ৭০ বলে ৬৭ রানের সূচনা করেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার জিশান ও আশিকুর রহমান শিবলি। জুটিতে ৩৪ বলে ১৬ রান করে ফিরেন শিবলি।

১টি করে চার-ছক্কায় শুরু করলেও, ১১ বলে ১৫ রানে থামেন তিন নম্বরে নামা এমডি রিজওয়ান। সতীর্থদের যাওয়া আসার মাঝে হাফ-সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়ে দলীয় ৯২ রানে আউট হন জিশান। ৬টি চার ও ২টি ছক্কায় ৪৩ বলে ৫৫ রান করেন জিশান।

জিশান ফেরার পর নেপালের বোলারদের উপর চড়াও হন গ্রুপ পর্বে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে সেঞ্চুরি করা আরিফুল ইসলাম। তার ৩৮ বলে ৭টি চার ও ২টি ছক্কায় অনবদ্য ৫৯ রানের সুবাদে ১৪৮ বল বাকী রেখে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বাংলাদেশ।